সম্পাদকীয়

বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আজকের পত্রিকায় ২ জুলাই সংবাদ ছাপা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের সোনাইডাঙ্গা গ্রামে। সংবাদের তথ্য বিস্তারিত বলার আগে একটা বিষয় আলোচনা করে নেওয়া জরুরি।
একটা সময় গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছে শোনা যেত পারিবারিক বন্ধনের কথা। এমনকি শুধু পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই নয়, পাড়া-প্রতিবেশীরাও একে অপরের বিপদে-আপদে পরস্পরের পাশে দাঁড়াত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে; সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে সাহায্য-সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে কুণ্ঠাবোধ করত না।
আমাদের সমাজে এভাবে যৌথ পরিবারে এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা একসঙ্গে মিলেমিশে বাস করার সংস্কৃতি ছিল। কিন্তু এখন সময়ের পরিবর্তন হয়েছে। যৌথ পরিবারে ভাঙন ধরেছে। সামষ্টিক সমাজবোধের জায়গা দখল করেছে ব্যক্তিগত স্বার্থচিন্তা। সবাই এখন নিজের লাভ-ক্ষতির হিসাব কষতেই ব্যস্ত।
কেন এ রকম অবস্থা দাঁড়াল? পাড়া-প্রতিবেশী তো দূরের কথা, ভাইয়ে-ভাইয়েও এখন হৃদ্যতা সেভাবে দেখা যায় না। হৃদ্যতা ও সহানুভূতির পরিবর্তে বিদ্বেষ ও প্রতিহিংসাপরায়ণতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ছোট ভাইয়ের প্রতি বড় ভাইয়ের মমত্ব দেখা যায় না, বড় ভাইকে ছোট ভাই শ্রদ্ধা করে না। লোভ-লালসা-হিংসার কারণে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহের বদলে বিবাদ, মনোমালিন্য হয়ে উঠছে স্বাভাবিক বিষয়।
নিকট অতীতে দেখা যেত, আমাদের দেশে বড় বড় অনেক পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা গ্রামের মাতবরেরা মিটিয়ে ফেলতেন। থানা, পুলিশ ও আদালত পর্যন্ত যেতে হতো না। এখন মাতবরদের মান্য করতে দেখা যায় না। অবশ্য কিছু ক্ষেত্রে মাতবরদের প্রতি পক্ষপাতিত্বের কথাও শোনা যায়। হয়তোবা সে কারণে তাঁদের প্রতি আস্থা কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক বিষয়। এসব কারণে আইন-আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে।
সোনাইডাঙ্গা গ্রামের ফয়জাল রহমানের বড় ছেলে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই ইউনুসের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে ১ জুলাই সকালে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই রফিকুল ইসলাম তাঁর দুই ছেলেসহ বেশ কয়েকজন ইউনুসকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যান। গুরুতর আহত ইউনুসকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
যার যতটুকু প্রাপ্য তা বুঝিয়ে দেওয়া এবং অন্যেরটা জোর করে কেড়ে নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে পারলে এ রকম মারামারি ও হানাহানির পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তাই পারিবারিক বিরোধ-কলহ বড় সমস্যা হয়ে ওঠার আগেই তার মীমাংসার উপযুক্ত উপায় হলো—শিথিল হয়ে পড়া পারিবারিক বন্ধনকে আবার দৃঢ় করে তোলা।
তাই বলে অভিযুক্ত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যাপারটি ভুলে গেলে চলবে না।

বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আজকের পত্রিকায় ২ জুলাই সংবাদ ছাপা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের সোনাইডাঙ্গা গ্রামে। সংবাদের তথ্য বিস্তারিত বলার আগে একটা বিষয় আলোচনা করে নেওয়া জরুরি।
একটা সময় গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছে শোনা যেত পারিবারিক বন্ধনের কথা। এমনকি শুধু পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই নয়, পাড়া-প্রতিবেশীরাও একে অপরের বিপদে-আপদে পরস্পরের পাশে দাঁড়াত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে; সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে সাহায্য-সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে কুণ্ঠাবোধ করত না।
আমাদের সমাজে এভাবে যৌথ পরিবারে এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা একসঙ্গে মিলেমিশে বাস করার সংস্কৃতি ছিল। কিন্তু এখন সময়ের পরিবর্তন হয়েছে। যৌথ পরিবারে ভাঙন ধরেছে। সামষ্টিক সমাজবোধের জায়গা দখল করেছে ব্যক্তিগত স্বার্থচিন্তা। সবাই এখন নিজের লাভ-ক্ষতির হিসাব কষতেই ব্যস্ত।
কেন এ রকম অবস্থা দাঁড়াল? পাড়া-প্রতিবেশী তো দূরের কথা, ভাইয়ে-ভাইয়েও এখন হৃদ্যতা সেভাবে দেখা যায় না। হৃদ্যতা ও সহানুভূতির পরিবর্তে বিদ্বেষ ও প্রতিহিংসাপরায়ণতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ছোট ভাইয়ের প্রতি বড় ভাইয়ের মমত্ব দেখা যায় না, বড় ভাইকে ছোট ভাই শ্রদ্ধা করে না। লোভ-লালসা-হিংসার কারণে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহের বদলে বিবাদ, মনোমালিন্য হয়ে উঠছে স্বাভাবিক বিষয়।
নিকট অতীতে দেখা যেত, আমাদের দেশে বড় বড় অনেক পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা গ্রামের মাতবরেরা মিটিয়ে ফেলতেন। থানা, পুলিশ ও আদালত পর্যন্ত যেতে হতো না। এখন মাতবরদের মান্য করতে দেখা যায় না। অবশ্য কিছু ক্ষেত্রে মাতবরদের প্রতি পক্ষপাতিত্বের কথাও শোনা যায়। হয়তোবা সে কারণে তাঁদের প্রতি আস্থা কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক বিষয়। এসব কারণে আইন-আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে।
সোনাইডাঙ্গা গ্রামের ফয়জাল রহমানের বড় ছেলে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই ইউনুসের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে ১ জুলাই সকালে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই রফিকুল ইসলাম তাঁর দুই ছেলেসহ বেশ কয়েকজন ইউনুসকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যান। গুরুতর আহত ইউনুসকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
যার যতটুকু প্রাপ্য তা বুঝিয়ে দেওয়া এবং অন্যেরটা জোর করে কেড়ে নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে পারলে এ রকম মারামারি ও হানাহানির পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তাই পারিবারিক বিরোধ-কলহ বড় সমস্যা হয়ে ওঠার আগেই তার মীমাংসার উপযুক্ত উপায় হলো—শিথিল হয়ে পড়া পারিবারিক বন্ধনকে আবার দৃঢ় করে তোলা।
তাই বলে অভিযুক্ত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যাপারটি ভুলে গেলে চলবে না।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫