হিলি স্থলবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের হাকিমপুরে (হিলি) সার্ভার জটিলতাসহ নানা কারণে জন্মনিবন্ধন সনদ বিতরণে সৃষ্টি হয়েছে বিড়ম্বনা। স্কুল-কলেজে ভর্তি, ফরম পূরণসহ টিকাদানে সনদের প্রয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন পৌরসভায়। এতে ভুক্তভোগীরা ভোগান্তি কমিয়ে জন্মনিবন্ধন সনদ বিতরণ সহজ করার দাবি জানিয়েছেন।
ভোগান্তির কথা স্বীকার করে পৌরসভার জন্মনিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা শামীম আহসান বলেন, আগে সহজেই মানুষকে জন্মনিবন্ধন সনদ দিতে পারতাম, এখন কিন্তু নতুন সার্ভারের কারণে সেটি দিতে বেগ পেতে হচ্ছে। বিভিন্ন কাজে জন্মনিবন্ধন সনদের প্রয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণের চাপ বেড়ে গেছে পৌরসভায়।
এ ছাড়া শিশুর জন্মনিবন্ধন সনদ বের করতে হলে বাবা-মায়ের সনদের প্রয়োজন হচ্ছে। ২০০৭ সালে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়, পরে ২০১১ সালে এটি অনলাইন প্রক্রিয়ায় চলে যায়। অনেক বাবা-মা তাঁদের জন্মনিবন্ধন করেননি বা তাঁদের সনদে ভুল রয়ে গেছে। যার কারণে তাঁদের জন্মনিবন্ধন সনদ সংশোধন করে তারপর সন্তানের সনদ বের করতে হচ্ছে। এ কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে। শুধু এটি আমাদের পৌরসভায় নয়, পুরো বাংলাদেশে এই অবস্থা বিরাজ করছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি, জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদানের। দেশের যত সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে, সবাই এই সার্ভার ব্যবহার করে। তাই সার্ভারটা যদি আপডেট করা হতো, তাহলে এই সমস্যার অনেকটা উন্নতি হবে।’
জন্মনিবন্ধন নিতে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘সম্প্রতি স্কুলের শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা প্রদান শুরু হয়েছে। সে কারণে স্কুল থেকে আমার জন্মনিবন্ধনের কাগজ চাওয়া হয়েছে। জন্মনিবন্ধন নিতে কয়েক দিন ধরে ঘুরছি কিন্তু পাচ্ছি না। কর্তৃপক্ষ বলেছে, সার্ভারে সমস্যার কারণে জন্মনিবন্ধনের কাজ হচ্ছে না।’
ছেলের জন্মনিবন্ধনের ভুল ঠিক করতে আসা তোজাম্মেল আলী বলেন, ‘ছেলের স্কুলের সার্টিফিকেটে এক তারিখ আর জন্মনিবন্ধনে অন্য তারিখ, সে কারণে কয়েক দিন ধরে ঘুরছি, কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। এগুলো সমাধানের জন্য যদি সরকার পদক্ষেপ নেয়, তাহলে আমাদের জন্য ভালো হতো।’
রবিউল ইসলাম নামের এক অভিভাবক বলেন, ‘জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের জন্য এসেছি, কিন্তু সার্ভার সমস্যার কারণে তা হচ্ছে না। এটি দ্রুততার সঙ্গে পাওয়া গেলে ভালো হতো।’
হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন বলেন, অনেকেই হাতে লেখা জন্মনিবন্ধন নিয়ে আসছেন। এতে ভুল থাকায় সার্ভারে নতুন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

দিনাজপুরের হাকিমপুরে (হিলি) সার্ভার জটিলতাসহ নানা কারণে জন্মনিবন্ধন সনদ বিতরণে সৃষ্টি হয়েছে বিড়ম্বনা। স্কুল-কলেজে ভর্তি, ফরম পূরণসহ টিকাদানে সনদের প্রয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন পৌরসভায়। এতে ভুক্তভোগীরা ভোগান্তি কমিয়ে জন্মনিবন্ধন সনদ বিতরণ সহজ করার দাবি জানিয়েছেন।
ভোগান্তির কথা স্বীকার করে পৌরসভার জন্মনিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা শামীম আহসান বলেন, আগে সহজেই মানুষকে জন্মনিবন্ধন সনদ দিতে পারতাম, এখন কিন্তু নতুন সার্ভারের কারণে সেটি দিতে বেগ পেতে হচ্ছে। বিভিন্ন কাজে জন্মনিবন্ধন সনদের প্রয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণের চাপ বেড়ে গেছে পৌরসভায়।
এ ছাড়া শিশুর জন্মনিবন্ধন সনদ বের করতে হলে বাবা-মায়ের সনদের প্রয়োজন হচ্ছে। ২০০৭ সালে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়, পরে ২০১১ সালে এটি অনলাইন প্রক্রিয়ায় চলে যায়। অনেক বাবা-মা তাঁদের জন্মনিবন্ধন করেননি বা তাঁদের সনদে ভুল রয়ে গেছে। যার কারণে তাঁদের জন্মনিবন্ধন সনদ সংশোধন করে তারপর সন্তানের সনদ বের করতে হচ্ছে। এ কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে। শুধু এটি আমাদের পৌরসভায় নয়, পুরো বাংলাদেশে এই অবস্থা বিরাজ করছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি, জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদানের। দেশের যত সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে, সবাই এই সার্ভার ব্যবহার করে। তাই সার্ভারটা যদি আপডেট করা হতো, তাহলে এই সমস্যার অনেকটা উন্নতি হবে।’
জন্মনিবন্ধন নিতে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘সম্প্রতি স্কুলের শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা প্রদান শুরু হয়েছে। সে কারণে স্কুল থেকে আমার জন্মনিবন্ধনের কাগজ চাওয়া হয়েছে। জন্মনিবন্ধন নিতে কয়েক দিন ধরে ঘুরছি কিন্তু পাচ্ছি না। কর্তৃপক্ষ বলেছে, সার্ভারে সমস্যার কারণে জন্মনিবন্ধনের কাজ হচ্ছে না।’
ছেলের জন্মনিবন্ধনের ভুল ঠিক করতে আসা তোজাম্মেল আলী বলেন, ‘ছেলের স্কুলের সার্টিফিকেটে এক তারিখ আর জন্মনিবন্ধনে অন্য তারিখ, সে কারণে কয়েক দিন ধরে ঘুরছি, কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। এগুলো সমাধানের জন্য যদি সরকার পদক্ষেপ নেয়, তাহলে আমাদের জন্য ভালো হতো।’
রবিউল ইসলাম নামের এক অভিভাবক বলেন, ‘জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের জন্য এসেছি, কিন্তু সার্ভার সমস্যার কারণে তা হচ্ছে না। এটি দ্রুততার সঙ্গে পাওয়া গেলে ভালো হতো।’
হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন বলেন, অনেকেই হাতে লেখা জন্মনিবন্ধন নিয়ে আসছেন। এতে ভুল থাকায় সার্ভারে নতুন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫