‘চিকেন পক্স’কে বাংলায় বলা হয় জলবসন্ত। শীতের শুরুর সময়টাতে বেশ দেখা যায় এই রোগ। এর জাতভাই গুটিবসন্ত বা স্মল পক্সের মতো এটা প্রাণঘাতী নয়, তবে বেশ ভোগায়। যেকোনো বয়সের মানুষের চিকেন পক্স হতে পারে। তবে কম বয়সীদের তুলনায় বড়দের ভোগান্তিটা একটু বেশি হতে পারে এই ছোঁয়াচে রোগে। ঘরে একজনের হলে সবারই হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই রোগে শরীরে চুলকানি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। জ্বালাপোড়া হতে পারে।
যা করবেন
চিকিৎসা
চিকেন পক্সের মূল চিকিৎসা বিশ্রাম এবং প্রচুর তরল খাবার খাওয়া। সুনির্দিষ্ট ভাইরাসনাশী ওষুধ রোগের ব্যাপ্তি কমায়; বিশেষ করে শিশুরা বেশি উপকৃত হয়। চুলকানির জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া যেতে পারে। ত্বকে ব্যবহারের জন্য কিছু ওষুধ আছে, যা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার অনেকটাই স্বস্তি দেবে।
চিকেন পক্সের জন্য ত্বকে কালো বা সাদা দাগ হতে পারে। এটা অস্বস্তির কারণ হলেও দাগগুলো নিজে থেকেই অনেক হালকা হয়ে যায়। আর চিকিৎসার মাধ্যমে অনেকাংশে দূর করা যায়।
লেখক: আবাসিক মেডিকেল অফিসার, রংপুর

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩০৬ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ১২৮ জন।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের প্রকোপ এখনো আশানুরূপভাবে স্থিতিশীল হয়নি। সংখ্যা ওঠানামা করলেও মৃত্যুর মিছিলও থেমে নেই। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মে মাসের শুরুর কয়েক দিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সবকটি সূচক সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। এর ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সামগ্রিক চিত্র এখনো উদ্বেগজনক।
১ দিন আগে
ঈদের আমেজে নানা পদের মুখরোচক খাবার খাওয়া হবে। সঙ্গে হঠাৎ গরম এবং হঠাৎ ঠান্ডা আবহাওয়া। এই কারণে অনেকের রক্তচাপ কিংবা ব্লাড প্রেশার হুট করে বেড়ে যেতে পারে।
১ দিন আগে
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত হাম এবং হামের বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫১২ শিশু। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে