মুফতি আবু আবদুল্লাহ আহমদ

শিশুরা দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। একটি জাতির ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে কি অসুন্দর হবে—তা নির্ভর করে শিশুদের বেড়ে ওঠার ওপর। তাদের যদি আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তারা জাতিকে পথ দেখাবে। অন্যথায় তারা একেকজন দেশ ও জাতির অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
এ কথা অনস্বীকার্য যে শিশুদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। কারণ ধর্ম মানুষকে তার সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে পরিচয় করে দেয়।
তাঁর আদেশ-নিষেধ ও পছন্দ-অপছন্দ জানিয়ে দেয়। উত্তম চরিত্র ও নৈতিকতা শেখায়। গর্হিত স্বভাব ও কাজ থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করে। এভাবেই ধর্মীয় শিক্ষা একটি শিশুকে একজন নীতিমান মানুষে পরিণত করে। এ কারণেই ইসলামে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার প্রতি অত্যন্ত জোর দেওয়া হয়েছে।
রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘তোমরা সন্তানদের (শিশুদের) স্নেহ করো, তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করো এবং তাদের সদাচরণ ও শিষ্টাচার শেখাও।’
(তিরমিজি) অন্য হাদিসে বলেন, ‘বাবার পক্ষ থেকে সন্তানের প্রতি সর্বোত্তম উপহার হলো উত্তম শিক্ষা।’ (তিরমিজি) আরেক হাদিসে বলেন, ‘তোমরা তোমাদের শিশুদের তিনটি স্বভাবের ওপর প্রতিষ্ঠিত করে তোলো—তোমাদের নবীর প্রতি ভালোবাসা, নবীর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা এবং কোরআন অধ্যয়ন। কেননা, কোরআনের ধারকেরাই সেদিন (কেয়ামতের দিন) নবী ও সজ্জনদের সঙ্গে আরশের ছায়ায় অবস্থান করবে, যেদিন আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না।’ (তাবরানি) অন্য হাদিসে বলেন, ‘নৈতিক শিক্ষা মা-বাবার ওপর শিশুর অধিকার।’ (বায়হাকি) খলিফা ওমর (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর কিতাব (কোরআন) শেখানো মা-বাবার ওপর সন্তানের অধিকার।’ (তারবিয়াতুল আওলাদ)
শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টিকে ইসলাম বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে। তাই মুসলমান হিসেবে অবশ্যই আমাদের সন্তানদের ইসলামের মৌলিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা অর্থাৎ ইমান-আকিদা, আদব-আখলাক, বিশুদ্ধ কোরআন তিলাওয়াত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দোয়া ও মাসায়েল শেখানো অভিভাবকদের জন্য ফরজ।
আমাদের শিশুরা ভবিষ্যতে চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী যা-ই হোক না কেন, একজন প্রকৃত মুসলমান হিসেবে তারা সব সময় সত্য ও সততার ওপর অবিচল থাকবে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে।
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

শিশুরা দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। একটি জাতির ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে কি অসুন্দর হবে—তা নির্ভর করে শিশুদের বেড়ে ওঠার ওপর। তাদের যদি আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তারা জাতিকে পথ দেখাবে। অন্যথায় তারা একেকজন দেশ ও জাতির অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
এ কথা অনস্বীকার্য যে শিশুদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। কারণ ধর্ম মানুষকে তার সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে পরিচয় করে দেয়।
তাঁর আদেশ-নিষেধ ও পছন্দ-অপছন্দ জানিয়ে দেয়। উত্তম চরিত্র ও নৈতিকতা শেখায়। গর্হিত স্বভাব ও কাজ থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করে। এভাবেই ধর্মীয় শিক্ষা একটি শিশুকে একজন নীতিমান মানুষে পরিণত করে। এ কারণেই ইসলামে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার প্রতি অত্যন্ত জোর দেওয়া হয়েছে।
রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘তোমরা সন্তানদের (শিশুদের) স্নেহ করো, তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করো এবং তাদের সদাচরণ ও শিষ্টাচার শেখাও।’
(তিরমিজি) অন্য হাদিসে বলেন, ‘বাবার পক্ষ থেকে সন্তানের প্রতি সর্বোত্তম উপহার হলো উত্তম শিক্ষা।’ (তিরমিজি) আরেক হাদিসে বলেন, ‘তোমরা তোমাদের শিশুদের তিনটি স্বভাবের ওপর প্রতিষ্ঠিত করে তোলো—তোমাদের নবীর প্রতি ভালোবাসা, নবীর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা এবং কোরআন অধ্যয়ন। কেননা, কোরআনের ধারকেরাই সেদিন (কেয়ামতের দিন) নবী ও সজ্জনদের সঙ্গে আরশের ছায়ায় অবস্থান করবে, যেদিন আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না।’ (তাবরানি) অন্য হাদিসে বলেন, ‘নৈতিক শিক্ষা মা-বাবার ওপর শিশুর অধিকার।’ (বায়হাকি) খলিফা ওমর (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর কিতাব (কোরআন) শেখানো মা-বাবার ওপর সন্তানের অধিকার।’ (তারবিয়াতুল আওলাদ)
শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টিকে ইসলাম বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে। তাই মুসলমান হিসেবে অবশ্যই আমাদের সন্তানদের ইসলামের মৌলিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা অর্থাৎ ইমান-আকিদা, আদব-আখলাক, বিশুদ্ধ কোরআন তিলাওয়াত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দোয়া ও মাসায়েল শেখানো অভিভাবকদের জন্য ফরজ।
আমাদের শিশুরা ভবিষ্যতে চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী যা-ই হোক না কেন, একজন প্রকৃত মুসলমান হিসেবে তারা সব সময় সত্য ও সততার ওপর অবিচল থাকবে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে।
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫