নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের ৯২ শতাংশ মানুষই মানসিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। মাত্র ৮ শতাংশ মানুষ এই সেবার আওতায় রয়েছে। আর বর্তমানে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন দেশের ১৭ শতাংশ মানুষ। আজ রোববার মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির সভাপতি ড. মুহাম্মাদ মাহমুদুর রহমান।
বর্তমানে দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার চিত্র তুলে ধরে মাহমুদুর রহমান বলেন, শুধুমাত্র মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যাবে না। এটা নিশ্চিত করতে হলে সমাজের বৈষম্য দূর করতে হবে। সামাজিক বৈষম্য মানসিক সমস্যার অন্যতম মূল কারণ।
তিনি আরও বলেন, শিশুদের সুস্থভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। আমাদের প্রতিটা কমিউনিটি যেন মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষ মানসিকভাবে সুস্থ থাকবে এবং তাদের কর্মস্পৃহা বাড়বে ৷
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, আমাদের দেশে মানসিক অসুখকে এখনো সিংহভাগ লোক ভৌতিক প্রভাব বলে মনে করে। মানসিক সমস্যা প্রতিরোধ করতে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব সায়েদুল ইসলাম বলেন, করোনাকালেও আমরা বৈষম্য দেখতে পেয়েছি। কোনো দেশ বুস্টার ডোজ দিচ্ছে। আর কোনো দেশ টিকাই পাচ্ছে না।
আরও পড়ুন:

দেশের ৯২ শতাংশ মানুষই মানসিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। মাত্র ৮ শতাংশ মানুষ এই সেবার আওতায় রয়েছে। আর বর্তমানে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন দেশের ১৭ শতাংশ মানুষ। আজ রোববার মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির সভাপতি ড. মুহাম্মাদ মাহমুদুর রহমান।
বর্তমানে দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার চিত্র তুলে ধরে মাহমুদুর রহমান বলেন, শুধুমাত্র মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যাবে না। এটা নিশ্চিত করতে হলে সমাজের বৈষম্য দূর করতে হবে। সামাজিক বৈষম্য মানসিক সমস্যার অন্যতম মূল কারণ।
তিনি আরও বলেন, শিশুদের সুস্থভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। আমাদের প্রতিটা কমিউনিটি যেন মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষ মানসিকভাবে সুস্থ থাকবে এবং তাদের কর্মস্পৃহা বাড়বে ৷
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, আমাদের দেশে মানসিক অসুখকে এখনো সিংহভাগ লোক ভৌতিক প্রভাব বলে মনে করে। মানসিক সমস্যা প্রতিরোধ করতে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব সায়েদুল ইসলাম বলেন, করোনাকালেও আমরা বৈষম্য দেখতে পেয়েছি। কোনো দেশ বুস্টার ডোজ দিচ্ছে। আর কোনো দেশ টিকাই পাচ্ছে না।
আরও পড়ুন:

নতুন বছরের শুরুতে আমাদের সবার মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের এক বাড়তি উদ্দীপনা কাজ করে। জিমগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ে, নতুন সব ওয়ার্কআউট প্ল্যান তৈরি হয়। তবে ফিটনেসের মূল চাবিকাঠি কঠোর পরিশ্রম নয়, বরং ধারাবাহিকতা।
২ মিনিট আগে
ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও খনিজ লবণ বেরিয়ে যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি খুব দ্রুত সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। সুস্থ থাকতে হলে এর লক্ষণ ও তাৎক্ষণিক করণীয়গুলো মনে রাখা জরুরি।
১ ঘণ্টা আগে
স্বাদে ও পুষ্টিগুণে শীতের রানি ফুলকপি। বহুভাবে খাওয়া যায় এ সবজি। হৃদ্রোগ, ক্যানসারসহ জটিল কিছু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে এতে থাকা খনিজ।
২ ঘণ্টা আগে
জীবনে রঙের অস্তিত্ব না থাকলে কেমন হতো? নির্জীব, একঘেয়ে কেমন যেন নিরানন্দ কিংবা নেই কোনো উৎসাহ-উদ্দীপনা। রঙিন কিছু দেখলেই আমাদের মন যেন উৎফুল্ল হয়ে ওঠে, খাবারের বেলায়ও এটি একই রকম সত্য।
৬ দিন আগে