জাকিয়া নাজনীন

আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘আমাদের গ্রহ, আমাদের স্বাস্থ্য।’ এবারের লক্ষ্য, পৃথিবী এবং এখানে বসবাসকারী মানুষের মঙ্গলের বিষয়ে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ। পরিবেশদূষণ বাড়ার ফলে ক্যানসার, অ্যাজমা, হৃদ্রোগের মতো রোগগুলোর ঝুঁকি বাড়ছে দিন দিন। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
পরিবেশের অন্যান্য দূষণের মধ্যে আমাদের দেশে বেড়েছে বায়ুদূষণ। ফলে তা পরিবেশের জন্য তো বটেই, মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সুস্থ থাকতে তাই ব্যক্তিগত সাবধানতা অবলম্বন ভীষণ জরুরি হয়ে পড়েছে। বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যখন বাতাস দূষিত এবং বৃষ্টি হচ্ছে, তখন মাটিতেও বাতাসে মিশে থাকা রাসায়নিক উপাদান মিশে যাচ্ছে। এ ছাড়া মাটি আরও নানাভাবেই দূষিত হচ্ছে। ফলে দূষিত বাতাস থেকে যে রাসায়নিক উপাদানগুলো মাটিতে চলে যাচ্ছে, সেগুলো ফল, সবজি ও অন্যান্য শস্যকেও দূষিত করছে। ফলে দৈনন্দিন খাবারের মাধ্যমে তা আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে, যা স্বাস্থ্যহানির কারণ।
বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে
শরীর ডিটক্সিফিকেশন একটি বিশদ ব্যাপার। ডিটক্সের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ফাস্টিং বা না খেয়ে থাকা ও কিছু হারবাল জুস পান করা। এখন রোজার মাস। প্রতিদিন সাহ্রি ও ইফতারের মধ্যবর্তী যে সময় ফাস্টিং এমনিতেই হয়ে যাচ্ছে এখন। ডিটক্সিফিকেশনের জন্য যে জুসের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো রোজা শেষে ইফতারে প্রথম পানীয় হিসেবে পান করা যেতে পারে। তবে অ্যালার্জি বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে।
এখন পালংশাকের মৌসুম না হলেও বাজারে পাওয়া যায় শাকটি। সেটির স্মুদি বানিয়ে পান করা যায় ডিটক্স পানীয় হিসেবে। পালংশাকের সঙ্গে আদা, কলা, বাদাম ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্মুদি। পালংশাক না পেলে শসা দিয়েও ডিটক্স পানীয় তৈরি করা যায়। পানিসমৃদ্ধ শসা ও পুষ্টিগুণে ভরপুর পুদিনা স্বাস্থ্যকর খাবার। একটি বড় জারে পানি নিয়ে তাতে কয়েক টুকরো শসা ও তাজা পুদিনাপাতা দিয়ে এটি কিছু সময়ের জন্য ঢেকে রাখুন। তারপর সে পানি পান করুন।
এ ছাড়া সাহ্রি ও ইফতারে প্রচুর পানি পান করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান শরীর বিষমুক্ত করতে সহায়তা করে।
লেখক: পুষ্টিবিদ ও হোলস্টিক লাইফস্টাইল মোডিফায়ার

আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘আমাদের গ্রহ, আমাদের স্বাস্থ্য।’ এবারের লক্ষ্য, পৃথিবী এবং এখানে বসবাসকারী মানুষের মঙ্গলের বিষয়ে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ। পরিবেশদূষণ বাড়ার ফলে ক্যানসার, অ্যাজমা, হৃদ্রোগের মতো রোগগুলোর ঝুঁকি বাড়ছে দিন দিন। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
পরিবেশের অন্যান্য দূষণের মধ্যে আমাদের দেশে বেড়েছে বায়ুদূষণ। ফলে তা পরিবেশের জন্য তো বটেই, মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সুস্থ থাকতে তাই ব্যক্তিগত সাবধানতা অবলম্বন ভীষণ জরুরি হয়ে পড়েছে। বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যখন বাতাস দূষিত এবং বৃষ্টি হচ্ছে, তখন মাটিতেও বাতাসে মিশে থাকা রাসায়নিক উপাদান মিশে যাচ্ছে। এ ছাড়া মাটি আরও নানাভাবেই দূষিত হচ্ছে। ফলে দূষিত বাতাস থেকে যে রাসায়নিক উপাদানগুলো মাটিতে চলে যাচ্ছে, সেগুলো ফল, সবজি ও অন্যান্য শস্যকেও দূষিত করছে। ফলে দৈনন্দিন খাবারের মাধ্যমে তা আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে, যা স্বাস্থ্যহানির কারণ।
বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে
শরীর ডিটক্সিফিকেশন একটি বিশদ ব্যাপার। ডিটক্সের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ফাস্টিং বা না খেয়ে থাকা ও কিছু হারবাল জুস পান করা। এখন রোজার মাস। প্রতিদিন সাহ্রি ও ইফতারের মধ্যবর্তী যে সময় ফাস্টিং এমনিতেই হয়ে যাচ্ছে এখন। ডিটক্সিফিকেশনের জন্য যে জুসের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো রোজা শেষে ইফতারে প্রথম পানীয় হিসেবে পান করা যেতে পারে। তবে অ্যালার্জি বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে।
এখন পালংশাকের মৌসুম না হলেও বাজারে পাওয়া যায় শাকটি। সেটির স্মুদি বানিয়ে পান করা যায় ডিটক্স পানীয় হিসেবে। পালংশাকের সঙ্গে আদা, কলা, বাদাম ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্মুদি। পালংশাক না পেলে শসা দিয়েও ডিটক্স পানীয় তৈরি করা যায়। পানিসমৃদ্ধ শসা ও পুষ্টিগুণে ভরপুর পুদিনা স্বাস্থ্যকর খাবার। একটি বড় জারে পানি নিয়ে তাতে কয়েক টুকরো শসা ও তাজা পুদিনাপাতা দিয়ে এটি কিছু সময়ের জন্য ঢেকে রাখুন। তারপর সে পানি পান করুন।
এ ছাড়া সাহ্রি ও ইফতারে প্রচুর পানি পান করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান শরীর বিষমুক্ত করতে সহায়তা করে।
লেখক: পুষ্টিবিদ ও হোলস্টিক লাইফস্টাইল মোডিফায়ার

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৪ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৪ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
৪ দিন আগে