ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

ছয় বছর ধরে গাভি পালন করে সংসারে সচ্ছলতা ফিরিয়েছেন আম্বিয়া বেগম। তাঁর খামারে এখন ৮টি ফ্রিজিয়ান গাভি ও ৩টি বাছুর। দুধ বিক্রির টাকায় দুই ছেলেমেয়েকে পড়াশোনা করাচ্ছেন। প্রতি মাসের লাভের টাকা বিভিন্ন ব্যবসায়ও খাটাচ্ছেন তিনি।
আম্বিয়ার বাড়ি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার কামালপুর গ্রামে। এর আগে অভাবের সংসারে স্বামী-সন্তান নিয়ে বেশ কষ্টে দিন পার করেন তিনি। স্বামীর সামান্য আয়ে তাঁদের সংসার চলতো না।
জানা যায়, সংসারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে চোখে ঘুম ছিল না আম্বিয়ার। পণ করেন যেভাবেই হোক তিনি আয় রোজগারের চেষ্টা করবেন। নিজের সঞ্চয়ের ৪০ হাজার টাকা এবং স্থানীয় বেসরকারি এনজিও আশা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ৮০ হাজার টাকায় বিদেশি জাতের একটি গরুর বাছুর কেনেন। কিন্তু সেই বাছুর লালন-পালন করতে গিয়ে রোগ ব্যাধিসহ নানা সমস্যায় পড়ে। বাধ্য হয়ে অল্প দামে বিক্রি করে দেন। বাছুর বিক্রির টাকা এবং অন্য আর একটি এনজিও ঠেঙ্গামারা সমবায় সমিতি থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা নিয়ে একটি ফ্রিজিয়ান গাভি কেনেন। এরপর থেকে আম্বিয়া বেগমের পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
গাভি পালন করার পাশাপাশি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে প্রশিক্ষণ নেন। ফলে গরুর কোনো সমস্যা হলে ছুটে যেতে হয় না চিকিৎসকের কাছে। তিনি নিজেই সবকিছু দেখভাল করেন। গরুকে সকাল-বিকেল গোসল করানো, দুধ দোয়ানো, খাবার দেওয়া থেকে শুরু করে গরুর যত্ন সবকিছুই নিজেই করেন।
আম্বিয়া জানান, একটি গরু থেকে তাঁর খামারে এখন ৮টি গরু ও ৩টি বাছুর। নিজের বাড়ির ২০ শতাংশ জমির পাশাপাশি আরও ৩০ শতাংশ জমি কিনেছেন। যেখানে চাষ করেছেন বিদেশি ঘাস ও শাকসবজি। ঘাস গরুকে খাওয়ানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করছেন। এখন তাঁর খামারে দুজন শ্রমিক কাজ করেন। প্রতিদিন ৫টি গাভি থেকে দুধ পান ৮০ কেজি। ৪০ টাকা দরে স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি কয়েকজন চায়ের দোকানদার এবং পাইকারের কাছে বিক্রি করেন। প্রতি মাসে দুধ বিক্রি করে তার আয় হয় এক লাখ ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা।
গরুর ওষুধ, ভুসি, খৈল শ্রমিক ব্যয় সবকিছু খরচ বাদ দিয়ে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করেন। প্রতি মাসে টাকা জমিয়ে তিনি জমি কিনেছেন। এ ছাড়া ধান চালের ব্যবসায়ে দুই লাখ টাকা খাটাচ্ছেন। গাভি পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ায় ফুলবাড়ীতে আদর্শ খামারি হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আম্বিয়া।
দিনবদলের গল্প এখন উপজেলার গণ্ডি পেরিয়ে বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে গেছে। এখন স্থানীয় গ্ৰামসহ আশপাশের গ্ৰামের অনেকেই গাভি পালনের দিকে ঝুঁকছেন। তাঁরা বিভিন্ন সময়ে তার কাছে পরামর্শ নিতে। আম্বিয়া তাঁদের নানা পরামর্শ ও সাহায্য করছেন। কোনো কাজকে উপেক্ষা না করে কঠোর পরিশ্রম করলে সফলতা আসবে বলে জানান আম্বিয়া।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষ্ণমোহন হালদার বলেন, ‘আম্বিয়া একজন সফল খামারি ও উদ্যোক্তা। নারীদের মধ্যে তিনি সবার জন্য উদাহরণ। আমরা তাঁকে পরামর্শ এবং চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।’

ছয় বছর ধরে গাভি পালন করে সংসারে সচ্ছলতা ফিরিয়েছেন আম্বিয়া বেগম। তাঁর খামারে এখন ৮টি ফ্রিজিয়ান গাভি ও ৩টি বাছুর। দুধ বিক্রির টাকায় দুই ছেলেমেয়েকে পড়াশোনা করাচ্ছেন। প্রতি মাসের লাভের টাকা বিভিন্ন ব্যবসায়ও খাটাচ্ছেন তিনি।
আম্বিয়ার বাড়ি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার কামালপুর গ্রামে। এর আগে অভাবের সংসারে স্বামী-সন্তান নিয়ে বেশ কষ্টে দিন পার করেন তিনি। স্বামীর সামান্য আয়ে তাঁদের সংসার চলতো না।
জানা যায়, সংসারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে চোখে ঘুম ছিল না আম্বিয়ার। পণ করেন যেভাবেই হোক তিনি আয় রোজগারের চেষ্টা করবেন। নিজের সঞ্চয়ের ৪০ হাজার টাকা এবং স্থানীয় বেসরকারি এনজিও আশা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ৮০ হাজার টাকায় বিদেশি জাতের একটি গরুর বাছুর কেনেন। কিন্তু সেই বাছুর লালন-পালন করতে গিয়ে রোগ ব্যাধিসহ নানা সমস্যায় পড়ে। বাধ্য হয়ে অল্প দামে বিক্রি করে দেন। বাছুর বিক্রির টাকা এবং অন্য আর একটি এনজিও ঠেঙ্গামারা সমবায় সমিতি থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা নিয়ে একটি ফ্রিজিয়ান গাভি কেনেন। এরপর থেকে আম্বিয়া বেগমের পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
গাভি পালন করার পাশাপাশি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে প্রশিক্ষণ নেন। ফলে গরুর কোনো সমস্যা হলে ছুটে যেতে হয় না চিকিৎসকের কাছে। তিনি নিজেই সবকিছু দেখভাল করেন। গরুকে সকাল-বিকেল গোসল করানো, দুধ দোয়ানো, খাবার দেওয়া থেকে শুরু করে গরুর যত্ন সবকিছুই নিজেই করেন।
আম্বিয়া জানান, একটি গরু থেকে তাঁর খামারে এখন ৮টি গরু ও ৩টি বাছুর। নিজের বাড়ির ২০ শতাংশ জমির পাশাপাশি আরও ৩০ শতাংশ জমি কিনেছেন। যেখানে চাষ করেছেন বিদেশি ঘাস ও শাকসবজি। ঘাস গরুকে খাওয়ানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করছেন। এখন তাঁর খামারে দুজন শ্রমিক কাজ করেন। প্রতিদিন ৫টি গাভি থেকে দুধ পান ৮০ কেজি। ৪০ টাকা দরে স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি কয়েকজন চায়ের দোকানদার এবং পাইকারের কাছে বিক্রি করেন। প্রতি মাসে দুধ বিক্রি করে তার আয় হয় এক লাখ ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা।
গরুর ওষুধ, ভুসি, খৈল শ্রমিক ব্যয় সবকিছু খরচ বাদ দিয়ে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করেন। প্রতি মাসে টাকা জমিয়ে তিনি জমি কিনেছেন। এ ছাড়া ধান চালের ব্যবসায়ে দুই লাখ টাকা খাটাচ্ছেন। গাভি পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ায় ফুলবাড়ীতে আদর্শ খামারি হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আম্বিয়া।
দিনবদলের গল্প এখন উপজেলার গণ্ডি পেরিয়ে বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে গেছে। এখন স্থানীয় গ্ৰামসহ আশপাশের গ্ৰামের অনেকেই গাভি পালনের দিকে ঝুঁকছেন। তাঁরা বিভিন্ন সময়ে তার কাছে পরামর্শ নিতে। আম্বিয়া তাঁদের নানা পরামর্শ ও সাহায্য করছেন। কোনো কাজকে উপেক্ষা না করে কঠোর পরিশ্রম করলে সফলতা আসবে বলে জানান আম্বিয়া।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষ্ণমোহন হালদার বলেন, ‘আম্বিয়া একজন সফল খামারি ও উদ্যোক্তা। নারীদের মধ্যে তিনি সবার জন্য উদাহরণ। আমরা তাঁকে পরামর্শ এবং চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫