Ajker Patrika

১৭ বছরে কেউ নজর দেয়নি, তাই স্বাস্থ্যসেবাকে নতুন করে সাজাতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
১৭ বছরে কেউ নজর দেয়নি, তাই স্বাস্থ্যসেবাকে নতুন করে সাজাতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হঠাৎ পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে কেউ নজর দেয়নি। তাই আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে নতুনভাবে সাজাতে চাচ্ছি।

আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চিকিৎসা খাতে চরম অবহেলা ও লুটপাট হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহে যে চারটি হাসপাতাল দেখেছি, সবগুলোই ভালো। তবে সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ খুবই বেশি, কিন্তু ডাক্তার কম। গত ১৭ বছরে কেউ এদিকে নজর দেয়নি। তাই আমরা নতুনভাবে স্বাস্থ্যসেবাকে সাজাতে চাচ্ছি।’

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হঠাৎ পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হঠাৎ পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডাক্তারের মারাত্মক সংকট। গত ১৭ বছর কোনো অ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার নতুনভাবে সৃষ্টি হয়নি। পুরোনো ডাক্তার দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। তবে নতুনভাবে অ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে গতিশীল করতে দেশে নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) পরিদর্শন করে দ্রুত এটি চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এর আগে মন্ত্রী মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত যেসব ব্যক্তি এখনো বেতন পাননি, তাঁদের বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি।

মহেশপুরের ভৈরবা হাসপাতাল বন্ধ থাকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালটি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হেলথ সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া সারা দেশে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার শয্যার ১০ থেকে ১২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল নারীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত