আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ড্রাম বয়লারের চালকলগুলো (হাসকিং রাইস মিল) বন্ধ হওয়ার পথে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ধান ও চালের মূল্যের ব্যবধান তো আছেই। সেই সঙ্গে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অটোরাইস মিলের দাপট। নানা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে উপজেলার চাতাল মিলগুলোর মালিকদের দুর্দিন চলছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অটোরাইস মিলের চালের মানের তুলনায় চালকলের তৈরি চাল কিছুটা নিম্ন মানের। এ জন্য চলমান বাজারে তা টিকতে পারছে না। অন্যদিকে বর্তমান ধানের বাজারমূল্যের সঙ্গে চালের দাম সমন্বয়হীনতা আছে। যার কারণে চালকল ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের লোকসান দেখা দিচ্ছে।
বর্তমান বাজারদরে ধান কিনে চালের বাজারে বিক্রি করতে গেলে ধান ক্রয় ও চালের বিক্রির মধ্যে সমন্বয় না থাকায় লোকসানের কারণে ইতিমধ্যেই উপজেলার অধিকাংশ চালকল বন্ধ হয়ে গেছে। এই চাতালগুলোতে একসময় শ্রমিকদের কর্মচঞ্চলতা দেখা যেত। তবে নানা সংকটে তা বন্ধ হওয়ায় শত শত শ্রমিক কর্ম হারিয়ে বেকার হয়ে অভাব-অনটনে জীবনযাপন করছেন।
আদমদীঘি উপজেলার খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, আশির দশকের শুরুতে আদমদীঘি সদর, সান্তাহার, মুরইল, নসরতপুর, কুন্দগ্রাম ও চাঁপাপুর এলাকার বেশকিছু জায়গায় চালকলের ব্যবসা শুরু হয়। সেই সময় থেকেই রমরমা ব্যবসা হওয়ার সুবাদে কিছু উদ্যমী ব্যবসায়ী পর্যায়ক্রমে চাতাল তৈরি করেন।
এই চাতালগুলোতে যে পরিমাণ চাল উৎপাদন হতো, তা দিয়ে এ অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হতো। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ী যেমন তাঁদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে লাভবান হতেন, তেমনি এই চাতালগুলোতে সৃষ্টি হয়েছিল শত দরিদ্র নারী-পুরুষ শ্রমিকের কর্মসংস্থান। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত চাল ব্যবসায়ী ও মালিক-শ্রমিকদের অনেকেই দারিদ্র্য জয় করে পুঁজিপতি বনে গেছেন।
বর্তমানে উপজেলায় ১৪টি অটোমেটিক রাইস মিল এবং ১৭৪টি চালকল রয়েছে। অনেক চালকলের মালিক হতাশাই তাঁদের ব্যবসা গুটিয়েছেন। চালের মতো সুনামখ্যাত ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশার দিকে ধাবিত হয়েছেন তাঁরা।
উপজেলার একরাম চালকলের স্বত্বাধিকারী চাতাল ব্যবসায়ী একরাম হোসেন মণ্ডল জানান, বর্তমান মৌসুমে চলতি দরে বাজার থেকে ধান কিনে যে পরিমাণ চাল হয়, সে মোতাবেক বাজারে বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা; লোকসানের ঘানি টেনে ব্যবসা চালু রাখা কঠিন। এ জন্য চালকলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
একরাম হোসেন মণ্ডল আরও বলেন, ‘আমাদের তৈরি চাল আর অটোরাইস মিলের চালের দর প্রকারভেদে প্রতি মণে এক শ থেকে দেড় শ টাকা বেশি। অথচ বাজার থেকে ধান কেনার সময় প্রায় একই দরে কেনা হয়।’
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কে এম গোলাম রব্বানী জানান, অটোরাইস মিলের চালের মানের সঙ্গে সাধারণ চালকলের তৈরি চাল কিছুটা নিম্ন মানের হওয়ায় চলমান বাজারে টিকতে পারছেন না। কিন্তু যাঁরা চালকল ব্যবসায়ী আছেন, বর্তমান ধানের বাজারমূল্যের সঙ্গে চালের দাম সমন্বয়হীনতার কারণে ব্যবসায় বড় ধরনের লোকসান দেখা দেয় বলে তিনি জানান।

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ড্রাম বয়লারের চালকলগুলো (হাসকিং রাইস মিল) বন্ধ হওয়ার পথে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ধান ও চালের মূল্যের ব্যবধান তো আছেই। সেই সঙ্গে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অটোরাইস মিলের দাপট। নানা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে উপজেলার চাতাল মিলগুলোর মালিকদের দুর্দিন চলছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অটোরাইস মিলের চালের মানের তুলনায় চালকলের তৈরি চাল কিছুটা নিম্ন মানের। এ জন্য চলমান বাজারে তা টিকতে পারছে না। অন্যদিকে বর্তমান ধানের বাজারমূল্যের সঙ্গে চালের দাম সমন্বয়হীনতা আছে। যার কারণে চালকল ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের লোকসান দেখা দিচ্ছে।
বর্তমান বাজারদরে ধান কিনে চালের বাজারে বিক্রি করতে গেলে ধান ক্রয় ও চালের বিক্রির মধ্যে সমন্বয় না থাকায় লোকসানের কারণে ইতিমধ্যেই উপজেলার অধিকাংশ চালকল বন্ধ হয়ে গেছে। এই চাতালগুলোতে একসময় শ্রমিকদের কর্মচঞ্চলতা দেখা যেত। তবে নানা সংকটে তা বন্ধ হওয়ায় শত শত শ্রমিক কর্ম হারিয়ে বেকার হয়ে অভাব-অনটনে জীবনযাপন করছেন।
আদমদীঘি উপজেলার খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, আশির দশকের শুরুতে আদমদীঘি সদর, সান্তাহার, মুরইল, নসরতপুর, কুন্দগ্রাম ও চাঁপাপুর এলাকার বেশকিছু জায়গায় চালকলের ব্যবসা শুরু হয়। সেই সময় থেকেই রমরমা ব্যবসা হওয়ার সুবাদে কিছু উদ্যমী ব্যবসায়ী পর্যায়ক্রমে চাতাল তৈরি করেন।
এই চাতালগুলোতে যে পরিমাণ চাল উৎপাদন হতো, তা দিয়ে এ অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হতো। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ী যেমন তাঁদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে লাভবান হতেন, তেমনি এই চাতালগুলোতে সৃষ্টি হয়েছিল শত দরিদ্র নারী-পুরুষ শ্রমিকের কর্মসংস্থান। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত চাল ব্যবসায়ী ও মালিক-শ্রমিকদের অনেকেই দারিদ্র্য জয় করে পুঁজিপতি বনে গেছেন।
বর্তমানে উপজেলায় ১৪টি অটোমেটিক রাইস মিল এবং ১৭৪টি চালকল রয়েছে। অনেক চালকলের মালিক হতাশাই তাঁদের ব্যবসা গুটিয়েছেন। চালের মতো সুনামখ্যাত ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশার দিকে ধাবিত হয়েছেন তাঁরা।
উপজেলার একরাম চালকলের স্বত্বাধিকারী চাতাল ব্যবসায়ী একরাম হোসেন মণ্ডল জানান, বর্তমান মৌসুমে চলতি দরে বাজার থেকে ধান কিনে যে পরিমাণ চাল হয়, সে মোতাবেক বাজারে বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা; লোকসানের ঘানি টেনে ব্যবসা চালু রাখা কঠিন। এ জন্য চালকলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
একরাম হোসেন মণ্ডল আরও বলেন, ‘আমাদের তৈরি চাল আর অটোরাইস মিলের চালের দর প্রকারভেদে প্রতি মণে এক শ থেকে দেড় শ টাকা বেশি। অথচ বাজার থেকে ধান কেনার সময় প্রায় একই দরে কেনা হয়।’
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কে এম গোলাম রব্বানী জানান, অটোরাইস মিলের চালের মানের সঙ্গে সাধারণ চালকলের তৈরি চাল কিছুটা নিম্ন মানের হওয়ায় চলমান বাজারে টিকতে পারছেন না। কিন্তু যাঁরা চালকল ব্যবসায়ী আছেন, বর্তমান ধানের বাজারমূল্যের সঙ্গে চালের দাম সমন্বয়হীনতার কারণে ব্যবসায় বড় ধরনের লোকসান দেখা দেয় বলে তিনি জানান।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫