
ছেলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া—এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
‘আজাদ খান’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভিডিওটি শেয়ার করা হয়, যা আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি বার দেখা হয়েছে। এতে ২ হাজার ৩০০টি রিঅ্যাকশন ও ২১৫ বার শেয়ার রয়েছে।
তবে আলোচিত দাবিতে সম্ভাব্য প্রথম পোস্টটি করা হয় ‘Masum mirdha’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে। চলতি বছরের গত ২৬ জুলাই শেয়ার করা পোস্টটি কয়েক লাখের বেশি দেখা হয়েছে এবং পোস্টটিতে প্রায় ২২ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন রয়েছে।
পোস্টগুলোর কমেন্ট পর্যালোচনা করে নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও বিভ্রান্তি লক্ষ করা যায়। কমেন্টে একজন লেখেন, ‘একজন সন্তানকে মায়ের চেয়ে কেউ কি বেশি চিনতে পারে?’ অপর একজন বলেন, ‘তাই তো বলি, তারেক রহমান যেখানেই যায়, বউ কেন নিয়ে চলে?’ আরেকজন প্রশ্ন তোলেন, ‘এগুলো কবে বললেন? নাকি এআই দিয়ে বানিয়েছেন?’
প্রচারিত ২৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়াকে বলতে শোনা যায়, ‘ঢাকায় আন্দোলন সেভাবে করা সম্ভব হয়নি। এখানে আবার পরিবারের মধ্যে গন্ডগোল হচ্ছে। তারেক রহমানকে তো আপনারা ভালো করেই চেনেন। বউয়ের সঙ্গেও গন্ডগোল। বউও চায় ক্ষমতা, সে-ও চায় ক্ষমতা।’ ভিডিওটিতে একই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়।
অনুসন্ধানে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’-এর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে ২০১৫ সালের ৪ নভেম্বর আপলোড করা ‘১লা নভেম্বর ২০১৫, লন্ডনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাষণ’ শিরোনামের দুটি ভিডিওর সন্ধান পাওয়া যায়।
ওই ভিডিও দুটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আলোচিত ভিডিওটি মূলত ২০১৫ সালে লন্ডনে দেওয়া খালেদা জিয়ার একটি বক্তব্যের ভিন্ন ভিন্ন অংশ জোড়া দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

২০১৫ সালের ১ নভেম্বর ওই ভাষণে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রসঙ্গে বক্তব্যের ২৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এই এরশাদ কিন্তু প্রথমে (দশম সংসদ নির্বাচনে) অংশগ্রহণ করে নাই। এরশাদ কিন্তু রংপুর থেকে উইথড্র করেছে তার সিট। ঢাকা থেকে করতে চেয়েছে, জোর করে তাকে করতে দেওয়া হয়নি। তাকে সিএমএইচে... এরশাদ কিন্তু অংশগ্রহণ করতে চায়নি। এখানে আবার পরিবারের মধ্যে গন্ডগোল আছে। তাকে তো আপনারা ভালো করে চিনেন। বউয়ের সঙ্গেও গন্ডগোল। বউও চায় ক্ষমতা, সে-ও চায় ক্ষমতা। এরশাদকে যখন পারছে না, তাঁকে নিয়ে সিএমএইচে ভর্তি করে।’ বক্তব্যের এই অংশে ‘এরশাদ’-এর স্থলে ‘তারেক রহমান’-এর নাম উচ্চারিত অংশ জুড়ে দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।

আবার একই বক্তব্যের অন্য একটি অংশের ৪ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডে আন্দোলনের প্রসঙ্গে খালেদা জিয়াকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা যতই বলেন আন্দোলন, আন্দোলন ঢাকায় সেভাবে করা সম্ভব হয়নি।’
তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার নেতিবাচক মন্তব্যের ভিডিওটি সম্পাদিত। ২০১৫ সালে লন্ডনে একটি অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের দুটি ভিন্ন অংশ জোড়া দিয়ে এই ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। বক্তব্যটি ছিল মূলত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রসঙ্গে।

নাটোরে আওয়ামী লীগের দুই নেত্রীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টটি শেয়ার করে একজন লিখেছেন, ‘পাকিস্তানপন্থী হলে বলবে ভারতের, আর ভারতপন্থী হলে বলবে পাকিস্তানের—এটাই হচ্ছে বাঙালির আসল চরিত্র।
১১ মিনিট আগে
‘সংবিধানের ৬৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের সংসদ সদস্য পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে ঢাকা-০৮ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে।
২ দিন আগে
নেপালে দুর্যোগের তিন দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
২ দিন আগে
‘ফরিদপুরে নেশার টাকা না দেওয়ায় মাকে কুপিয়ে হত্যা করল ছেলে’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ‘DTV’ নামের একটি ফেসবুক পেজে শেয়ার করা ভিডিওটি ইতিমধ্যে এক লাখের বেশি বার দেখা হয়েছে। পোস্টটিতে হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন ও কমেন্ট রয়েছে।
৩ দিন আগে