সম্পাদকীয়

মাদক নিয়ে একসময় বহু গোলটেবিল বৈঠক হয়েছে, বহু এনজিও এই সমস্যা নিয়ে কাজ করেছে। ইদানীং মাদকবিরোধী প্রচারণাকে মনে হয় ঝিমুনিতে পেয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার সংগঠন বা গোলটেবিল আয়োজকদের দেখা মিলছে কম। তার মানে কি মাদক ব্যবহার কমে গেছে? একেবারেই না; বরং মাদক নতুন নতুন খদ্দেরদের ওপর আঘাত হানছে। ২০১৮ সালে যখন সারা দেশে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছিল, তখন থেকে কিছু কাজ হয়েছে বটে, কিন্তু প্যারাডক্স হলো, এই সময়ের মধ্যেই মাদকসেবী বেড়ে তিন গুণ হয়েছে।
একসময় বিভিন্ন এনজিওর সঙ্গে মিলে সেই পত্রিকাগুলো মাদকবিরোধী প্রচারণা চালাত, তারাও আজ মাদক নিয়ে কেন সোচ্চার হচ্ছে না, সে প্রশ্ন এড়ানো যাবে না। তবে কি বিদেশি ফান্ড এলে তার সদ্ব্যবহার করাটাই ছিল এই প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য? তবে কি সেই ফান্ড কম আসছে এখন? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি। কারণ, একদিকে মাদকসেবী বাড়ছে, অন্যদিকে সোচ্চার সংগঠনগুলো তাদের কাজ কমিয়ে এনেছে, এটা কোনো কাজের কথা হতে পারে না।
বলা হয়ে থাকে, মাদকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলা না হলে মাদকের চাহিদা কমবে না। মাদক কারবারে লাভের পরিমাণ অনেক। তাই ঝুঁকি নিয়ে হলেও মাদক কারবারিরা এই ব্যবসা থেকে সরছে না। একটা বড় চালান এলে এবং সেই চালান বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিতে পারলেই কেল্লা ফতে। তাই এ কারবারকে শক্তিশালী করার জন্য যে যে উপায় বের করা দরকার, সেই উপায়ের খোঁজেই থাকে মাদক কারবারিরা। যেহেতু অনেক টাকা লগ্নির ব্যাপার আছে, তাই যে যে ঘাটে এ কারবার বিপদে পড়তে পারে, সেই ঘাটগুলো বন্ধ করার জন্য ঘুষের কারবার থাকার আশঙ্কা অমূলক নয়। মাদকবিরোধী সচেতনতা কি কেবল সরকার, এনজিও ও প্রচারমাধ্যমের কল্যাণেই গড়ে উঠবে? এক একটি পরিবারের অভ্যন্তরে অস্থিরতা বাড়ছে বলে তরুণেরা বিপথগামী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। পারিবারিক সম্পর্ক পোক্ত না হলে হতাশায় নিমজ্জিত একজন তরুণের হাতে নেশাদ্রব্য ধরিয়ে দেওয়া খুব সহজ। সে ঘটনাটাই ঘটছে দেশে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে মাদক কারবারিরা তাদের কার্যক্রম চালায়। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কলেজে একজন এজেন্ট নিয়োগ করতে পারলেই দিনে দিনে বাড়তে থাকে এজেন্টের সংখ্যা। মাদক তখন চলে আসে হাতের নাগালে।
তাই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেই দেশ মাদকমুক্ত হয়ে যাবে, এ রকম ভাবার কোনো সুযোগ নেই। অল্প বিনিয়োগে অধিক লাভ হয় বলে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে উঠেছে মাদকের সিন্ডিকেট। একধরনের মাফিয়া চক্রের নিয়ন্ত্রণে বেড়ে চলেছে এর ব্যবহার। তাই মাদকের নৃশংস থাবা থেকে রক্ষা পেতে হলে দেশে মাদক আসার পথগুলো যেমন বন্ধ করে দিতে হবে, তেমনি পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যের সৌহার্দ্যময় সম্পর্কের নিশ্চয়তাও পেতে হবে। সেই সঙ্গে সামাজিক মেলামেশার স্থানগুলোতে সচেতনভাবে মাদকবিরোধী অবস্থান নিতে হবে। যা বলা হলো, তা করা কঠিন। কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখার জন্য এর বিকল্প কিছু নেই।

মাদক নিয়ে একসময় বহু গোলটেবিল বৈঠক হয়েছে, বহু এনজিও এই সমস্যা নিয়ে কাজ করেছে। ইদানীং মাদকবিরোধী প্রচারণাকে মনে হয় ঝিমুনিতে পেয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার সংগঠন বা গোলটেবিল আয়োজকদের দেখা মিলছে কম। তার মানে কি মাদক ব্যবহার কমে গেছে? একেবারেই না; বরং মাদক নতুন নতুন খদ্দেরদের ওপর আঘাত হানছে। ২০১৮ সালে যখন সারা দেশে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছিল, তখন থেকে কিছু কাজ হয়েছে বটে, কিন্তু প্যারাডক্স হলো, এই সময়ের মধ্যেই মাদকসেবী বেড়ে তিন গুণ হয়েছে।
একসময় বিভিন্ন এনজিওর সঙ্গে মিলে সেই পত্রিকাগুলো মাদকবিরোধী প্রচারণা চালাত, তারাও আজ মাদক নিয়ে কেন সোচ্চার হচ্ছে না, সে প্রশ্ন এড়ানো যাবে না। তবে কি বিদেশি ফান্ড এলে তার সদ্ব্যবহার করাটাই ছিল এই প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য? তবে কি সেই ফান্ড কম আসছে এখন? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি। কারণ, একদিকে মাদকসেবী বাড়ছে, অন্যদিকে সোচ্চার সংগঠনগুলো তাদের কাজ কমিয়ে এনেছে, এটা কোনো কাজের কথা হতে পারে না।
বলা হয়ে থাকে, মাদকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলা না হলে মাদকের চাহিদা কমবে না। মাদক কারবারে লাভের পরিমাণ অনেক। তাই ঝুঁকি নিয়ে হলেও মাদক কারবারিরা এই ব্যবসা থেকে সরছে না। একটা বড় চালান এলে এবং সেই চালান বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিতে পারলেই কেল্লা ফতে। তাই এ কারবারকে শক্তিশালী করার জন্য যে যে উপায় বের করা দরকার, সেই উপায়ের খোঁজেই থাকে মাদক কারবারিরা। যেহেতু অনেক টাকা লগ্নির ব্যাপার আছে, তাই যে যে ঘাটে এ কারবার বিপদে পড়তে পারে, সেই ঘাটগুলো বন্ধ করার জন্য ঘুষের কারবার থাকার আশঙ্কা অমূলক নয়। মাদকবিরোধী সচেতনতা কি কেবল সরকার, এনজিও ও প্রচারমাধ্যমের কল্যাণেই গড়ে উঠবে? এক একটি পরিবারের অভ্যন্তরে অস্থিরতা বাড়ছে বলে তরুণেরা বিপথগামী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। পারিবারিক সম্পর্ক পোক্ত না হলে হতাশায় নিমজ্জিত একজন তরুণের হাতে নেশাদ্রব্য ধরিয়ে দেওয়া খুব সহজ। সে ঘটনাটাই ঘটছে দেশে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে মাদক কারবারিরা তাদের কার্যক্রম চালায়। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কলেজে একজন এজেন্ট নিয়োগ করতে পারলেই দিনে দিনে বাড়তে থাকে এজেন্টের সংখ্যা। মাদক তখন চলে আসে হাতের নাগালে।
তাই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেই দেশ মাদকমুক্ত হয়ে যাবে, এ রকম ভাবার কোনো সুযোগ নেই। অল্প বিনিয়োগে অধিক লাভ হয় বলে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে উঠেছে মাদকের সিন্ডিকেট। একধরনের মাফিয়া চক্রের নিয়ন্ত্রণে বেড়ে চলেছে এর ব্যবহার। তাই মাদকের নৃশংস থাবা থেকে রক্ষা পেতে হলে দেশে মাদক আসার পথগুলো যেমন বন্ধ করে দিতে হবে, তেমনি পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যের সৌহার্দ্যময় সম্পর্কের নিশ্চয়তাও পেতে হবে। সেই সঙ্গে সামাজিক মেলামেশার স্থানগুলোতে সচেতনভাবে মাদকবিরোধী অবস্থান নিতে হবে। যা বলা হলো, তা করা কঠিন। কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখার জন্য এর বিকল্প কিছু নেই।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫