শাহরিয়ার হাসান, ঢাকা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব, সাজাপ্রাপ্ত আসামি হারিছ চৌধুরী বেঁচে আছেন না মারা গেছেন, তা নিয়ে বেশ আলোচনা রয়েছে। তবে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিতের পর সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, তিনি মারা গেছেন। সেই বিশ্বাসের সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে এত দিন পুলিশের নাকের ডগায় তিনি কী করে ঘুরে বেড়ালেন? এর সহজ উত্তর, তিনি কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করতেন না।
আরেকটি ঘটনা। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজিজুল হক রানা সাজা মাথায় নিয়ে ২২ বছর পলাতক ছিলেন। ধরা পড়ার পর খোঁজ করা হলো, এত দিন তিনি কী করে পলাতক থাকলেন? তার উত্তর তিনি নিজেই রিমান্ডের জিজ্ঞাসাবাদে দিয়েছেন। বলেছেন, ১৫ বছর ধরে তিনি ফোন ব্যবহার করতেন না। ফলে কেউ তাঁর অবস্থা জানতে পারেনি।
দুটি জলজ্যান্ত ঘটনা থেকে যা পাওয়া গেল তা হলো, কোনো অপরাধী যদি প্রযুক্তির বাইরে থাকেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে আর সহজে ধরতে পারছেন না। তাঁরা অন্ধকারে থাকছেন। তবে মামলা তদন্তে পুলিশের এই প্রযুক্তিনির্ভরতা ছিল না। বছর দশেক হলো অপরাধী ধরতে প্রযুক্তির ওপর ভরসা করতে শুরু করে পুলিশ। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে প্রযুক্তি ব্যবহার না করলেই পুলিশ আর কাউকে খুঁজে পায় না।
সিআইডির প্রধান পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান অবশ্য বলছেন, বিষয়টি ঠিক এমন নয়। তবে কোনো অপরাধের শিকার বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির মুঠোফোন ব্যবহারের অভ্যাস জানলে তাঁর চরিত্র এবং অবস্থান সম্পর্কে অনেকটাই ধারণা পাওয়া যায়। না হলে তুলনামূলক কাজটি কঠিন হয়ে পড়ে।
আজকের জমানায় এসে এটা মানতে হবে যে অপরাধী শনাক্তকরণ ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি খুবই জরুরি। কোথাও কোনো অপরাধ ঘটামাত্রই শুরু হয় ওই এলাকায় ব্যবহৃত মুঠোফোনের ওপর নজরদারি। কেউ হত্যার শিকার হলে তাঁর মুঠোফোন নম্বর আগেই চলে যাচ্ছে পুলিশের কবজায়। শুরু হয় বিস্তর বিশ্লেষণ। আবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা আইডি দিয়েও নজরদারি করা হচ্ছে। তাতে সফলতাও অনেক আছে। তারপরও এত অর্জনের পাশাপাশি ব্যর্থতার গল্প কম নেই।
কেন এই ব্যর্থতা? ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার নাঈম আহমেদের কথায় তার জবাব মিলেছে। তিনি বলেছেন, অপরাধ ও অপরাধী শনাক্তের যে প্রচলিত পদ্ধতি ছিল, সেখান থেকে সরে এসেছে পুলিশ। তারা এখন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়েছে। এটা সব ক্ষেত্রে যে কাজ করছে, তা নয়। কোথাও ব্যর্থ হচ্ছে পুলিশ।
এই বক্তব্যের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যায় ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খুনি চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াউল হক জিয়ার ঘটনা। অনেক দিন ধরেই পুলিশ তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না। কিন্তু কেউ তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না।
জিয়া কেন ধরা পড়ছে না–এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেছিলেন, ‘আমরা যে পদ্ধতি ব্যবহার করে অপরাধী গ্রেপ্তার করি, তা তিনি জানেন। সে কারণে তিনি কোনো ডিভাইস ব্যবহার করেন না। প্রচলিত পদ্ধতি ব্যবহার করে তাঁকে ধরা যাচ্ছে না।’ প্রশ্ন উঠতেই পারে, তাহলে জিয়া কি কোনো দিন ধরা পড়বে না?
অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে অপরাধ শনাক্তে পুলিশ তাদের সোর্স ব্যবহার করত। পক্ষে-বিপক্ষের লোকজনের কাছে গিয়ে খবর নিতেন। তদন্তকারী মামলা তদন্তে অনেক সময় দিতেন। এখন তদন্ত হচ্ছে ঝটপট। এখন কোনো ঘটনা ঘটলে শুরুতেই ওই এলাকায় ব্যবহৃত মুঠোফোনের কল ও খুদে বার্তা আদান-প্রদানের তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ফেসবুক আইডি বা সিসি ক্যামেরা আছে কি না, তার খোঁজখবর করা হচ্ছে। আর এসব পাওয়া না গেলেই হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হচ্ছে তদন্তকারীকে।
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্সের প্রফেসর ও গবেষক ড. মোহাম্মাদ ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবহার করা এই সাধারণ প্রযুক্তির বিষয়ে অপরাধীদেরও বেশ জানাশোনা রয়েছে। এতে সব সময় কাজ নাও হতে পারে।
মামলা তদন্তর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গণমাধ্যমের কল্যাণে পুলিশের এই প্রযুক্তির নির্ভরতার কথা অপরাধীরাও জেনে গেছেন। যেমন কোথাও ছিনতাই হলে ছিনতাইকারীরা আগে মোবাইল ফোন বন্ধ করে ফেলছেন, যাতে ধরা না পড়েন। অন্য অপরাধের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনার অনেক উদাহরণ রয়েছে।
পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেছেন, প্রযুক্তির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে সোর্স বা ইনফরমার থাকাও অপরিহার্য। শুধু প্রযুক্তিনির্ভর না হয়ে সোর্সের তথ্যের আর প্রযুক্তি দিয়ে যাচাই করতে পারলেই তদন্ত সঠিক পথে এগোবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব, সাজাপ্রাপ্ত আসামি হারিছ চৌধুরী বেঁচে আছেন না মারা গেছেন, তা নিয়ে বেশ আলোচনা রয়েছে। তবে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিতের পর সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, তিনি মারা গেছেন। সেই বিশ্বাসের সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে এত দিন পুলিশের নাকের ডগায় তিনি কী করে ঘুরে বেড়ালেন? এর সহজ উত্তর, তিনি কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করতেন না।
আরেকটি ঘটনা। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজিজুল হক রানা সাজা মাথায় নিয়ে ২২ বছর পলাতক ছিলেন। ধরা পড়ার পর খোঁজ করা হলো, এত দিন তিনি কী করে পলাতক থাকলেন? তার উত্তর তিনি নিজেই রিমান্ডের জিজ্ঞাসাবাদে দিয়েছেন। বলেছেন, ১৫ বছর ধরে তিনি ফোন ব্যবহার করতেন না। ফলে কেউ তাঁর অবস্থা জানতে পারেনি।
দুটি জলজ্যান্ত ঘটনা থেকে যা পাওয়া গেল তা হলো, কোনো অপরাধী যদি প্রযুক্তির বাইরে থাকেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে আর সহজে ধরতে পারছেন না। তাঁরা অন্ধকারে থাকছেন। তবে মামলা তদন্তে পুলিশের এই প্রযুক্তিনির্ভরতা ছিল না। বছর দশেক হলো অপরাধী ধরতে প্রযুক্তির ওপর ভরসা করতে শুরু করে পুলিশ। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে প্রযুক্তি ব্যবহার না করলেই পুলিশ আর কাউকে খুঁজে পায় না।
সিআইডির প্রধান পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান অবশ্য বলছেন, বিষয়টি ঠিক এমন নয়। তবে কোনো অপরাধের শিকার বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির মুঠোফোন ব্যবহারের অভ্যাস জানলে তাঁর চরিত্র এবং অবস্থান সম্পর্কে অনেকটাই ধারণা পাওয়া যায়। না হলে তুলনামূলক কাজটি কঠিন হয়ে পড়ে।
আজকের জমানায় এসে এটা মানতে হবে যে অপরাধী শনাক্তকরণ ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি খুবই জরুরি। কোথাও কোনো অপরাধ ঘটামাত্রই শুরু হয় ওই এলাকায় ব্যবহৃত মুঠোফোনের ওপর নজরদারি। কেউ হত্যার শিকার হলে তাঁর মুঠোফোন নম্বর আগেই চলে যাচ্ছে পুলিশের কবজায়। শুরু হয় বিস্তর বিশ্লেষণ। আবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা আইডি দিয়েও নজরদারি করা হচ্ছে। তাতে সফলতাও অনেক আছে। তারপরও এত অর্জনের পাশাপাশি ব্যর্থতার গল্প কম নেই।
কেন এই ব্যর্থতা? ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার নাঈম আহমেদের কথায় তার জবাব মিলেছে। তিনি বলেছেন, অপরাধ ও অপরাধী শনাক্তের যে প্রচলিত পদ্ধতি ছিল, সেখান থেকে সরে এসেছে পুলিশ। তারা এখন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়েছে। এটা সব ক্ষেত্রে যে কাজ করছে, তা নয়। কোথাও ব্যর্থ হচ্ছে পুলিশ।
এই বক্তব্যের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যায় ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খুনি চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াউল হক জিয়ার ঘটনা। অনেক দিন ধরেই পুলিশ তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না। কিন্তু কেউ তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না।
জিয়া কেন ধরা পড়ছে না–এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেছিলেন, ‘আমরা যে পদ্ধতি ব্যবহার করে অপরাধী গ্রেপ্তার করি, তা তিনি জানেন। সে কারণে তিনি কোনো ডিভাইস ব্যবহার করেন না। প্রচলিত পদ্ধতি ব্যবহার করে তাঁকে ধরা যাচ্ছে না।’ প্রশ্ন উঠতেই পারে, তাহলে জিয়া কি কোনো দিন ধরা পড়বে না?
অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে অপরাধ শনাক্তে পুলিশ তাদের সোর্স ব্যবহার করত। পক্ষে-বিপক্ষের লোকজনের কাছে গিয়ে খবর নিতেন। তদন্তকারী মামলা তদন্তে অনেক সময় দিতেন। এখন তদন্ত হচ্ছে ঝটপট। এখন কোনো ঘটনা ঘটলে শুরুতেই ওই এলাকায় ব্যবহৃত মুঠোফোনের কল ও খুদে বার্তা আদান-প্রদানের তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ফেসবুক আইডি বা সিসি ক্যামেরা আছে কি না, তার খোঁজখবর করা হচ্ছে। আর এসব পাওয়া না গেলেই হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হচ্ছে তদন্তকারীকে।
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্সের প্রফেসর ও গবেষক ড. মোহাম্মাদ ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবহার করা এই সাধারণ প্রযুক্তির বিষয়ে অপরাধীদেরও বেশ জানাশোনা রয়েছে। এতে সব সময় কাজ নাও হতে পারে।
মামলা তদন্তর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গণমাধ্যমের কল্যাণে পুলিশের এই প্রযুক্তির নির্ভরতার কথা অপরাধীরাও জেনে গেছেন। যেমন কোথাও ছিনতাই হলে ছিনতাইকারীরা আগে মোবাইল ফোন বন্ধ করে ফেলছেন, যাতে ধরা না পড়েন। অন্য অপরাধের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনার অনেক উদাহরণ রয়েছে।
পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেছেন, প্রযুক্তির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে সোর্স বা ইনফরমার থাকাও অপরিহার্য। শুধু প্রযুক্তিনির্ভর না হয়ে সোর্সের তথ্যের আর প্রযুক্তি দিয়ে যাচাই করতে পারলেই তদন্ত সঠিক পথে এগোবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫