কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ভ্রূণ হত্যার ঘটনায় মামলার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আসামি হাদিছ মিয়াকে ধরছে না পুলিশ। উপজেলার মাস্কা ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামে গত ৩০ অক্টোবর এই ভ্রূণ হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে ১৭ নভেম্বর কেন্দুয়া থানায় এই মামলা করেন গৃহবধূর স্বামী আবদুস সালাম। অভিযুক্ত হাদিছ মিয়ার বাড়ি একই গ্রামে।
গতকাল শুক্রবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কেন্দুয়া থানার এসআই মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মামলার পর থেকে আসামি হাদিছ মিয়া পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
পুলিশ জানায়, নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর স্বামী আবদুস সালাম বাদী হয়ে অভিযুক্ত হাদিছ মিয়াকে একমাত্র আসামি করে ১৭ নভেম্বর কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা করেন।
মামলায় হাদিছের বিরুদ্ধে সালামের তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কিল-ঘুষি ও লাথিতে তাঁর গর্ভপাত ঘটার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাস্কা ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে অন্যজনের পক্ষ নিয়ে হাদিছ মিয়া গত ৩০ অক্টোবর রাতে আবদুস সালামের বাড়িতে গিয়ে চড়াও হয়। এ সময় তিনি সালামকে গালাগাল করতে থাকলে তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী এর প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাদিছ মিয়া তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে তলপেটে লাথি ও কিল-ঘুষিতে ওই নারী আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। একপর্যায়ে সেখানে ওই নারীর গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী আবদুস সালাম বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় অভিযুক্ত হাদিছ মিয়ার বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা করেন। তবে মামলার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও একমাত্র আসামি হাদিছ মিয়াকে এখনো পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মামলার বাদী আবদুস সালাম বলেন, ‘আমার স্ত্রী এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। আসামি হাদিছ মিয়াকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মামলার পর থেকে আসামি হাদিছ মিয়া পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ভ্রূণ হত্যার ঘটনায় মামলার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আসামি হাদিছ মিয়াকে ধরছে না পুলিশ। উপজেলার মাস্কা ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামে গত ৩০ অক্টোবর এই ভ্রূণ হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে ১৭ নভেম্বর কেন্দুয়া থানায় এই মামলা করেন গৃহবধূর স্বামী আবদুস সালাম। অভিযুক্ত হাদিছ মিয়ার বাড়ি একই গ্রামে।
গতকাল শুক্রবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কেন্দুয়া থানার এসআই মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মামলার পর থেকে আসামি হাদিছ মিয়া পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
পুলিশ জানায়, নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর স্বামী আবদুস সালাম বাদী হয়ে অভিযুক্ত হাদিছ মিয়াকে একমাত্র আসামি করে ১৭ নভেম্বর কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা করেন।
মামলায় হাদিছের বিরুদ্ধে সালামের তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কিল-ঘুষি ও লাথিতে তাঁর গর্ভপাত ঘটার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাস্কা ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে অন্যজনের পক্ষ নিয়ে হাদিছ মিয়া গত ৩০ অক্টোবর রাতে আবদুস সালামের বাড়িতে গিয়ে চড়াও হয়। এ সময় তিনি সালামকে গালাগাল করতে থাকলে তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী এর প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাদিছ মিয়া তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে তলপেটে লাথি ও কিল-ঘুষিতে ওই নারী আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। একপর্যায়ে সেখানে ওই নারীর গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী আবদুস সালাম বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় অভিযুক্ত হাদিছ মিয়ার বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা করেন। তবে মামলার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও একমাত্র আসামি হাদিছ মিয়াকে এখনো পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মামলার বাদী আবদুস সালাম বলেন, ‘আমার স্ত্রী এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। আসামি হাদিছ মিয়াকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মামলার পর থেকে আসামি হাদিছ মিয়া পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫