সম্পাদকীয়

একটি ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরেকটি ঘটনার সংবাদ গণমাধ্যমে চলে আসছে। কোনো ঘটনা যখন প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকে, তখন সেটা আর অস্বাভাবিক ঘটনারূপে আমাদের আলোড়িত করে না।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে খুন করা হয় ৩৮ বছর বয়সী পাপিয়া আক্তার ও তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে ছাওদা জেনিকে। পুলিশ ও স্বজনেরা বলছেন, পাপিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন পাশের গ্রামের মনির হাওলাদার। এমনকি অশালীন প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল ওই গৃহবধূকে।
গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, আমাদের দেশে নারীরা খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে জীবন পরিচালিত করতে বাধ্য হন। চলার পথে কিংবা কর্মক্ষেত্রে একশ্রেণির পুরুষের কাছে শিশু থেকে নারীদের বিরক্ত করা, অশালীন প্রস্তাব দেওয়া, শ্লীলতাহানি করা যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। অশালীন প্রস্তাবে রাজি না হলে সেই নারীকে হত্যাও করা হয়। যাঁরা নারীদের বিরক্ত করেন, তাঁদের ক্ষমতা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার হওয়া নারীটির চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তাই চক্রাকারে এই অশালীনতা ঘটতেই থাকে।
ব্যক্তিগত স্বার্থচিন্তা, অসংযত লোভ এবং কাণ্ডজ্ঞানের অভাবে মানুষ ক্রমাগত সংকীর্ণ ও অসংযত আচরণ করছে। মানুষ চরম অসহনশীল হয়ে উঠছে। সহনশীলতা একটি সামাজিক বোধ। সব মানুষ এই গুণ অর্জন করতে পারে না। কেউ কেউ পারিবারিক শিক্ষার মাধ্যমে এই গুণের অধিকারী হয়, আবার কেউবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও এটা অর্জন করতে পারে। সমাজের স্থিতিশীলতা নষ্ট হলে সহনশীলতাও ধ্বংস হয়ে যায়। জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশও অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।
অর্থনৈতিক, কাঠামোগত অনেক রূপান্তর হচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় আমাদের দেশে মূল্যবোধের স্তরটি ক্রমে নিম্নগামী হচ্ছে। মানুষ যেভাবে ক্রমেই বিদ্বেষপরায়ণ ও হিংসুটে স্বভাবের হয়ে উঠছে, তাতে সহনশীল হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। মানুষের নানা কারণেই সহনশীল হওয়া উচিত। পারস্পরিক সম্পর্কগুলো সুস্থ রাখার জন্য, মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধের জন্য, আস্থা ও ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় করার জন্য সহনশীলতা চর্চার বিকল্প নেই।
এই হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই তিনজনই সহোদর। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুততার সঙ্গে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।
বিগত সময়ে নারী ও শিশুহত্যার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ ধরা পড়লেও এবং তাদের কারও কারও বিচার হলেও এ ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা রোধ করা যাচ্ছে না। কেন এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে? তা নিয়েই আমাদের ভাবা দরকার। এ জন্য সমাজের সব অংশের বিবেকবান মানুষদের ভাবতে হবে।
শুধু আইন, বিচারব্যবস্থা দিয়ে নারী ও শিশুহত্যা রোধ করা যে যাবে না, তা স্পষ্ট। এ জন্য সামাজিক জাগরণ দরকার। তার জন্য রাজনীতিবিদসহ সমাজের সব অংশের মানুষের অংশগ্রহণ জরুরি। আর তা শুরু করতে হবে ঘর থেকে, শিক্ষালয় থেকে। নইলে এই আপদ কাটবে না।

একটি ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরেকটি ঘটনার সংবাদ গণমাধ্যমে চলে আসছে। কোনো ঘটনা যখন প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকে, তখন সেটা আর অস্বাভাবিক ঘটনারূপে আমাদের আলোড়িত করে না।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে খুন করা হয় ৩৮ বছর বয়সী পাপিয়া আক্তার ও তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে ছাওদা জেনিকে। পুলিশ ও স্বজনেরা বলছেন, পাপিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন পাশের গ্রামের মনির হাওলাদার। এমনকি অশালীন প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল ওই গৃহবধূকে।
গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, আমাদের দেশে নারীরা খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে জীবন পরিচালিত করতে বাধ্য হন। চলার পথে কিংবা কর্মক্ষেত্রে একশ্রেণির পুরুষের কাছে শিশু থেকে নারীদের বিরক্ত করা, অশালীন প্রস্তাব দেওয়া, শ্লীলতাহানি করা যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। অশালীন প্রস্তাবে রাজি না হলে সেই নারীকে হত্যাও করা হয়। যাঁরা নারীদের বিরক্ত করেন, তাঁদের ক্ষমতা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার হওয়া নারীটির চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তাই চক্রাকারে এই অশালীনতা ঘটতেই থাকে।
ব্যক্তিগত স্বার্থচিন্তা, অসংযত লোভ এবং কাণ্ডজ্ঞানের অভাবে মানুষ ক্রমাগত সংকীর্ণ ও অসংযত আচরণ করছে। মানুষ চরম অসহনশীল হয়ে উঠছে। সহনশীলতা একটি সামাজিক বোধ। সব মানুষ এই গুণ অর্জন করতে পারে না। কেউ কেউ পারিবারিক শিক্ষার মাধ্যমে এই গুণের অধিকারী হয়, আবার কেউবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও এটা অর্জন করতে পারে। সমাজের স্থিতিশীলতা নষ্ট হলে সহনশীলতাও ধ্বংস হয়ে যায়। জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশও অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।
অর্থনৈতিক, কাঠামোগত অনেক রূপান্তর হচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় আমাদের দেশে মূল্যবোধের স্তরটি ক্রমে নিম্নগামী হচ্ছে। মানুষ যেভাবে ক্রমেই বিদ্বেষপরায়ণ ও হিংসুটে স্বভাবের হয়ে উঠছে, তাতে সহনশীল হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। মানুষের নানা কারণেই সহনশীল হওয়া উচিত। পারস্পরিক সম্পর্কগুলো সুস্থ রাখার জন্য, মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধের জন্য, আস্থা ও ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় করার জন্য সহনশীলতা চর্চার বিকল্প নেই।
এই হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই তিনজনই সহোদর। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুততার সঙ্গে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।
বিগত সময়ে নারী ও শিশুহত্যার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ ধরা পড়লেও এবং তাদের কারও কারও বিচার হলেও এ ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা রোধ করা যাচ্ছে না। কেন এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে? তা নিয়েই আমাদের ভাবা দরকার। এ জন্য সমাজের সব অংশের বিবেকবান মানুষদের ভাবতে হবে।
শুধু আইন, বিচারব্যবস্থা দিয়ে নারী ও শিশুহত্যা রোধ করা যে যাবে না, তা স্পষ্ট। এ জন্য সামাজিক জাগরণ দরকার। তার জন্য রাজনীতিবিদসহ সমাজের সব অংশের মানুষের অংশগ্রহণ জরুরি। আর তা শুরু করতে হবে ঘর থেকে, শিক্ষালয় থেকে। নইলে এই আপদ কাটবে না।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫