ফাতেমা সিদ্দিকী ছন্দা

গর্ভাবস্থা সাধারণত ৯ মাসের কিছু বেশি দিন থাকে। এই ৯ মাসকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথম ৩ মাস ফার্স্ট ট্রাইমিস্টার, ৪-৬ মাস সেকেন্ড ট্রাইমিস্টার এবং ৬ মাসের পর থেকে শিশুর জন্ম পর্যন্ত সময়কে থার্ড ট্রাইমিস্টার বলে। এই ট্রাইমিস্টার অনুসারে গর্ভবতী নারীর খাবার নির্ধারণ করতে হবে। গর্ভধারণের পর অনেক খেয়ে স্বাস্থ্য বাড়িয়ে ফেলার কোনো মানে নেই। এই প্রক্রিয়া বরং পরবর্তী সময়ে নানা রোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একজন স্বাভাবিক ওজনের গর্ভবতী মা পুষ্টিবিশেষজ্ঞের পরামর্শে ১১-১৩ কেজি ওজন বাড়াতে পারবেন পুরো গর্ভকালে। শরীরের গঠন অনুসারে তা কমবেশি হবে।
১-৩ মাসের খাবার
প্রথম ট্রাইমিস্টারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রয়োজন হয় না, যদি আপনার ওজন সঠিক থাকে। এ সময় আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা আপনার শরীরের চাহিদা অনুসারে হলেই যথেষ্ট। তার জন্য তাজা ফলমূল, শাকসবজি, সর ছাড়া দুধ বা দই, মাছ বা মাংস, প্রতিদিন ১টা ডিম ও বাদাম খাবেন। পানি খাবেন ১২-১৫ গ্লাস। ক্যাফেইনসমৃদ্ধ খাদ্য কম খেয়ে বাড়িতে বানানো ফলের জুস, দই, লাচ্ছি খান প্রচুর পরিমাণে। বাইরের খাবার যত পারবেন কম খাবেন। এ সময় ফোলেট বা ফলিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ খাবার খেতে হয়। করলা, ক্যাপসিকাম, ব্রকলি, মেথি, পুদিনা, ধনে, বাদাম ও কিশমিশে ফোলেট পাওয়া যায় প্রাকৃতিকভাবে। এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শে চলতে হবে।
৪-৬ মাসের খাবার
অতিরিক্ত ২০০-৩০০ ক্যালরি খাবার বেশি খাওয়া প্রয়োজন এ সময়ে। খাবারে ভিটামিন ডি ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকতে হবে প্রচুর পরিমাণে। শিশুর মস্তিষ্ক ও চোখের সঠিক গঠনের জন্য এই উপাদানগুলো প্রয়োজন। সূর্যের আলো, ডিমের কুসুম, ইলিশ মাছের ডিম, দুধ, দই, বাদামি চাল ও গমে ভিটামিন ডি পাওয়া যায় প্রাকৃতিকভাবে। এ ছাড়া ওমেগা ৩-এর জন্য সামুদ্রিক মাছ ও তিসির তেল খেতে হবে। এ সময় আয়োডিন ও ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে।
৬-৯ মাসের খাবার
শেষ ট্রাইমিস্টার মূলত ৬ মাস থেকে শিশু জন্ম হওয়ার সময় পর্যন্ত। এ সময় আগের তালিকা ধরেই খাবার খেতে হবে। তবে পরিমাণ কিছুটা বাড়াতে হবে। এ জন্য চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শে খাবার নির্দিষ্ট করতে হবে। থার্ড ট্রাইমিস্টারে শিশুর ওজন বাড়ে। এ সময়ে মায়ের কোষ্ঠকাঠিন্য ও বুক জ্বালা হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। তবে আঁশযুক্ত ফল ও শাকসবজি এবং সঠিক খাদ্যতালিকা এসব থেকে মুক্ত রাখতে পারে গর্ভবতী মাকে।
আরও যা করবেন
লেখক: ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট, বেটার লাইফ হসপিটাল, রামপুরা

গর্ভাবস্থা সাধারণত ৯ মাসের কিছু বেশি দিন থাকে। এই ৯ মাসকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথম ৩ মাস ফার্স্ট ট্রাইমিস্টার, ৪-৬ মাস সেকেন্ড ট্রাইমিস্টার এবং ৬ মাসের পর থেকে শিশুর জন্ম পর্যন্ত সময়কে থার্ড ট্রাইমিস্টার বলে। এই ট্রাইমিস্টার অনুসারে গর্ভবতী নারীর খাবার নির্ধারণ করতে হবে। গর্ভধারণের পর অনেক খেয়ে স্বাস্থ্য বাড়িয়ে ফেলার কোনো মানে নেই। এই প্রক্রিয়া বরং পরবর্তী সময়ে নানা রোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একজন স্বাভাবিক ওজনের গর্ভবতী মা পুষ্টিবিশেষজ্ঞের পরামর্শে ১১-১৩ কেজি ওজন বাড়াতে পারবেন পুরো গর্ভকালে। শরীরের গঠন অনুসারে তা কমবেশি হবে।
১-৩ মাসের খাবার
প্রথম ট্রাইমিস্টারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রয়োজন হয় না, যদি আপনার ওজন সঠিক থাকে। এ সময় আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা আপনার শরীরের চাহিদা অনুসারে হলেই যথেষ্ট। তার জন্য তাজা ফলমূল, শাকসবজি, সর ছাড়া দুধ বা দই, মাছ বা মাংস, প্রতিদিন ১টা ডিম ও বাদাম খাবেন। পানি খাবেন ১২-১৫ গ্লাস। ক্যাফেইনসমৃদ্ধ খাদ্য কম খেয়ে বাড়িতে বানানো ফলের জুস, দই, লাচ্ছি খান প্রচুর পরিমাণে। বাইরের খাবার যত পারবেন কম খাবেন। এ সময় ফোলেট বা ফলিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ খাবার খেতে হয়। করলা, ক্যাপসিকাম, ব্রকলি, মেথি, পুদিনা, ধনে, বাদাম ও কিশমিশে ফোলেট পাওয়া যায় প্রাকৃতিকভাবে। এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শে চলতে হবে।
৪-৬ মাসের খাবার
অতিরিক্ত ২০০-৩০০ ক্যালরি খাবার বেশি খাওয়া প্রয়োজন এ সময়ে। খাবারে ভিটামিন ডি ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকতে হবে প্রচুর পরিমাণে। শিশুর মস্তিষ্ক ও চোখের সঠিক গঠনের জন্য এই উপাদানগুলো প্রয়োজন। সূর্যের আলো, ডিমের কুসুম, ইলিশ মাছের ডিম, দুধ, দই, বাদামি চাল ও গমে ভিটামিন ডি পাওয়া যায় প্রাকৃতিকভাবে। এ ছাড়া ওমেগা ৩-এর জন্য সামুদ্রিক মাছ ও তিসির তেল খেতে হবে। এ সময় আয়োডিন ও ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে।
৬-৯ মাসের খাবার
শেষ ট্রাইমিস্টার মূলত ৬ মাস থেকে শিশু জন্ম হওয়ার সময় পর্যন্ত। এ সময় আগের তালিকা ধরেই খাবার খেতে হবে। তবে পরিমাণ কিছুটা বাড়াতে হবে। এ জন্য চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শে খাবার নির্দিষ্ট করতে হবে। থার্ড ট্রাইমিস্টারে শিশুর ওজন বাড়ে। এ সময়ে মায়ের কোষ্ঠকাঠিন্য ও বুক জ্বালা হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। তবে আঁশযুক্ত ফল ও শাকসবজি এবং সঠিক খাদ্যতালিকা এসব থেকে মুক্ত রাখতে পারে গর্ভবতী মাকে।
আরও যা করবেন
লেখক: ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট, বেটার লাইফ হসপিটাল, রামপুরা

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
১১ ঘণ্টা আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
১৪ ঘণ্টা আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে