সম্পাদকীয়

হতাশাজনক একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারির আজকের পত্রিকায়। মুনাফাখোরেরা এখনো বাজারে সক্রিয়, তাঁরাই নিয়ন্ত্রণ করছেন বাজার। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের মনে পড়ে যায়, দেশের প্রধানমন্ত্রীও দ্রব্যমূল্যের স্ফীতির ব্যাপারে তাঁর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এবারের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর আওয়ামী লীগের জন্য দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি যে একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
কিন্তু বাস্তবে কী দেখা যাচ্ছে? মুনাফাখোরেরা কি আদৌ সরকারি পদক্ষেপের কারণে ভয় পেয়ে গেছেন? তাঁরা কি সিন্ডিকেট ব্যবসা থেকে সরে এসেছেন? কেউ কি মুনাফা অর্জনের জন্য অবৈধ পথ গ্রহণ করার কারণে কড়া শাস্তির সম্মুখীন হয়েছেন? নাকি মন্ত্রী-সচিবদের হুংকারের মাধ্যমেই বাজার নিয়ন্ত্রণের গালগল্পের ইতি ঘটছে?
আমাদের এখানে যে সরকারি কোনো নিয়মই আর খাটছে না, এর ইঙ্গিত আছে ‘মুনাফাখোর চক্র সক্রিয় বাজারে’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিতে। আমরা সাদা চোখেই দেখতে পাচ্ছি, বিশ্ববাজারে চড়া মূল্যের কথা বলে আমদানি করা জিনিসপত্রের দাম যখন বাড়িয়ে দেওয়া হলো, তখন দেশে উৎপন্ন দ্রব্যের দামও বেড়ে গেল উপযুক্ত কোনো কারণ ছাড়াই। অথচ বিশ্ববাজারে যখন কমে এল দাম, তখন দেশের বাজারে কমল না। গত জানুয়ারি মাসে বিগত তিন বছরের মধ্যে খাদ্যপণ্যের দাম সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ে নেমে এসেছে।
এর কোনো প্রতিফলন নেই আমাদের বাজারে; বরং মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা সরকারের দেওয়া শুল্কছাড় পেয়ে যেমন লাভবান হয়েছেন, তেমনি এলসির সুবিধা লাভ করে আখের গুছিয়ে নিয়েছেন। সাধারণ জনগণ পেয়েছে শুধুই বঞ্চনা। সরকার হয়তো সদিচ্ছাবলেই ব্যবসায়ীদের ছাড় দিয়েছে, কিন্তু ব্যবসায়ীরা ছাড় পেলেও কেন তা ভোক্তার কোনো কাজে লাগল না, সে এক প্রশ্ন বটে। আর সরকার কেন পরবর্তীকালে তদারকি করেনি, সে প্রশ্নেরই বা জবাব দেবে কে? ফলে বাজার হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ীদের একচেটিয়া ব্যবসার ক্ষেত্র।
মানুষের আয় বাড়েনি, ব্যয় বেড়েছে অনেক। অনেকেই খাদ্যতালিকা থেকে পছন্দের খাবার বাদ দিয়েছেন, পোশাক-আশাকে খরচ কমিয়েছেন, ভ্রমণের লাগাম টেনে ধরেছেন। কৃষক ফসল ফলিয়ে তার ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। অথচ সেই পণ্যই চড়া দামে কিনতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাকে। তাহলে কৃষকের কাছ থেকে ভোক্তার কাছ পর্যন্ত পৌঁছানোর পথটিতে কারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করা কি খুব কঠিন কাজ? অথবা, যাঁরা খাদ্য বা পণ্য আমদানির জন্য শুল্কছাড় পাচ্ছেন, তাঁরা যখন এই দেশে তাঁদের খাদ্য বা পণ্যসামগ্রী বিক্রি করছেন, তখন তাঁদের মুনাফাই কেন বাড়ছে কেবল, ভোক্তা কেন এর নাগাল পাচ্ছেন না, তদন্ত করে দেখলে সেই গলদটাও কি পরিষ্কার হয় না?
অভিযানের ফলে দাম কমছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তাঁর কাছে বিনীত প্রশ্ন, মাংস আর পেঁয়াজের দাম নিয়ে যে ম্যাজিক কারবার চলছে, সে বিষয়ে তাঁরা কোনো পদক্ষেপ কি নিয়েছেন? এখনো সাধারণ ভোক্তার নাগালে আসেনি বাজার। এর দায় নিতে হবে সরকারকেই।

হতাশাজনক একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারির আজকের পত্রিকায়। মুনাফাখোরেরা এখনো বাজারে সক্রিয়, তাঁরাই নিয়ন্ত্রণ করছেন বাজার। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের মনে পড়ে যায়, দেশের প্রধানমন্ত্রীও দ্রব্যমূল্যের স্ফীতির ব্যাপারে তাঁর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এবারের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর আওয়ামী লীগের জন্য দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি যে একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
কিন্তু বাস্তবে কী দেখা যাচ্ছে? মুনাফাখোরেরা কি আদৌ সরকারি পদক্ষেপের কারণে ভয় পেয়ে গেছেন? তাঁরা কি সিন্ডিকেট ব্যবসা থেকে সরে এসেছেন? কেউ কি মুনাফা অর্জনের জন্য অবৈধ পথ গ্রহণ করার কারণে কড়া শাস্তির সম্মুখীন হয়েছেন? নাকি মন্ত্রী-সচিবদের হুংকারের মাধ্যমেই বাজার নিয়ন্ত্রণের গালগল্পের ইতি ঘটছে?
আমাদের এখানে যে সরকারি কোনো নিয়মই আর খাটছে না, এর ইঙ্গিত আছে ‘মুনাফাখোর চক্র সক্রিয় বাজারে’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিতে। আমরা সাদা চোখেই দেখতে পাচ্ছি, বিশ্ববাজারে চড়া মূল্যের কথা বলে আমদানি করা জিনিসপত্রের দাম যখন বাড়িয়ে দেওয়া হলো, তখন দেশে উৎপন্ন দ্রব্যের দামও বেড়ে গেল উপযুক্ত কোনো কারণ ছাড়াই। অথচ বিশ্ববাজারে যখন কমে এল দাম, তখন দেশের বাজারে কমল না। গত জানুয়ারি মাসে বিগত তিন বছরের মধ্যে খাদ্যপণ্যের দাম সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ে নেমে এসেছে।
এর কোনো প্রতিফলন নেই আমাদের বাজারে; বরং মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা সরকারের দেওয়া শুল্কছাড় পেয়ে যেমন লাভবান হয়েছেন, তেমনি এলসির সুবিধা লাভ করে আখের গুছিয়ে নিয়েছেন। সাধারণ জনগণ পেয়েছে শুধুই বঞ্চনা। সরকার হয়তো সদিচ্ছাবলেই ব্যবসায়ীদের ছাড় দিয়েছে, কিন্তু ব্যবসায়ীরা ছাড় পেলেও কেন তা ভোক্তার কোনো কাজে লাগল না, সে এক প্রশ্ন বটে। আর সরকার কেন পরবর্তীকালে তদারকি করেনি, সে প্রশ্নেরই বা জবাব দেবে কে? ফলে বাজার হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ীদের একচেটিয়া ব্যবসার ক্ষেত্র।
মানুষের আয় বাড়েনি, ব্যয় বেড়েছে অনেক। অনেকেই খাদ্যতালিকা থেকে পছন্দের খাবার বাদ দিয়েছেন, পোশাক-আশাকে খরচ কমিয়েছেন, ভ্রমণের লাগাম টেনে ধরেছেন। কৃষক ফসল ফলিয়ে তার ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। অথচ সেই পণ্যই চড়া দামে কিনতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাকে। তাহলে কৃষকের কাছ থেকে ভোক্তার কাছ পর্যন্ত পৌঁছানোর পথটিতে কারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করা কি খুব কঠিন কাজ? অথবা, যাঁরা খাদ্য বা পণ্য আমদানির জন্য শুল্কছাড় পাচ্ছেন, তাঁরা যখন এই দেশে তাঁদের খাদ্য বা পণ্যসামগ্রী বিক্রি করছেন, তখন তাঁদের মুনাফাই কেন বাড়ছে কেবল, ভোক্তা কেন এর নাগাল পাচ্ছেন না, তদন্ত করে দেখলে সেই গলদটাও কি পরিষ্কার হয় না?
অভিযানের ফলে দাম কমছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তাঁর কাছে বিনীত প্রশ্ন, মাংস আর পেঁয়াজের দাম নিয়ে যে ম্যাজিক কারবার চলছে, সে বিষয়ে তাঁরা কোনো পদক্ষেপ কি নিয়েছেন? এখনো সাধারণ ভোক্তার নাগালে আসেনি বাজার। এর দায় নিতে হবে সরকারকেই।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫