বাবলু মোস্তাফিজ, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া)

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অবস্থিত গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের তিনটি প্রধান পাম্পের দুটিই বিকল হয়ে পড়ে আছে। একটি পাম্প দিয়ে জমিতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এতে স্বল্প খরচে সেচের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা। এ ছাড়া প্রধান খালের পানি কমে যাওয়ায় জমিতে পানি পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জিকে সেচ প্রকল্পের অধীনে রয়েছে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরার ১৩টি উপজেলা। সেচযোগ্য জমির পরিমাণ ১ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর। চার জেলায় ১৯৩ কিলোমিটার প্রধান খাল, ৪৬৭ কিলোমিটার শাখা খাল রয়েছে। কিন্তু সেচ প্রকল্পের দুটি পাম্প বিকল হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
জিকে সেচ প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পের ৩ নম্বর পাম্পটি ২০২১ সালের ২১ মে অচল হয়ে পড়ে। আর ২ নম্বর পাম্পটি মেকানিক্যাল সমস্যার কারণে এ বছরের জুন মাসে অচল হয়ে পড়ে। বর্তমানে অবশিষ্ট সচল এক নম্বর পাম্পটি দিয়ে পানি সরবরাহ কার্যক্রম চলছে।
ফলে পাম্পটির ওপর যথেষ্ট চাপ ও পরিমাণমতো পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, শিগগিরই পাম্প মেরামত করে সচল করা হবে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে পানি সরবরাহে একটু সমস্যা হলেও কৃষকেরা জমিতে পানি পাচ্ছেন বলে জানানো হয়।
পানি না পাওয়া নিয়ে চাঁদগ্রাম এলাকার কৃষক মান্নান মণ্ডল, দুলালসহ অনেকে বলেন, ‘সারের মূল্যবৃদ্ধিতে জমিতে চাষ করতে হিমশিম খাচ্ছি। এরপর আবার সেচের পানির সংকটে চরম বিপদে আছি আমরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন জিকে সেচ প্রকল্পের পানি দিয়ে জমিতে চাষ করছি। আমন মৌসুম চলছে। এখন জমিতে পর্যাপ্ত পানি দরকার। পাম্প নষ্ট থাকায় আমরা ঠিকমতো পানি পাচ্ছি না। বর্তমানে তেলের দাম বেশি। জমিতে ডিজেলে শ্যালো ইঞ্জিনে একবার সেচ দিতে খরচ অনেক। দ্রুত সমাধান না হলে ধান চাষে আগ্রহ হারাবেন কৃষক।’
ভেড়ামারা জিকে প্রজেক্ট পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বুলবুল কবির বলেন, ‘সেচের সুবিধা থাকার পরও নানা কারণে কৃষকেরা এর থেকে সুফল পান না। দুটি পাম্প অকেজো রয়েছে। বর্তমানে কৃষকেরা নামকাওয়াস্তে পানি পাচ্ছেন। খালের পানির লেভেল জমি থেকে নিচে। ফলে জমিতে পানি যাচ্ছে না। প্রকল্পের আওতায় আমন উৎপাদনে এর প্রভাব পড়বে। সেই সঙ্গে দেশের খাদ্য উৎপাদনের ঘাটতি হবে। এ সবই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব।’
ভেড়ামারা গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুটি পাম্প বিকল থাকায় একমাত্র পাম্পটি দিয়ে সর্বোচ্চ সেচ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। পানির সর্বোচ্চ লেভেল ১৪ দশমিক ৫০। এখন সেখানে ১৪ দশমিক ২০-এ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিকল হওয়া পাম্প দুটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি আমাদের প্রস্তাবনা দেবে। আমরা সেটি বোর্ডে জমা দেব। আশা করি, দ্রুতই সমস্যা সমাধান হবে।’

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অবস্থিত গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের তিনটি প্রধান পাম্পের দুটিই বিকল হয়ে পড়ে আছে। একটি পাম্প দিয়ে জমিতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এতে স্বল্প খরচে সেচের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা। এ ছাড়া প্রধান খালের পানি কমে যাওয়ায় জমিতে পানি পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জিকে সেচ প্রকল্পের অধীনে রয়েছে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরার ১৩টি উপজেলা। সেচযোগ্য জমির পরিমাণ ১ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর। চার জেলায় ১৯৩ কিলোমিটার প্রধান খাল, ৪৬৭ কিলোমিটার শাখা খাল রয়েছে। কিন্তু সেচ প্রকল্পের দুটি পাম্প বিকল হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
জিকে সেচ প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পের ৩ নম্বর পাম্পটি ২০২১ সালের ২১ মে অচল হয়ে পড়ে। আর ২ নম্বর পাম্পটি মেকানিক্যাল সমস্যার কারণে এ বছরের জুন মাসে অচল হয়ে পড়ে। বর্তমানে অবশিষ্ট সচল এক নম্বর পাম্পটি দিয়ে পানি সরবরাহ কার্যক্রম চলছে।
ফলে পাম্পটির ওপর যথেষ্ট চাপ ও পরিমাণমতো পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, শিগগিরই পাম্প মেরামত করে সচল করা হবে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে পানি সরবরাহে একটু সমস্যা হলেও কৃষকেরা জমিতে পানি পাচ্ছেন বলে জানানো হয়।
পানি না পাওয়া নিয়ে চাঁদগ্রাম এলাকার কৃষক মান্নান মণ্ডল, দুলালসহ অনেকে বলেন, ‘সারের মূল্যবৃদ্ধিতে জমিতে চাষ করতে হিমশিম খাচ্ছি। এরপর আবার সেচের পানির সংকটে চরম বিপদে আছি আমরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন জিকে সেচ প্রকল্পের পানি দিয়ে জমিতে চাষ করছি। আমন মৌসুম চলছে। এখন জমিতে পর্যাপ্ত পানি দরকার। পাম্প নষ্ট থাকায় আমরা ঠিকমতো পানি পাচ্ছি না। বর্তমানে তেলের দাম বেশি। জমিতে ডিজেলে শ্যালো ইঞ্জিনে একবার সেচ দিতে খরচ অনেক। দ্রুত সমাধান না হলে ধান চাষে আগ্রহ হারাবেন কৃষক।’
ভেড়ামারা জিকে প্রজেক্ট পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বুলবুল কবির বলেন, ‘সেচের সুবিধা থাকার পরও নানা কারণে কৃষকেরা এর থেকে সুফল পান না। দুটি পাম্প অকেজো রয়েছে। বর্তমানে কৃষকেরা নামকাওয়াস্তে পানি পাচ্ছেন। খালের পানির লেভেল জমি থেকে নিচে। ফলে জমিতে পানি যাচ্ছে না। প্রকল্পের আওতায় আমন উৎপাদনে এর প্রভাব পড়বে। সেই সঙ্গে দেশের খাদ্য উৎপাদনের ঘাটতি হবে। এ সবই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব।’
ভেড়ামারা গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুটি পাম্প বিকল থাকায় একমাত্র পাম্পটি দিয়ে সর্বোচ্চ সেচ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। পানির সর্বোচ্চ লেভেল ১৪ দশমিক ৫০। এখন সেখানে ১৪ দশমিক ২০-এ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিকল হওয়া পাম্প দুটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি আমাদের প্রস্তাবনা দেবে। আমরা সেটি বোর্ডে জমা দেব। আশা করি, দ্রুতই সমস্যা সমাধান হবে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫