
বাংলাদেশের এক শিশুর কোলে গন্ধগোকুল জাতীয় একটি প্রাণী এবং পেছনে একটি শজারু হাঁটছে—এমন একটি দাবি ভিডিওসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বন্য প্রাণী ও মানবশিশুর বিরল এই বন্ধুত্বের দৃশ্য নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এমনকি ভারতীয় গণমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকেও গতকাল (২৭ জুন) আলোচিত দাবিতে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়। ভিডিওটি আজ (২৮ জুন) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ১৮ লাখের বেশি বার দেখা হয়েছে। এ ছাড়া ভিডিওটিতে ৮৩ হাজার রিয়েকশন, ৯২০টি কমেন্ট ও ৩ হাজার ৯০০ বার শেয়ার করা হয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া এসব পোস্টের কমেন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বেশির ভাগ ব্যবহারকারী ভিডিওর দৃশ্যটিকে বাংলাদেশের মনে করে কমেন্ট করেছেন।
টেলিগ্রাফের ফেসবুক পেজে শেয়ার করা ভিডিওর পোস্টে একজন কমেন্ট করেছেন, ‘বাংলাদেশের ডিজনি রাজকুমারী।’ অপর একজন বলেন, ‘জাঙ্গল বুক গল্পে, মুগলি স্কার্ট পরেছে।’ আরেকজন আবার উপহাস করে বলেন, ‘সেরা সেরা বন্য কাহিনি নিয়ে আসছে বাংলাদেশ—প্রথমে ডোনাল্ড ট্রাম্প মহিষ আর এখন পোষা শজারু!’
অনুসন্ধানে ১১ জুন ‘Prabath Silva’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পাওয়া যায়। সিংহলি ভাষায় ‘අක්කා එක්ක කුබුරු යන ඉත්තෑ මල්ලි’ (বড় বোনের সঙ্গে ধানখেতে যাচ্ছে ছোট ভাই শজারু) ক্যাপশনে শেয়ার করা ওই ভিডিওর সঙ্গে সম্প্রতি ভাইরাল ভিডিওর মিল রয়েছে।

Prabath Silva নামের ওই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সেখানে ওই একই শিশুর সঙ্গে বন্য প্রাণীগুলোর আরও কিছু (১ , ২ , ৩ ) ভিডিও রয়েছে। অ্যাকাউন্টের ভিডিওগুলোতে শিশুটিকে বাংলায় নয়, বরং সিংহলি ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়।
এ ছাড়া ‘Prabath Silva’ নামের অ্যাকাউন্টটির বায়োতে লোকেশন হিসেবে ‘Polonnaruwa’ (পোলোননারুয়া) উল্লেখ রয়েছে। পোলোননারুয়া শ্রীলঙ্কার অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রাচীন শহর, শহরটি দেশটির উত্তর-মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত। ১১ থেকে ১৩ শতাব্দীতে এটি শ্রীলঙ্কার রাজধানী ছিল এবং শহরটি এর প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত।

ভিডিওটিতে থাকা শিশু এবং প্রাণীগুলো কোনোভাবেই বাংলাদেশের নয়। শ্রীলঙ্কার পোলোননারুয়া শহরের এক সিংহলি শিশুর বন্য প্রাণী ও শজারুর সঙ্গে চমৎকার সখ্যের ভিডিওকে কোনো তথ্যসূত্র ছাড়াই বাংলাদেশের ঘটনা দাবি করে ছড়ানো হচ্ছে।

ঢাকার তুরাগ নদী থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একাধিক নেতা-কর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে—এমন একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভিডিওসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভাইরাল হওয়ার জন্য সব সময় খোলামেলা পোশাক পরা বা অশালীন আচরণ করার দরকার হয় না। কখনো কখনো সরলতা, স্বাভাবিক সৌন্দর্য আর একটি সুন্দর হাসিই কাউকে সবার নজরে এনে দিতে পারে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। মুহূর্তেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যান্য প্ল্যাটফর্মেও...
৮ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স এবং ফেসবুকে দুটি পৃথক ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে বর্তমানে মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। এর মধ্যে একটি দাবিতে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার করে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ এখন মৃত্যুর উপত্যকা এবং গত দুই বছরে এখানে ফিলিস্তিনের...
১ দিন আগে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে-এর ভিন্ন ভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর পরিকল্পিত নির্যাতন ও সাম্প্রদায়িক হামলার দাবিতে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
২ দিন আগে