
ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামে গত এপ্রিলের শেষদিকে। এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অনেককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের ঘটনাও ঘটে। তবুও দেশজুড়ে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশটির নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে।
ছবিটিতে হলিউডের অস্কারজয়ী নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলানকে এক তরুণীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। সমাবর্তনের গাউনের সঙ্গে ওই তরুণী ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক বিশেষ রুমাল বা কেফিয়াহ পরেছেন।
ছবিটির ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, ক্রিস্টোফার নোলান নিউইয়র্কে তাঁর মেয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। নোলানের পাশে থাকা তরুণীটি তাঁর মেয়ে। গত রোববার (১৯ মে) এই তথ্যগুলো উল্লেখ করে ‘Md Nasrul Sk’ নামের একটি পেজ থেকে ছবিটি পোস্ট করা হয়। পোস্টটিতে আজ শুক্রবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার রিয়েকশন পড়েছে, শেয়ার হয়েছে ৯০০–এর বেশি।
ছবিটির সত্যতা যাচাইয়ে রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে এক্সে (সাবেক টুইটার) গত শনিবার (১৮ মে) ‘Dani’ নামের অ্যাকাউন্টে ছবিটি খুঁজে পাওয়া যায়। ছবিটির ক্যাপশনে ইংরেজিতে লেখা হয়, ‘Congrats to me and Christopher Nolan’s daughter for graduating nyu today, lol’, বাংলায় বললে দাঁড়ায়— নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি এবং ক্রিস্টোফার নোলানের মেয়ে স্নাতক হওয়ায় আমাদের অভিবাদন জানাও।’
একই অ্যাকাউন্ট থেকে গত রোববার (১৯ মে) আরেকটি টুইট করে জানানো হয়, ‘আমি ক্রিস্টোফার নোলানের মেয়ে নই। আমি ও ফ্লোরা (নোলানের মেয়ে) একসঙ্গে স্কুলে যেতাম এবং তাঁর ছেলেবন্ধু ও আমি একই বর্ষের শিক্ষার্থী।’
টুইট দুটির তথ্য অনুযায়ী, কেফিয়াহ পরা তরুণীটি নোলানের মেয়ে নন। বরং তিনি ‘Dani’ নামে অ্যাকাউন্টধারী তরুণীটি হয়ে থাকতে পারেন। দাবিটি নিয়ে আরও নিশ্চিত হতে নোলানের মেয়ে সম্পর্কে খুঁজে দেখে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ।
সংস্কৃতি, ফ্যাশন ও সমসাময়িক বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের মাসিক ম্যাগাজিন ভ্যানিটি ফেয়ার সূত্রে ইয়াহু নিউজ জানায়, ক্রিস্টোফার নোলান ও তাঁর স্ত্রী চলচ্চিত্র প্রযোজক এমা টমাসের এক মেয়ে ও তিন ছেলে। তাঁদের মেয়ের নাম ফ্লোরা। ইয়াহু নিউজের প্রতিবেদনটিতে এই দম্পতির পুরো পরিবারের ছবি পাওয়া যায়। এখানে ফ্লোরার ছবির সঙ্গে কেফিয়াহ পরিহিত তরুণীটির চেহারার মিল নেই।
এ তথ্যের ভিত্তিতে এটি স্পষ্ট যে, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে ক্রিস্টোফার নোলানের পাশে কেফিয়াহ পরিহিত তরুণীটি তাঁর মেয়ে ফ্লোরা নন।

গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের হামলার ভয়ে ইসরায়েলের জেরুজালেমে ‘গডকে লেখা চিঠি’ বা প্রার্থনার নোট সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছোট ভাই নিহত হয়েছেন। এমনকি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গভির নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
ইরানের হামলা থেকে বাঁচতে মার্কিন পুলিশ ভয়ে আজান দিতে শুরু করেছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে এমন দাবি নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
৪ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ইরানে পাহাড়ের গুহায় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা রয়েছে। সেখানে পুরোদমে অস্ত্র তৈরির কাজ চলছে।
৪ দিন আগে