পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন জলদস্যুমুক্ত হওয়ার তিন বছর পার হতে না হতেই আবারও জলদস্যুদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। জেলেদের নিরাপত্তার স্বার্থে সুন্দরবন এলাকায় র্যাবের ৫টি ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন, জেলা ফিশিং বোট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।
জেলেরা এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও বরগুনা–২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের জলসীমায় কোনো জলদস্যু নেই। পাশের দেশ ভারতের জলদস্যুরা বাংলাদেশে ঢুকে এ দেশের জেলেদের মালামাল লুট করছে ও জেলেদের হত্যা করছে।
২০১৮ সালের ১ নভেম্বর গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দস্যুমুক্ত এলাকা ঘোষণা করেন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘এখন থেকে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত। আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেছে।’ এর বাস্তবতাও লক্ষ্য করা গেছে টানা তিন বছর। এই তিন বছর বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন জলদস্যু মুক্ত ছিল। যে কারণে জেলেরা নির্বিঘ্নে মাছ শিকারের পাশাপাশি মওয়াল, বাওয়ালি, বনজীবী, বন্যপ্রাণী সবাই ছিল নিরাপদ।
তবে গত এক সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে প্রায় ১২টি মাছ ধরার ট্রলারের হামলা ও লুটসহ গুলি করে এক জেলেকে মেরে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে। এতে মৎসজীবীকার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা হতাশায় ভুগছেন। একাধিক জেলে জানান তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে মৎস্য শিকার পেশা পরিবর্তন করে স্থলে বিকল্প পেশা বেছে নেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিচ্ছেন।
জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সহসভাপতি আবুল হোসেন ফরাজী জানান, বিগত কয়েক যুগ জলদস্যুদের উৎপাতে অসহায় ছিল মৎস্যজীবীরা। জলদস্যুমুক্ত বঙ্গোপসাগর ঘোষণার পর জেলেরা সমুদ্রে নির্বিঘ্নে মাছ শিকার করতে পারলেও গত দুই বছর সমুদ্রে মাছ না থাকায় দিশেহারা জেলেরা। এর মধ্যে আবার বঙ্গোপসাগরে ডাকাতির ঘটনায় মালিকপক্ষ, জেলে, শ্রমিক ও মৎস্যজীবীকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েক লাখ মানুষ দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।
জেলা ফিশিং বোট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘সুন্দরবনের জলদস্যুরা যখন আত্মসমর্পণ করেছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি ছিল, সুন্দরবন এলাকায় অন্তত পাঁচটি র্যাবের ক্যাম্প স্থাপন করার। কিন্তু আজ পর্যন্ত এর কোনো বাস্তবতা দেখতে পারিনি।’
সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন এ বিষয়ে বলেন, ‘আমি খোঁজখবর নিয়েছি। বাংলাদেশের জলসীমায় কোনো জলদস্যু নেই। গত এক সপ্তাহে গভীর বঙ্গোপসাগরে যারা তাণ্ডব চালিয়েছে তাঁরা ভারতীয় জলদস্যু।’

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন জলদস্যুমুক্ত হওয়ার তিন বছর পার হতে না হতেই আবারও জলদস্যুদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। জেলেদের নিরাপত্তার স্বার্থে সুন্দরবন এলাকায় র্যাবের ৫টি ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন, জেলা ফিশিং বোট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।
জেলেরা এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও বরগুনা–২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের জলসীমায় কোনো জলদস্যু নেই। পাশের দেশ ভারতের জলদস্যুরা বাংলাদেশে ঢুকে এ দেশের জেলেদের মালামাল লুট করছে ও জেলেদের হত্যা করছে।
২০১৮ সালের ১ নভেম্বর গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দস্যুমুক্ত এলাকা ঘোষণা করেন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘এখন থেকে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত। আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেছে।’ এর বাস্তবতাও লক্ষ্য করা গেছে টানা তিন বছর। এই তিন বছর বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন জলদস্যু মুক্ত ছিল। যে কারণে জেলেরা নির্বিঘ্নে মাছ শিকারের পাশাপাশি মওয়াল, বাওয়ালি, বনজীবী, বন্যপ্রাণী সবাই ছিল নিরাপদ।
তবে গত এক সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে প্রায় ১২টি মাছ ধরার ট্রলারের হামলা ও লুটসহ গুলি করে এক জেলেকে মেরে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে। এতে মৎসজীবীকার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা হতাশায় ভুগছেন। একাধিক জেলে জানান তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে মৎস্য শিকার পেশা পরিবর্তন করে স্থলে বিকল্প পেশা বেছে নেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিচ্ছেন।
জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সহসভাপতি আবুল হোসেন ফরাজী জানান, বিগত কয়েক যুগ জলদস্যুদের উৎপাতে অসহায় ছিল মৎস্যজীবীরা। জলদস্যুমুক্ত বঙ্গোপসাগর ঘোষণার পর জেলেরা সমুদ্রে নির্বিঘ্নে মাছ শিকার করতে পারলেও গত দুই বছর সমুদ্রে মাছ না থাকায় দিশেহারা জেলেরা। এর মধ্যে আবার বঙ্গোপসাগরে ডাকাতির ঘটনায় মালিকপক্ষ, জেলে, শ্রমিক ও মৎস্যজীবীকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েক লাখ মানুষ দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।
জেলা ফিশিং বোট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘সুন্দরবনের জলদস্যুরা যখন আত্মসমর্পণ করেছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি ছিল, সুন্দরবন এলাকায় অন্তত পাঁচটি র্যাবের ক্যাম্প স্থাপন করার। কিন্তু আজ পর্যন্ত এর কোনো বাস্তবতা দেখতে পারিনি।’
সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন এ বিষয়ে বলেন, ‘আমি খোঁজখবর নিয়েছি। বাংলাদেশের জলসীমায় কোনো জলদস্যু নেই। গত এক সপ্তাহে গভীর বঙ্গোপসাগরে যারা তাণ্ডব চালিয়েছে তাঁরা ভারতীয় জলদস্যু।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫