সম্পাদকীয়

একটি সেতু নির্মাণের মানে হচ্ছে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন। আর যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হলে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে জিনিসপত্র আনা-নেওয়া করাটাও সহজ হয়ে যায়। হতে পারে তা ব্যবসায়িক কাজে। যেমন, এক এলাকায় জন্মানো ফসল নিয়ে অন্য এলাকায় বিক্রি করা। ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নটাও হয়। হয়তো সেই পরিকল্পনা মাথায় রেখেই নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ধনাই নদের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, সেতুটি কাজে না এসে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের
কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজকের পত্রিকার ময়মনসিংহ সংস্করণের ‘কোটি টাকার সেতুই দুর্ভোগের কারণ’ শিরোনামের খবরটি নজরে আসার মতোই। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদ থেকে সেতুটি কম উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়েছে; তাতে করে সড়ক যোগাযোগ চালু হলেও নৌপথের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
আর নির্মাণের মাত্র আট বছরের মাথায় স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই সেতুকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে। ফলে এর ওপর দিয়ে কোনো ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। সেতুটির কয়েকটি পিলার ভেঙে অকেজো হয়ে পড়েছে। বোঝাই যাচ্ছে, সেতুটি নির্মাণে মানসম্মত সামগ্রী ব্যবহার করা হয়নি।
যখন সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছিল, তখন এলাকাবাসী দাবি করেছিল আরেকটু উঁচুতে এটি নির্মাণ করার। কিন্তু এলজিইডি সেই কথায় কান দেয়নি। দিলে হয়তো সেতু দিয়ে যেসব পণ্য পরিবহন করা যাচ্ছে না, সেগুলো নদ দিয়ে স্থানান্তর করা যেত।
নিশ্চয়ই কোনো উন্নয়ন প্রকল্প শুরু করার আগে পরিকল্পনা করতে হয়। সেই পরিকল্পনা হতে হয় সুদূরপ্রসারী, যেন তা টেকসই হয়। সারা বিশ্বই এখন টেকসই উন্নয়নের কথা ভাবে, আমরা কেন পিছিয়ে থাকব?
এই যে সাহতা ধনাই নদের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটি, তা নির্মাণেও নিশ্চয়ই একটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী ও টেকসই ছিল কি না, তা আমাদের জানা নেই। তবে, পরিকল্পনাটা নিশ্চয়ই কেউ পাস করিয়েছিলেন। নিশ্চয়ই কেউ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। নিশ্চয়ই কেউ জায়গা ঘুরে দেখেছিলেন কোথায় আর কীভাবে নির্মাণ করা হবে সেতু। কেউ না কেউ নিশ্চয়ই নির্মাণসামগ্রী কিনেছিলেন। কেউ না কেউ সেই সেতু নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন। এতগুলো স্তর পার হওয়ার পরেও নির্মিত সেতুটি যেন জনগণের কাছে অভিশাপ হয়ে রয়েছে!
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণে ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ দশমিক ৭ মিটার প্রস্থ এই সেতুর খরচের অঙ্ক এতটা বড় হলে তা টেকসই হওয়ারও কথা ছিল। জানা গেছে, খুব জলদি পরিদর্শনের পর বিশেষজ্ঞ রিপোর্টের ভিত্তিতে সেতুটিকে সংস্কার করা হবে। মনে হচ্ছে আগের স্তরগুলোর পুনরাবৃত্তি হবে। আবারও মোটা অঙ্কের টাকা এদিক-সেদিক হবে কি?
সত্যিকারের উন্নয়নে দেশ ইতিবাচকভাবে বদলে যায়। উন্নয়নের অর্থ খরচ হবে, কিন্তু কাজটা হবে না, তাহলে কি সেটাকে উন্নয়ন বলা যায়? এ ধরনের অপকর্ম ঠেকাতে হলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা দরকার। নইলে এই দুষ্কর্ম চলতেই থাকবে।

একটি সেতু নির্মাণের মানে হচ্ছে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন। আর যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হলে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে জিনিসপত্র আনা-নেওয়া করাটাও সহজ হয়ে যায়। হতে পারে তা ব্যবসায়িক কাজে। যেমন, এক এলাকায় জন্মানো ফসল নিয়ে অন্য এলাকায় বিক্রি করা। ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নটাও হয়। হয়তো সেই পরিকল্পনা মাথায় রেখেই নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ধনাই নদের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, সেতুটি কাজে না এসে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের
কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজকের পত্রিকার ময়মনসিংহ সংস্করণের ‘কোটি টাকার সেতুই দুর্ভোগের কারণ’ শিরোনামের খবরটি নজরে আসার মতোই। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদ থেকে সেতুটি কম উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়েছে; তাতে করে সড়ক যোগাযোগ চালু হলেও নৌপথের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
আর নির্মাণের মাত্র আট বছরের মাথায় স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই সেতুকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে। ফলে এর ওপর দিয়ে কোনো ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। সেতুটির কয়েকটি পিলার ভেঙে অকেজো হয়ে পড়েছে। বোঝাই যাচ্ছে, সেতুটি নির্মাণে মানসম্মত সামগ্রী ব্যবহার করা হয়নি।
যখন সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছিল, তখন এলাকাবাসী দাবি করেছিল আরেকটু উঁচুতে এটি নির্মাণ করার। কিন্তু এলজিইডি সেই কথায় কান দেয়নি। দিলে হয়তো সেতু দিয়ে যেসব পণ্য পরিবহন করা যাচ্ছে না, সেগুলো নদ দিয়ে স্থানান্তর করা যেত।
নিশ্চয়ই কোনো উন্নয়ন প্রকল্প শুরু করার আগে পরিকল্পনা করতে হয়। সেই পরিকল্পনা হতে হয় সুদূরপ্রসারী, যেন তা টেকসই হয়। সারা বিশ্বই এখন টেকসই উন্নয়নের কথা ভাবে, আমরা কেন পিছিয়ে থাকব?
এই যে সাহতা ধনাই নদের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটি, তা নির্মাণেও নিশ্চয়ই একটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী ও টেকসই ছিল কি না, তা আমাদের জানা নেই। তবে, পরিকল্পনাটা নিশ্চয়ই কেউ পাস করিয়েছিলেন। নিশ্চয়ই কেউ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। নিশ্চয়ই কেউ জায়গা ঘুরে দেখেছিলেন কোথায় আর কীভাবে নির্মাণ করা হবে সেতু। কেউ না কেউ নিশ্চয়ই নির্মাণসামগ্রী কিনেছিলেন। কেউ না কেউ সেই সেতু নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন। এতগুলো স্তর পার হওয়ার পরেও নির্মিত সেতুটি যেন জনগণের কাছে অভিশাপ হয়ে রয়েছে!
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণে ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ দশমিক ৭ মিটার প্রস্থ এই সেতুর খরচের অঙ্ক এতটা বড় হলে তা টেকসই হওয়ারও কথা ছিল। জানা গেছে, খুব জলদি পরিদর্শনের পর বিশেষজ্ঞ রিপোর্টের ভিত্তিতে সেতুটিকে সংস্কার করা হবে। মনে হচ্ছে আগের স্তরগুলোর পুনরাবৃত্তি হবে। আবারও মোটা অঙ্কের টাকা এদিক-সেদিক হবে কি?
সত্যিকারের উন্নয়নে দেশ ইতিবাচকভাবে বদলে যায়। উন্নয়নের অর্থ খরচ হবে, কিন্তু কাজটা হবে না, তাহলে কি সেটাকে উন্নয়ন বলা যায়? এ ধরনের অপকর্ম ঠেকাতে হলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা দরকার। নইলে এই দুষ্কর্ম চলতেই থাকবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫