ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিনা) বহিরাগতদের হাতে কয়েকজন বিজ্ঞানী মারধরের শিকার হওয়ার ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। এটিকে তাঁদের কর্মফল দাবি করে বিচলিত নন বলে জানিয়েছেন বিনার মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।
তবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিচার না পেলে আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানিয়েছেন হামলার শিকার বিজ্ঞানীরা। এদিকে বিজ্ঞানীদের মারধরের এ ঘটনার পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেখা গেছে অনেককে।
বিনা উপ-কেন্দ্র নোয়াখালীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, ‘বিজ্ঞানীদের মধ্যে দুটি গ্রুপ রয়েছে। আমি ক্ষমতাসীন বিজ্ঞানী সমিতির সমর্থক হওয়ায় প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন ক্ষিপ্ত। এরই জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাধারণ সভার দিন বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটে ২০-২৫ জন বহিরাগত শ্রেণিকক্ষের সামনে আমাদের ওপর হামলা করে। পরে সভা চলাকালীন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।’
সোহেল রানা বলেন, ‘এমন পরিস্থিতির শিকার হব কখনো ভাবতে পারেনি। ওই দিনের ঘটনা বারবার চোখের সামনে ভেসে ওঠায় কোনো কাজ কর্মে মনোযোগী হতে পারছি না। অপেক্ষায় আছি মহাপরিচালক মহোদয় সঠিক বিচার করবেন। অন্যথায় আইনের আশ্রয় নেব।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিনা) বিজ্ঞানীদের সাধারণ সভা চলাকালে শ্রমিক সমিতির রাসেল মিয়া ও তাঁর ভাই সোলায়মান, রিপনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন বহিরাগত কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে এলোমেলোভাবে ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সোহেল রানা মোবাইলে তাঁদের তোলেন। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে বহিরাগতরা ‘প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেনের সাথে বাড়াবাড়ি করিস’ বলেই হামলা শুরু করে। এতে সোহেল রানাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। বিজ্ঞানীদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউট বিজ্ঞানী সমিতি (বিনাসা)।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশেই পরিকল্পিতভাবে হামলা হয়েছে। তাঁরা মহাপরিচালকের কাছের লোক। হয়তো আমাদের প্রতি অন্যায়ের বিচার পাব না। মারধরের বিষয়টি বারবার বিবেককে নাড়া দিচ্ছে। আতঙ্কে জীবন-যাপন করছি।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটের শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাসেল মিয়া বলেন, ‘বহিরাগতরা বিজ্ঞানীদের মারধর করেছে শুনেছি। তবে এসব ঘটনায় আমি কিংবা আমার কেউ জড়িত নই।’
জানতে চেয়ে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে মিটিংয়ে আছেন বলে লাইন কেটে দেন। পরে আর কল রিসিভ করেননি।
তবে ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘তাঁদের আচরণের কারণেই তারা মার খেয়েছে। এখানে আমাকে দোষে লাভ নেই। লোকজন তাঁদের মারছে শুনে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি।’
বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, ‘যারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের দোষ নিয়ে থাকে, তাঁদের ক্ষেত্রে এমন হওয়াটা স্বাভাবিক। এ ঘটনায় আমি বিচলিত নই। এটা তাদের কর্মফল। এখনো সময় আছে, তাঁদের ভালো হওয়া প্রয়োজন। আমি চাই, সবাই মিলে মিশে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সমৃদ্ধ করি।’

বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিনা) বহিরাগতদের হাতে কয়েকজন বিজ্ঞানী মারধরের শিকার হওয়ার ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। এটিকে তাঁদের কর্মফল দাবি করে বিচলিত নন বলে জানিয়েছেন বিনার মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।
তবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিচার না পেলে আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানিয়েছেন হামলার শিকার বিজ্ঞানীরা। এদিকে বিজ্ঞানীদের মারধরের এ ঘটনার পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেখা গেছে অনেককে।
বিনা উপ-কেন্দ্র নোয়াখালীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, ‘বিজ্ঞানীদের মধ্যে দুটি গ্রুপ রয়েছে। আমি ক্ষমতাসীন বিজ্ঞানী সমিতির সমর্থক হওয়ায় প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন ক্ষিপ্ত। এরই জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাধারণ সভার দিন বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটে ২০-২৫ জন বহিরাগত শ্রেণিকক্ষের সামনে আমাদের ওপর হামলা করে। পরে সভা চলাকালীন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।’
সোহেল রানা বলেন, ‘এমন পরিস্থিতির শিকার হব কখনো ভাবতে পারেনি। ওই দিনের ঘটনা বারবার চোখের সামনে ভেসে ওঠায় কোনো কাজ কর্মে মনোযোগী হতে পারছি না। অপেক্ষায় আছি মহাপরিচালক মহোদয় সঠিক বিচার করবেন। অন্যথায় আইনের আশ্রয় নেব।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিনা) বিজ্ঞানীদের সাধারণ সভা চলাকালে শ্রমিক সমিতির রাসেল মিয়া ও তাঁর ভাই সোলায়মান, রিপনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন বহিরাগত কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে এলোমেলোভাবে ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সোহেল রানা মোবাইলে তাঁদের তোলেন। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে বহিরাগতরা ‘প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেনের সাথে বাড়াবাড়ি করিস’ বলেই হামলা শুরু করে। এতে সোহেল রানাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। বিজ্ঞানীদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউট বিজ্ঞানী সমিতি (বিনাসা)।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশেই পরিকল্পিতভাবে হামলা হয়েছে। তাঁরা মহাপরিচালকের কাছের লোক। হয়তো আমাদের প্রতি অন্যায়ের বিচার পাব না। মারধরের বিষয়টি বারবার বিবেককে নাড়া দিচ্ছে। আতঙ্কে জীবন-যাপন করছি।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটের শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাসেল মিয়া বলেন, ‘বহিরাগতরা বিজ্ঞানীদের মারধর করেছে শুনেছি। তবে এসব ঘটনায় আমি কিংবা আমার কেউ জড়িত নই।’
জানতে চেয়ে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে মিটিংয়ে আছেন বলে লাইন কেটে দেন। পরে আর কল রিসিভ করেননি।
তবে ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘তাঁদের আচরণের কারণেই তারা মার খেয়েছে। এখানে আমাকে দোষে লাভ নেই। লোকজন তাঁদের মারছে শুনে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি।’
বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, ‘যারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের দোষ নিয়ে থাকে, তাঁদের ক্ষেত্রে এমন হওয়াটা স্বাভাবিক। এ ঘটনায় আমি বিচলিত নই। এটা তাদের কর্মফল। এখনো সময় আছে, তাঁদের ভালো হওয়া প্রয়োজন। আমি চাই, সবাই মিলে মিশে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সমৃদ্ধ করি।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫