গাজী আবদুল কুদ্দুস, ডুমুরিয়া

ডুমুরিয়ায় মাধবকাটি-বিলপাটিলিয়া এলাকার কানকাটা খাল বাঁধ দিয়ে দখল করার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। খালে বাঁধ দেওয়ায় আসন্ন বর্ষায় এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এ অবস্থায় খালের বাঁধ অপসারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
সরেজমিনে এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের মাধবকাটি-বিলপাটিয়ালা এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহমান রয়েছে প্রায় ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য কানকাটা খাল। যা দিয়ে মাধবকাটি, বিলপাটিয়ালা, শাহপুর, থুকড়াসহ ৪-৫টি বিলের পানি নিষ্কাশন হয়ে থাকে। সম্প্রতি ওই খালে শাহাপুর এলাকার প্রভাবশালী জাফর সাদেক গাজী ও জাহাঙ্গীর আলম পিটু ক্রস বাঁধ দিয়ে খালটি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
গত ৩-৪ দিন ধরে খননযন্ত্র দিয়ে তাঁরা দেদারসে খালে বাঁধ দিচ্ছে। এদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। এর আগে থুকড়া এলাকার জিএম আ. রাজ্জাক, বিলপাটিয়ালা এলাকার রফিকুল পায়, লাভলু ওরফে তরিকুল হাওলাদার, সামছুর পায়, কুদ্দুস জমাদ্দার, আ. জব্বার খান, সোহরাব আকন সহ অনেকেই ওই খালটিতে কোথাও আংশিক বেড়িবাঁধ আবার কোথাও নেট পাটা দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। এতে পানি নিষ্কাশনে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে আসছে।
এ নিয়ে কথা হয় বিলপাটিয়ালা পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস শিকদার, কৃষক ইব্রাহিম হাওলাদার ও স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি শাজাহান হাওলাদারের সঙ্গে। তাঁরা অভিযোগ করে বলেন, আংশিক বেড়িবাঁধ ও নেট পাটা রয়েছে। তাই বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে তলিয়ে যায় এলাকা। আর এবার যেভাবে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে সরকারি খাল দখলে নেওয়া হচ্ছে তাতে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে কোনো সুযোগ না থাকায় বিল ডাকাতিয়ায় রূপান্তরিত হবে এ এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পথে বসবে শত শত কৃষক। প্রভাবশালী ওই মহলের ভয়ে মুখ খুলতে পারে না তারা, যে কারণে আশু প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় বাঁধ নির্মাণকারী জাফর সাদেক গাজী ও জাহাঙ্গীর আলম পিটুর সঙ্গে। তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘সবাই যখন খালে বাঁধ দিচ্ছে তখন আমরা দিলে দোষ কি?
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ‘খাল দখলের বিষয়টির খবর নিয়েছি। শিগগিরই খাল থেকে বাঁধ উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

ডুমুরিয়ায় মাধবকাটি-বিলপাটিলিয়া এলাকার কানকাটা খাল বাঁধ দিয়ে দখল করার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। খালে বাঁধ দেওয়ায় আসন্ন বর্ষায় এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এ অবস্থায় খালের বাঁধ অপসারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
সরেজমিনে এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের মাধবকাটি-বিলপাটিয়ালা এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহমান রয়েছে প্রায় ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য কানকাটা খাল। যা দিয়ে মাধবকাটি, বিলপাটিয়ালা, শাহপুর, থুকড়াসহ ৪-৫টি বিলের পানি নিষ্কাশন হয়ে থাকে। সম্প্রতি ওই খালে শাহাপুর এলাকার প্রভাবশালী জাফর সাদেক গাজী ও জাহাঙ্গীর আলম পিটু ক্রস বাঁধ দিয়ে খালটি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
গত ৩-৪ দিন ধরে খননযন্ত্র দিয়ে তাঁরা দেদারসে খালে বাঁধ দিচ্ছে। এদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। এর আগে থুকড়া এলাকার জিএম আ. রাজ্জাক, বিলপাটিয়ালা এলাকার রফিকুল পায়, লাভলু ওরফে তরিকুল হাওলাদার, সামছুর পায়, কুদ্দুস জমাদ্দার, আ. জব্বার খান, সোহরাব আকন সহ অনেকেই ওই খালটিতে কোথাও আংশিক বেড়িবাঁধ আবার কোথাও নেট পাটা দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। এতে পানি নিষ্কাশনে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে আসছে।
এ নিয়ে কথা হয় বিলপাটিয়ালা পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস শিকদার, কৃষক ইব্রাহিম হাওলাদার ও স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি শাজাহান হাওলাদারের সঙ্গে। তাঁরা অভিযোগ করে বলেন, আংশিক বেড়িবাঁধ ও নেট পাটা রয়েছে। তাই বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে তলিয়ে যায় এলাকা। আর এবার যেভাবে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে সরকারি খাল দখলে নেওয়া হচ্ছে তাতে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে কোনো সুযোগ না থাকায় বিল ডাকাতিয়ায় রূপান্তরিত হবে এ এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পথে বসবে শত শত কৃষক। প্রভাবশালী ওই মহলের ভয়ে মুখ খুলতে পারে না তারা, যে কারণে আশু প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় বাঁধ নির্মাণকারী জাফর সাদেক গাজী ও জাহাঙ্গীর আলম পিটুর সঙ্গে। তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘সবাই যখন খালে বাঁধ দিচ্ছে তখন আমরা দিলে দোষ কি?
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ‘খাল দখলের বিষয়টির খবর নিয়েছি। শিগগিরই খাল থেকে বাঁধ উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫