ফ্যাক্টচেক ডেস্ক

সফল মানুষেরা সবসময় সাধারণ মানুষদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকেন। তাঁদের নিয়ে নানা মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে সত্য অসত্য গল্প। তেমনই একজন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। বিল গেটসকে নিয়ে বহু বছর ধরে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনা হলো, বিল গেটস একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গেছেন। খাওয়ার পর বিল গেটস ওয়েটারকে মাত্র ৫ ডলার বকশিশ দেন। বকশিশ পেয়ে ওয়েটার বিল গেটসের দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলেন।
ওয়েটারের কাণ্ড দেখে বিল গেটস জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী হয়েছে? আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?’ ওয়েটার বলেন, ‘স্যার, গতকাল আপনার ছেলে এখানে নাশতা করার পর আমাকে ১০০ ডলার বকশিশ দিয়েছেন। আর আপনি তার বাবা এবং এত বড় ধনী হয়ে আমাকে মাত্র ৫ ডলার দিলেন!’ বিল গেটস হেসে ওয়েটারকে বললেন, ‘সে হচ্ছে বিশ্বের একনম্বর ধনীর ছেলে, আর আমি একজন কাঠুরিয়ার ছেলে।’
এই ঘটনার সঙ্গে শিক্ষনীয় একটি লাইনও জুড়ে দেওয়া হয়— কখনো আপনার অতীতকে ভুলে যাবেন না। অতীত হচ্ছে একজন মানুষের সবচেয়ে ভালো শিক্ষক।
বিল গেটসে নিয়ে এই গল্পটি প্রথমে বিভিন্ন ইংরেজি ওয়েবসাইটে ছড়িয়েছে। সেসব গল্পে বিল গেটসের ছেলের বকশিশের পরিমাণ ৫০০ ডলার উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে গল্পটি নানাভাবে বিবর্তিত ও অনূদিত হয়েছে। বাংলা ভাষায় এসে গল্পে টাকার অঙ্কটি ১০০–তে নেমেছে!
বিল গেটস কি কাঠুরিয়ার ছেলে ছিলেন?
বিল গেটসের বাবার পেশাগত পরিচয় অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি বিল গেটসের বাবার মৃত্যু সংবাদ। বিল গেটসের বাবা বিল গেটস সিনিয়র ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ৯৪ বছর বয়সে মারা যান। প্রতিবেদনে বিল গেটস সিনিয়রের পরিচয় সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি পেশায় আইনজীবী ছিলেন।
বিল গেটস বাবার মৃত্যুতে একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিজের ব্লগ সাইট গেটস নোট–এ ‘রিমেম্বারিং মাই ফাদার’ শিরোনামে একটি ব্লগ লেখেন। ওই ব্লগে বিল গেটস লেখেন, ‘আমার বাবা ছিলেন ওয়াশিংটনের কঠোর পরিশ্রমী এবং খুব সম্মানিত একজন আইনজীবী। তাঁর আসল নাম উইলিয়াম হেনরি গেটস দ্বিতীয়। তিনি আমাদের অঞ্চলের নাগরিক সমাজের অন্যতম নেতা ছিলেন।’
একই ব্লগে পরের দিন বিল গেটস বাবার স্মরণে একটি শোকবার্তা দেন। শোকবার্তায় বিল গেটস বাবার জন্ম থেকে শুরু করে শিক্ষাজীবন ও পেশাজীবনের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন।
বাবা সম্পর্কে বিল গেটস লেখেন, তাঁর বাবা বিল গেটস সিনিয়রের জন্ম ১৯২৫ সালের ৩০ নভেম্বর। তিনি বেড়ে উঠেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের ব্রেমারটনের নেভি টাউনে। বিল গেটস সিনিয়রের বাবার আসবাবপত্রের একটি দোকান ছিল। তাঁরা কেউ কখনো উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে যাননি। বিল গেটস সিনিয়র ব্রেমারটন হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছেন এবং বয় স্কাউটসে সক্রিয় ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনভার্সিটি অব ওয়াশিংটনে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন।
বাবার পেশা সম্পর্কে বিল গেটস লেখেন, ব্রেমারটনের সিটি অ্যাটর্নি হিসেবে খণ্ডকালীন কাজ এবং প্রাইভেট প্র্যাকটিসের মাধ্যমে বিল গেটস সিনিয়র কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি সিয়াটলের একটি আইন সংস্থায় যোগ দেন এবং কর্মজীবন শুরুর ১২ বছর পর দুজন অংশীদারের সঙ্গে একটি আইন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান খোলেন। সেখানে ৪৮ বছর অনুশীলনের পর ১৯৯৮ সালে গেটস সেই প্রতিষ্ঠান থেকে অবসর নেন, যা তখন ‘প্রেস্টন গেটস অ্যান্ড এলিস’ নামে পরিচিত ছিল।
এ ছাড়া ইউনভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ওয়েবসাইটে বিল গেটস সিনিয়রের মৃত্যুর পর তাঁর স্মরণে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে কোথাও ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত দাবিটির পক্ষে অর্থাৎ বিল গেটস সিনিয়র কাঠুরিয়া ছিলেন, এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। বরং নিশ্চিত হওয়া যায়, বিল গেটস সিনিয়র পেশায় আইনজীবী ছিলেন।
রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির সত্যতা আছে কি?
রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির একটি অংশ অর্থাৎ বিল গেটসের বাবা কাঠুরিয়া ছিলেন— এই তথ্য যে ভিত্তিহীন তা ওপরের আলোচনাতেই স্পষ্ট।
রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির সত্যতা যাচাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান স্নোপস ২০১২ সালের ২২ জুলাই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই সময়েই প্রতিবেদনটিতে স্নোপস জানায়, বিল গেটসের ছেলের রেস্টুরেন্টের ওয়েটারকে ৫০০ ডলার বকশিশ দেওয়ার গল্পটি প্রথম প্রচারিত হয় ২০১১ সালে। বিল গেটসের ছেলে ররি জন গেটসের জন্ম ১৯৯৯ সালে। সে হিসাবে তখন তার বয়স মাত্র ১২ বছর। এই বয়সী এক বালকের একা রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়া এবং ৫০০ ডলার বকশিশ দেওয়াটা অস্বাভাবিক ঘটনা। গল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ, বিল গেটসের বাবা কাঠুরিয়া ছিলেন সেটিরই সত্যতা নেই।
প্রতিবেদনটিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির মতোই আরও একটি ঘটনা খুঁজে পাওয়া যায় আরেক মার্কিন ধনকুবের জন ডি রকেফেলারের নামে। ওই গল্পে দাবি করা হয়, রকেফেলার নিউইয়র্কের একটি হোটেলে যান এবং হোটেলের কর্মচারীকে বাথসহ একটি কক্ষ দিতে বলেন। ওই সময় হোটেল কর্মচারী অবাক হয়ে বলেন, আপনার ছেলেরা এই হোটেলে বিলাসবহুল কক্ষ নেয়। জবাবে হোটেল কর্মচারীকে রকেফেলার বলেন, ‘তাদের তো ধনী বাবা আছে, আমার নেই!’
স্নোপস জানায়, রেস্টুরেন্টে বিল গেটসের বকশিশ সম্পর্কিত ঘটনাটির সত্যতা নেই। এটি কেবল একটি উপদেশমূলক কল্পগল্প।

সফল মানুষেরা সবসময় সাধারণ মানুষদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকেন। তাঁদের নিয়ে নানা মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে সত্য অসত্য গল্প। তেমনই একজন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। বিল গেটসকে নিয়ে বহু বছর ধরে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনা হলো, বিল গেটস একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গেছেন। খাওয়ার পর বিল গেটস ওয়েটারকে মাত্র ৫ ডলার বকশিশ দেন। বকশিশ পেয়ে ওয়েটার বিল গেটসের দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলেন।
ওয়েটারের কাণ্ড দেখে বিল গেটস জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী হয়েছে? আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?’ ওয়েটার বলেন, ‘স্যার, গতকাল আপনার ছেলে এখানে নাশতা করার পর আমাকে ১০০ ডলার বকশিশ দিয়েছেন। আর আপনি তার বাবা এবং এত বড় ধনী হয়ে আমাকে মাত্র ৫ ডলার দিলেন!’ বিল গেটস হেসে ওয়েটারকে বললেন, ‘সে হচ্ছে বিশ্বের একনম্বর ধনীর ছেলে, আর আমি একজন কাঠুরিয়ার ছেলে।’
এই ঘটনার সঙ্গে শিক্ষনীয় একটি লাইনও জুড়ে দেওয়া হয়— কখনো আপনার অতীতকে ভুলে যাবেন না। অতীত হচ্ছে একজন মানুষের সবচেয়ে ভালো শিক্ষক।
বিল গেটসে নিয়ে এই গল্পটি প্রথমে বিভিন্ন ইংরেজি ওয়েবসাইটে ছড়িয়েছে। সেসব গল্পে বিল গেটসের ছেলের বকশিশের পরিমাণ ৫০০ ডলার উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে গল্পটি নানাভাবে বিবর্তিত ও অনূদিত হয়েছে। বাংলা ভাষায় এসে গল্পে টাকার অঙ্কটি ১০০–তে নেমেছে!
বিল গেটস কি কাঠুরিয়ার ছেলে ছিলেন?
বিল গেটসের বাবার পেশাগত পরিচয় অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি বিল গেটসের বাবার মৃত্যু সংবাদ। বিল গেটসের বাবা বিল গেটস সিনিয়র ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ৯৪ বছর বয়সে মারা যান। প্রতিবেদনে বিল গেটস সিনিয়রের পরিচয় সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি পেশায় আইনজীবী ছিলেন।
বিল গেটস বাবার মৃত্যুতে একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিজের ব্লগ সাইট গেটস নোট–এ ‘রিমেম্বারিং মাই ফাদার’ শিরোনামে একটি ব্লগ লেখেন। ওই ব্লগে বিল গেটস লেখেন, ‘আমার বাবা ছিলেন ওয়াশিংটনের কঠোর পরিশ্রমী এবং খুব সম্মানিত একজন আইনজীবী। তাঁর আসল নাম উইলিয়াম হেনরি গেটস দ্বিতীয়। তিনি আমাদের অঞ্চলের নাগরিক সমাজের অন্যতম নেতা ছিলেন।’
একই ব্লগে পরের দিন বিল গেটস বাবার স্মরণে একটি শোকবার্তা দেন। শোকবার্তায় বিল গেটস বাবার জন্ম থেকে শুরু করে শিক্ষাজীবন ও পেশাজীবনের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন।
বাবা সম্পর্কে বিল গেটস লেখেন, তাঁর বাবা বিল গেটস সিনিয়রের জন্ম ১৯২৫ সালের ৩০ নভেম্বর। তিনি বেড়ে উঠেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের ব্রেমারটনের নেভি টাউনে। বিল গেটস সিনিয়রের বাবার আসবাবপত্রের একটি দোকান ছিল। তাঁরা কেউ কখনো উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে যাননি। বিল গেটস সিনিয়র ব্রেমারটন হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছেন এবং বয় স্কাউটসে সক্রিয় ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনভার্সিটি অব ওয়াশিংটনে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন।
বাবার পেশা সম্পর্কে বিল গেটস লেখেন, ব্রেমারটনের সিটি অ্যাটর্নি হিসেবে খণ্ডকালীন কাজ এবং প্রাইভেট প্র্যাকটিসের মাধ্যমে বিল গেটস সিনিয়র কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি সিয়াটলের একটি আইন সংস্থায় যোগ দেন এবং কর্মজীবন শুরুর ১২ বছর পর দুজন অংশীদারের সঙ্গে একটি আইন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান খোলেন। সেখানে ৪৮ বছর অনুশীলনের পর ১৯৯৮ সালে গেটস সেই প্রতিষ্ঠান থেকে অবসর নেন, যা তখন ‘প্রেস্টন গেটস অ্যান্ড এলিস’ নামে পরিচিত ছিল।
এ ছাড়া ইউনভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ওয়েবসাইটে বিল গেটস সিনিয়রের মৃত্যুর পর তাঁর স্মরণে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে কোথাও ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত দাবিটির পক্ষে অর্থাৎ বিল গেটস সিনিয়র কাঠুরিয়া ছিলেন, এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। বরং নিশ্চিত হওয়া যায়, বিল গেটস সিনিয়র পেশায় আইনজীবী ছিলেন।
রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির সত্যতা আছে কি?
রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির একটি অংশ অর্থাৎ বিল গেটসের বাবা কাঠুরিয়া ছিলেন— এই তথ্য যে ভিত্তিহীন তা ওপরের আলোচনাতেই স্পষ্ট।
রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির সত্যতা যাচাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান স্নোপস ২০১২ সালের ২২ জুলাই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই সময়েই প্রতিবেদনটিতে স্নোপস জানায়, বিল গেটসের ছেলের রেস্টুরেন্টের ওয়েটারকে ৫০০ ডলার বকশিশ দেওয়ার গল্পটি প্রথম প্রচারিত হয় ২০১১ সালে। বিল গেটসের ছেলে ররি জন গেটসের জন্ম ১৯৯৯ সালে। সে হিসাবে তখন তার বয়স মাত্র ১২ বছর। এই বয়সী এক বালকের একা রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়া এবং ৫০০ ডলার বকশিশ দেওয়াটা অস্বাভাবিক ঘটনা। গল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ, বিল গেটসের বাবা কাঠুরিয়া ছিলেন সেটিরই সত্যতা নেই।
প্রতিবেদনটিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির মতোই আরও একটি ঘটনা খুঁজে পাওয়া যায় আরেক মার্কিন ধনকুবের জন ডি রকেফেলারের নামে। ওই গল্পে দাবি করা হয়, রকেফেলার নিউইয়র্কের একটি হোটেলে যান এবং হোটেলের কর্মচারীকে বাথসহ একটি কক্ষ দিতে বলেন। ওই সময় হোটেল কর্মচারী অবাক হয়ে বলেন, আপনার ছেলেরা এই হোটেলে বিলাসবহুল কক্ষ নেয়। জবাবে হোটেল কর্মচারীকে রকেফেলার বলেন, ‘তাদের তো ধনী বাবা আছে, আমার নেই!’
স্নোপস জানায়, রেস্টুরেন্টে বিল গেটসের বকশিশ সম্পর্কিত ঘটনাটির সত্যতা নেই। এটি কেবল একটি উপদেশমূলক কল্পগল্প।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫