সম্পাদকীয়

১৯৫২ সালের ডিসেম্বর মাসে জামিলুর রেজা চৌধুরীকে সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে নিয়ে গেলেন। হেডস্যার তাঁকে ভর্তি করলেন ক্লাস সেভেনে। জিজ্ঞেস করলেন, ‘জন্মতারিখ?’ ‘১৯৪৩ সালের ১৫ নভেম্বর।’
হেডস্যার হিসাব করে বললেন, ‘নাহ, ম্যাট্রিকের সময় তো ন্যূনতম ১৪ বছর হবে না। ঠিক আছে, আমি সালটা ১৯৪২ লিখছি।’
নিজের বয়সের চেয়ে এক বছর বেড়ে গেল জামিলুর রেজা চৌধুরীর। এই স্কুলেই কাটিয়ে দিলেন পরের চারটি বছর।
১৯৫৭ সালে ম্যাট্রিক পাস করলেন তিনি। মেধাতালিকায় প্রথম দশের মধ্যে ছিলেন তিনি। স্কুলে কিন্তু কোনো পরীক্ষাতেই ফার্স্ট হননি তিনি। কলেজজীবনেও তা-ই। তবে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (তখন তা আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ) দ্বিতীয় বর্ষ থেকে সব সময় ফার্স্ট হয়ে এসেছেন।
ফার্স্ট হওয়ার জন্য তিনি কি দিনরাত ২৪ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন? একেবারেই না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য যতটা সময় দিয়েছেন, খেলাধুলায় তার চেয়ে কম সময় দেননি। ক্রিকেট, হকি, টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় দলের হয়ে খেলেছেন তিনি।
এত খেলাধুলা করেও কীভাবে তিনি চৌকস বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠলেন? ব্যাপারটা খুব সোজা। ক্লাস শেষ হওয়ার পর চলে যেতেন মাঠে, সেখানে খেলতেন। সন্ধ্যার কাছাকাছি সময়ে হোস্টেলের ক্যানটিনে গিয়ে ছাত্রদের সঙ্গে গল্প-গুজব করতেন। এ সময় যে ছাত্রদের পড়া বুঝতে কষ্ট হতো, তাঁরা তাঁকে ডেকে নিয়ে যেতেন। জামিলুর রেজা চৌধুরী তাঁদের পড়া বুঝিয়ে দিতেন। তাঁদের সঙ্গে বসে সমস্যাগুলোর সমাধান করতেন। ফলে যা দাঁড়াত, অন্যকে বোঝাতে বোঝাতেই অর্ধেক পড়া হয়ে যেত তাঁর। এরপর বাকি পড়া নিজে নিজে তৈরি করে নিতেন।
পাঠ্যবইয়ের বাইরে ভ্রমণকাহিনি, আত্মজীবনী, উপন্যাসও পড়তেন তিনি। ডিটেকটিভ বইয়েও আকর্ষণ ছিল একসময়। ক্লাসিক্যাল সাহিত্য এবং শেক্সপিয়ার ছিল খুব আগ্রহের জায়গা। কলেজে এমন এক বন্ধুকে পেলেন, যার বাড়িতে ছিল সুন্দর এক লাইব্রেরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে (তখন ছিল কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি) গিয়ে পড়ে থাকতেন। এভাবেই তিনি হয়ে উঠলেন সবজান্তা এক খাঁটি মানুষ।
সূত্র: বিধান চন্দ্র পাল সম্পাদিত সেতুবন্ধন, পৃষ্ঠা ৩৩১-৩৩৬

১৯৫২ সালের ডিসেম্বর মাসে জামিলুর রেজা চৌধুরীকে সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে নিয়ে গেলেন। হেডস্যার তাঁকে ভর্তি করলেন ক্লাস সেভেনে। জিজ্ঞেস করলেন, ‘জন্মতারিখ?’ ‘১৯৪৩ সালের ১৫ নভেম্বর।’
হেডস্যার হিসাব করে বললেন, ‘নাহ, ম্যাট্রিকের সময় তো ন্যূনতম ১৪ বছর হবে না। ঠিক আছে, আমি সালটা ১৯৪২ লিখছি।’
নিজের বয়সের চেয়ে এক বছর বেড়ে গেল জামিলুর রেজা চৌধুরীর। এই স্কুলেই কাটিয়ে দিলেন পরের চারটি বছর।
১৯৫৭ সালে ম্যাট্রিক পাস করলেন তিনি। মেধাতালিকায় প্রথম দশের মধ্যে ছিলেন তিনি। স্কুলে কিন্তু কোনো পরীক্ষাতেই ফার্স্ট হননি তিনি। কলেজজীবনেও তা-ই। তবে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (তখন তা আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ) দ্বিতীয় বর্ষ থেকে সব সময় ফার্স্ট হয়ে এসেছেন।
ফার্স্ট হওয়ার জন্য তিনি কি দিনরাত ২৪ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন? একেবারেই না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য যতটা সময় দিয়েছেন, খেলাধুলায় তার চেয়ে কম সময় দেননি। ক্রিকেট, হকি, টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় দলের হয়ে খেলেছেন তিনি।
এত খেলাধুলা করেও কীভাবে তিনি চৌকস বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠলেন? ব্যাপারটা খুব সোজা। ক্লাস শেষ হওয়ার পর চলে যেতেন মাঠে, সেখানে খেলতেন। সন্ধ্যার কাছাকাছি সময়ে হোস্টেলের ক্যানটিনে গিয়ে ছাত্রদের সঙ্গে গল্প-গুজব করতেন। এ সময় যে ছাত্রদের পড়া বুঝতে কষ্ট হতো, তাঁরা তাঁকে ডেকে নিয়ে যেতেন। জামিলুর রেজা চৌধুরী তাঁদের পড়া বুঝিয়ে দিতেন। তাঁদের সঙ্গে বসে সমস্যাগুলোর সমাধান করতেন। ফলে যা দাঁড়াত, অন্যকে বোঝাতে বোঝাতেই অর্ধেক পড়া হয়ে যেত তাঁর। এরপর বাকি পড়া নিজে নিজে তৈরি করে নিতেন।
পাঠ্যবইয়ের বাইরে ভ্রমণকাহিনি, আত্মজীবনী, উপন্যাসও পড়তেন তিনি। ডিটেকটিভ বইয়েও আকর্ষণ ছিল একসময়। ক্লাসিক্যাল সাহিত্য এবং শেক্সপিয়ার ছিল খুব আগ্রহের জায়গা। কলেজে এমন এক বন্ধুকে পেলেন, যার বাড়িতে ছিল সুন্দর এক লাইব্রেরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে (তখন ছিল কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি) গিয়ে পড়ে থাকতেন। এভাবেই তিনি হয়ে উঠলেন সবজান্তা এক খাঁটি মানুষ।
সূত্র: বিধান চন্দ্র পাল সম্পাদিত সেতুবন্ধন, পৃষ্ঠা ৩৩১-৩৩৬

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫