
প্রশ্ন: বাইরে গেলে চোখে সব সময় লেন্স পরি। অনেকেই বলেন, চোখে লেন্স পরা নাকি ঠিক নয়। তাতে চোখের ক্ষতি হয়। সারা দিন ঠিক কতক্ষণ লেন্স পরে থাকা স্বাস্থ্যকর? লেন্স কেনার সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখব?
অদিতি আহমেদ, ঢাকা
কন্টাক্ট লেন্স কেনার আগে কয়েকটি
বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে:
ধরন: চার ধরনের কন্টাক্ট লেন্স রয়েছে—হার্ড, সেমি সফট, সফট ও ডিসপোজিবল। হার্ড লেন্স একধরনের স্বচ্ছ প্লাস্টিক। তবে এটি সবচেয়ে ভালো দৃষ্টিশক্তি দিতে পারে। এই লেন্সের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন আসতে পারে না বলে চার ঘণ্টা পরপর খুলে ধুয়ে আবার পরতে হয়। যদিও টেকে বেশি, দামে কম এবং অনেক পরিষ্কার; তবু বেশি চলে সেমি সফট লেন্স বা আরজিপি লেন্স। এগুলো অক্সিজেন পরিবহনে সক্ষম। সফট লেন্সও মূলত প্লাস্টিকজাতীয় পদার্থ। কিন্তু এর জলীয় অংশের পরিমাণ বেশি হয় বলে বেশ নরম। তাই বেশ আরামদায়ক।
আকৃতি: লেন্সের মাপজোখ অত্যন্ত
সূক্ষ্ম হতে হয়। নইলে সেট করা বেশ কষ্টসাধ্য। এ জন্য সঠিক আকৃতির লেন্স কিনতে হয়।
মেয়াদ: লেন্স কেনার আগে অবশ্যই এটি যে সল্যুশনে ডুবিয়ে রাখতে হয়, সেটির মেয়াদ আছে কি না, তা দেখতে হবে।
মান: ভালো মান দেখে কন্টাক্ট লেন্স কিনতে হবে। কন্টাক্ট লেন্স তৈরির জন্য প্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে বুশন লোম, সিভা ভিশন ও জনসন অ্যান্ড জনসন। এদের লেন্স ভালো। এ ছাড়া আরও অনেক বিদেশি ব্র্যান্ডের কন্টাক্ট লেন্স দেশে পাওয়া যায়। তাই কন্টাক্ট লেন্স কেনার আগে অবশ্যই একজন চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
প্রশ্ন: আমি চাকরিজীবী। দিনে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা কম্পিউটারে কাজ করতে হয়। মাঝে মাঝে ওভারটাইমও করতে হয়। চোখে প্রায়ই কাঁটা কাঁটা লাগে, মনে হয় ধুলাবালু কিছু একটা আটকে আছে। কিন্তু বারবার পানির ঝাপটা দিয়ে এবং আয়নায় দেখে কিছু খুঁজে পাই না। এটা কী কারণে হয়? চশমা পরি না।
দিদার ফেরদৌস, সিলেট
আপনার চোখের এই সমস্যাকে ইংরেজিতে ‘ড্রাই আই’ বা বাংলায় ‘শুষ্ক চোখ’। যাঁরা বেশি সময় কম্পিউটারে কাজ করেন বা টিভি দেখেন বা ভিডিও গেম খেলেন, তাঁদের এ সমস্যা দেখা যায়। এ ছাড়া এসি বা ফ্যানের সরাসরি বাতাস, ঘরের কম আর্দ্রতা, শুষ্ক জলবায়ু, বায়ুদূষণ ও কিছু ওষুধের কারণেও ড্রাই আই হতে পারে। ড্রাই আই থেকে রক্ষা পেতে হলে প্রচুর পানি ও পানিযুক্ত ফল, যেমন তরমুজ, শসা, টমেটো, স্ট্রবেরি ইত্যাদি খেতে হবে। কফি, অ্যালকোহল ও ক্যাফেইনযুক্ত অন্যান্য পানীয় পান কমাতে হবে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।
কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনের দিকে একনাগাড়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে না থেকে ২০ মিনিট পরপর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরত্বের বস্তুর দিকে তাকান। বাইরে বের হলে রোদচশমা পরবেন। এ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চক্ষুচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কৃত্রিম চোখের পানিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রশ্ন: সাইনোসাইটিসের কারণে কি
চোখে ব্যথা হতে পারে? আমার সাইনোসাইটিসের সমস্যা আছে। করণীয় কী?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, চাঁদপুর
মুখমণ্ডল তথা মাথার খুলির চারদিকে চার জোড়া বায়ুপূর্ণ ফাঁকা জায়গা থাকে। এসব ফাঁকা জায়গাকে বলা হয় সাইনাস। এগুলোতে সংক্রমণ হলে তখন তাকে বলা হয় সাইনোসাইটিস। চোখের চারদিকে এসব সাইনাসের অবস্থান বলে সংক্রমণ হলে চোখেও ব্যথা হতে পারে।
প্রতিকার
পরামর্শ দিয়েছেন: ডা. মো. আরমান হোসেন রনি, চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

প্রশ্ন: বাইরে গেলে চোখে সব সময় লেন্স পরি। অনেকেই বলেন, চোখে লেন্স পরা নাকি ঠিক নয়। তাতে চোখের ক্ষতি হয়। সারা দিন ঠিক কতক্ষণ লেন্স পরে থাকা স্বাস্থ্যকর? লেন্স কেনার সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখব?
অদিতি আহমেদ, ঢাকা
কন্টাক্ট লেন্স কেনার আগে কয়েকটি
বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে:
ধরন: চার ধরনের কন্টাক্ট লেন্স রয়েছে—হার্ড, সেমি সফট, সফট ও ডিসপোজিবল। হার্ড লেন্স একধরনের স্বচ্ছ প্লাস্টিক। তবে এটি সবচেয়ে ভালো দৃষ্টিশক্তি দিতে পারে। এই লেন্সের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন আসতে পারে না বলে চার ঘণ্টা পরপর খুলে ধুয়ে আবার পরতে হয়। যদিও টেকে বেশি, দামে কম এবং অনেক পরিষ্কার; তবু বেশি চলে সেমি সফট লেন্স বা আরজিপি লেন্স। এগুলো অক্সিজেন পরিবহনে সক্ষম। সফট লেন্সও মূলত প্লাস্টিকজাতীয় পদার্থ। কিন্তু এর জলীয় অংশের পরিমাণ বেশি হয় বলে বেশ নরম। তাই বেশ আরামদায়ক।
আকৃতি: লেন্সের মাপজোখ অত্যন্ত
সূক্ষ্ম হতে হয়। নইলে সেট করা বেশ কষ্টসাধ্য। এ জন্য সঠিক আকৃতির লেন্স কিনতে হয়।
মেয়াদ: লেন্স কেনার আগে অবশ্যই এটি যে সল্যুশনে ডুবিয়ে রাখতে হয়, সেটির মেয়াদ আছে কি না, তা দেখতে হবে।
মান: ভালো মান দেখে কন্টাক্ট লেন্স কিনতে হবে। কন্টাক্ট লেন্স তৈরির জন্য প্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে বুশন লোম, সিভা ভিশন ও জনসন অ্যান্ড জনসন। এদের লেন্স ভালো। এ ছাড়া আরও অনেক বিদেশি ব্র্যান্ডের কন্টাক্ট লেন্স দেশে পাওয়া যায়। তাই কন্টাক্ট লেন্স কেনার আগে অবশ্যই একজন চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
প্রশ্ন: আমি চাকরিজীবী। দিনে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা কম্পিউটারে কাজ করতে হয়। মাঝে মাঝে ওভারটাইমও করতে হয়। চোখে প্রায়ই কাঁটা কাঁটা লাগে, মনে হয় ধুলাবালু কিছু একটা আটকে আছে। কিন্তু বারবার পানির ঝাপটা দিয়ে এবং আয়নায় দেখে কিছু খুঁজে পাই না। এটা কী কারণে হয়? চশমা পরি না।
দিদার ফেরদৌস, সিলেট
আপনার চোখের এই সমস্যাকে ইংরেজিতে ‘ড্রাই আই’ বা বাংলায় ‘শুষ্ক চোখ’। যাঁরা বেশি সময় কম্পিউটারে কাজ করেন বা টিভি দেখেন বা ভিডিও গেম খেলেন, তাঁদের এ সমস্যা দেখা যায়। এ ছাড়া এসি বা ফ্যানের সরাসরি বাতাস, ঘরের কম আর্দ্রতা, শুষ্ক জলবায়ু, বায়ুদূষণ ও কিছু ওষুধের কারণেও ড্রাই আই হতে পারে। ড্রাই আই থেকে রক্ষা পেতে হলে প্রচুর পানি ও পানিযুক্ত ফল, যেমন তরমুজ, শসা, টমেটো, স্ট্রবেরি ইত্যাদি খেতে হবে। কফি, অ্যালকোহল ও ক্যাফেইনযুক্ত অন্যান্য পানীয় পান কমাতে হবে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।
কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনের দিকে একনাগাড়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে না থেকে ২০ মিনিট পরপর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরত্বের বস্তুর দিকে তাকান। বাইরে বের হলে রোদচশমা পরবেন। এ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চক্ষুচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কৃত্রিম চোখের পানিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রশ্ন: সাইনোসাইটিসের কারণে কি
চোখে ব্যথা হতে পারে? আমার সাইনোসাইটিসের সমস্যা আছে। করণীয় কী?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, চাঁদপুর
মুখমণ্ডল তথা মাথার খুলির চারদিকে চার জোড়া বায়ুপূর্ণ ফাঁকা জায়গা থাকে। এসব ফাঁকা জায়গাকে বলা হয় সাইনাস। এগুলোতে সংক্রমণ হলে তখন তাকে বলা হয় সাইনোসাইটিস। চোখের চারদিকে এসব সাইনাসের অবস্থান বলে সংক্রমণ হলে চোখেও ব্যথা হতে পারে।
প্রতিকার
পরামর্শ দিয়েছেন: ডা. মো. আরমান হোসেন রনি, চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

জীবনে রঙের অস্তিত্ব না থাকলে কেমন হতো? নির্জীব, একঘেয়ে কেমন যেন নিরানন্দ কিংবা নেই কোনো উৎসাহ-উদ্দীপনা। রঙিন কিছু দেখলেই আমাদের মন যেন উৎফুল্ল হয়ে ওঠে, খাবারের বেলায়ও এটি একই রকম সত্য।
৬ দিন আগে
ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া যেমন কঠিন, সেই সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিন অটল থাকা অনেকের ক্ষেত্রে আরও কঠিন। সঠিক অনুপ্রেরণা না থাকলে ওজন কমানো শুরু করাই কঠিন হয়ে পড়ে। আর শুরু করলেও মাঝপথে থেমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে কিছু বাস্তবসম্মত কৌশল অনুসরণ করলে ওজন কমানোর লক্ষ্য অর্জন সহজ হতে পারে।
৭ দিন আগে
থাইরয়েড হরমোন আমাদের গলার সামনে থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একধরনের হরমোন কিংবা প্রাণরস। এটি গলার সামনে থেকে নিঃসৃত হলেও সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো শরীরে কাজ করে।
৭ দিন আগে
সুষম খাবারের ৬টি উপাদানের অন্যতম ভিটামিন ও খনিজ লবণ। এগুলো আমাদের শরীরের চালিকাশক্তির অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচিত। শরীরের একেকটি অঙ্গের সুরক্ষায় একেক ধরনের ভিটামিন প্রয়োজন হয়। যেমন চুল ও চোখের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’, ত্বকের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’, হাড় ও দাঁতের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘ডি’ প্রয়োজন হয়।
৭ দিন আগে