সাদিকুর রহমান

পুণ্য লাভের আশায় কিছু দান করলেও যে হিতে বিপরীত হতে পারে, তার উদাহরণ সুনামগঞ্জের একটি সংঘর্ষের ঘটনা। মসজিদে কাঁঠালদানের মতো নিরীহ ঘটনাও একপর্যায়ে খুনোখুনিতে পরিণত হয়েছে। সংঘর্ষে চারজনের প্রাণহানি, পরিণতি হৃদয়বিদারক ও হয়রানিমূলক।
পরিবারের অবস্থা তো হৃদয়বিদারক আর হয়রানিমূলক হলো, এমন ঘটনার পর মামলায় কয়েক শ কিংবা কয়েক হাজার মানুষকে অজ্ঞাতনামা আসামি করার প্রবণতা। ফলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত না হয়েও অনেকে গ্রেপ্তার-আতঙ্কে থাকবেন। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাবেন। গ্রাম হবে পুরুষশূন্য।
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের এক গ্রামে কাঁঠাল নিয়ে তর্কাতর্কির পর সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। ওই কাঁঠাল পুণ্য লাভের আশায় মসজিদে দান করেছিলেন এক ব্যক্তি। মসজিদের কোষাগারে অর্থ জমা করার জন্য পরে সেই কাঁঠাল নিলামে তোলা হয়। এরপর দামাদামি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক, এর জেরে তিন দিন পর সংঘর্ষ বাধে। তাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে অংশ নেন গ্রামের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকেরা। আহত হন ৪০ জন। অথচ ‘কাঁঠাল’ ছিল অজুহাত মাত্র। দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ বহু বছরের পুরোনো।
যে ব্যক্তি পুণ্য লাভের আশায় কাঁঠালটি দান করেছিলেন, এই ঘটনার পর তাঁর এখন কী মানসিক অবস্থা, ভাবা যায়! এর চেয়েও বড় প্রশ্ন, কাঁঠালের দাম দেওয়া নিয়েই বা কেন ক্ষমতা দেখাতে হবে? গণমাধ্যমের খবর: নিলামে একজন কাঁঠালের দাম হাঁকেন ২৫০ টাকা।
আরেকজন এক হাজার টাকায় তা কিনে নিতে চান। এখানে আর্থিক ক্ষমতা প্রদর্শনের মাত্রা এতটাই প্রকট যে ছোট একটা কাঁঠালের দামও হাজার টাকা হয়ে যায়! তাও ভালো হতো যদি এখানেই বিষয়টা চুকে যেত। কিন্তু তর্কাতর্কির পর আর্থিক ক্ষমতা ছাপিয়ে ঘটনা হয়ে ওঠে গায়ের জোর বা অস্ত্রের ক্ষমতা, এমনকি গোষ্ঠীগত ক্ষমতা প্রদর্শন। মীমাংসার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন, কিন্তু কেউই তা মানেননি। এর খেসারত এখন দিতে হবে নিহতদের পরিবারকে।
বাড়ির অভিভাবক ও উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে উচ্চ দ্রব্যমূল্যের বাজারে এই তিনজনের পরিবার কেমন মানসিক-আর্থিক টানাপোড়েনে পড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আবার মামলায় গ্রেপ্তার, আতঙ্কে যাঁরা ঘর ছেড়ে পালিয়ে থাকবেন, তাঁদের সংসার কীভাবে চলবে, ছেলেমেয়ে কতটা অসহায় বোধ করবে, এগুলো এখনো আমাদের দেশে ভাবার বিষয় হয়ে ওঠেনি। উঠলে প্রায়ই এমন ছোট বিষয়ে বড় সংঘাতের ঘটনা ঘটত না।
গণমাধ্যমে প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনায় বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ ও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এতে সবচেয়ে বেশি যে জেলার নাম আসে সেটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া। সুনামগঞ্জের নামও হরহামেশা শোনা যায়। এগুলো নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয় তা গণমাধ্যমের খবরে জানা যায় না; কিংবা আদৌ নেওয়া হয় কি না, সেটিও বোঝার উপায় নেই। তবে নেওয়াটা অনেক জরুরি। এমন সামাজিক সংঘাত বছরের পর বছর ধরে ভুক্তভোগীর স্বজনদের যে মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি করে তা ভালো কিছু বয়ে আনে না।
এই লেখা শেষ করা যাক কাঁঠালকেন্দ্রিক এক সিনেমার গল্প দিয়ে। এ বছরই একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে বলিউডের সিনেমা ‘কাঁঠাল: অ্যা জ্যাকফ্রুট মিস্ট্রি’। এতে দেখা যায়, এক জনপ্রতিনিধির বাড়ির উঠানের গাছের একমাত্র কাঁঠালটি চুরি হয়ে গেছে। এটি আর দশটা কাঁঠালের মতো নয়। বিশেষ জাতের হওয়ায় এর স্বাদও লোভনীয়। এ কারণে রাজনৈতিকভাবেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। দলের শীর্ষ এক নেতাকে গাছের কাঁঠালের খাবার খাইয়ে সন্তুষ্ট করেছিলেন ওই জনপ্রতিনিধি। এ কাঁঠালটিও দেখিয়ে উপহার দিতে চেয়েছিলেন।
তাতে নেতার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার ও পরের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া সহজ হবে। স্বাভাবিকভাবেই ওই কাঁঠাল চুরি যাওয়ার পর তুলকালাম কাণ্ড শুরু করেন জনপ্রতিনিধি। চোর ধরতে স্থানীয় থানা-পুলিশকে ব্যস্ত করে তোলেন। চোরসহ কাঁঠাল ফেরত না পেলে শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার চাকরিও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ফলে অন্য সব কাজ (সিনেমায় এই কাঁঠালকাণ্ড দেখাতে গিয়ে উঠে আসে জাতপ্রথা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নারী পাচারের মতো ঘটনা) ফেলে থানা-পুলিশ ব্যস্ত হয়ে পড়ে কাঁঠাল চোর ধরতে।
জনপ্রতিনিধিকে সান্ত্বনা দিতে নির্দোষ একজনকে আটকও করে। শেষে দেখা যায়, গাছের কাঁঠালটি চুরি হয়নি। বানরেরা সেই কাঁঠাল খেয়ে ফেলেছে।
এই সিনেমার গল্প বলার কারণ, কোনো বিষয় একজনের কাছে তুচ্ছ হলেও তাতে কারও না কারও স্বার্থ থাকে। কিন্তু ভুক্তভোগী হতে হয় নিরপরাধ সাধারণ কাউকে। সুনামগঞ্জে যে রকম হয়েছে। তর্কাতর্কির তিন দিন পরও দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধার পেছনে যে কারও ইন্ধন নেই, তা হলফ করে বলা যাবে না। চারজনের মৃত্যুতে পরিবারের ক্ষতি হলেও ইন্ধনদাতার হয়তো কোনো না কোনো লাভ হয়েছে।
লেখক: জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক, আজকের পত্রিকা

পুণ্য লাভের আশায় কিছু দান করলেও যে হিতে বিপরীত হতে পারে, তার উদাহরণ সুনামগঞ্জের একটি সংঘর্ষের ঘটনা। মসজিদে কাঁঠালদানের মতো নিরীহ ঘটনাও একপর্যায়ে খুনোখুনিতে পরিণত হয়েছে। সংঘর্ষে চারজনের প্রাণহানি, পরিণতি হৃদয়বিদারক ও হয়রানিমূলক।
পরিবারের অবস্থা তো হৃদয়বিদারক আর হয়রানিমূলক হলো, এমন ঘটনার পর মামলায় কয়েক শ কিংবা কয়েক হাজার মানুষকে অজ্ঞাতনামা আসামি করার প্রবণতা। ফলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত না হয়েও অনেকে গ্রেপ্তার-আতঙ্কে থাকবেন। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাবেন। গ্রাম হবে পুরুষশূন্য।
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের এক গ্রামে কাঁঠাল নিয়ে তর্কাতর্কির পর সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। ওই কাঁঠাল পুণ্য লাভের আশায় মসজিদে দান করেছিলেন এক ব্যক্তি। মসজিদের কোষাগারে অর্থ জমা করার জন্য পরে সেই কাঁঠাল নিলামে তোলা হয়। এরপর দামাদামি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক, এর জেরে তিন দিন পর সংঘর্ষ বাধে। তাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে অংশ নেন গ্রামের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকেরা। আহত হন ৪০ জন। অথচ ‘কাঁঠাল’ ছিল অজুহাত মাত্র। দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ বহু বছরের পুরোনো।
যে ব্যক্তি পুণ্য লাভের আশায় কাঁঠালটি দান করেছিলেন, এই ঘটনার পর তাঁর এখন কী মানসিক অবস্থা, ভাবা যায়! এর চেয়েও বড় প্রশ্ন, কাঁঠালের দাম দেওয়া নিয়েই বা কেন ক্ষমতা দেখাতে হবে? গণমাধ্যমের খবর: নিলামে একজন কাঁঠালের দাম হাঁকেন ২৫০ টাকা।
আরেকজন এক হাজার টাকায় তা কিনে নিতে চান। এখানে আর্থিক ক্ষমতা প্রদর্শনের মাত্রা এতটাই প্রকট যে ছোট একটা কাঁঠালের দামও হাজার টাকা হয়ে যায়! তাও ভালো হতো যদি এখানেই বিষয়টা চুকে যেত। কিন্তু তর্কাতর্কির পর আর্থিক ক্ষমতা ছাপিয়ে ঘটনা হয়ে ওঠে গায়ের জোর বা অস্ত্রের ক্ষমতা, এমনকি গোষ্ঠীগত ক্ষমতা প্রদর্শন। মীমাংসার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন, কিন্তু কেউই তা মানেননি। এর খেসারত এখন দিতে হবে নিহতদের পরিবারকে।
বাড়ির অভিভাবক ও উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে উচ্চ দ্রব্যমূল্যের বাজারে এই তিনজনের পরিবার কেমন মানসিক-আর্থিক টানাপোড়েনে পড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আবার মামলায় গ্রেপ্তার, আতঙ্কে যাঁরা ঘর ছেড়ে পালিয়ে থাকবেন, তাঁদের সংসার কীভাবে চলবে, ছেলেমেয়ে কতটা অসহায় বোধ করবে, এগুলো এখনো আমাদের দেশে ভাবার বিষয় হয়ে ওঠেনি। উঠলে প্রায়ই এমন ছোট বিষয়ে বড় সংঘাতের ঘটনা ঘটত না।
গণমাধ্যমে প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনায় বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ ও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এতে সবচেয়ে বেশি যে জেলার নাম আসে সেটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া। সুনামগঞ্জের নামও হরহামেশা শোনা যায়। এগুলো নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয় তা গণমাধ্যমের খবরে জানা যায় না; কিংবা আদৌ নেওয়া হয় কি না, সেটিও বোঝার উপায় নেই। তবে নেওয়াটা অনেক জরুরি। এমন সামাজিক সংঘাত বছরের পর বছর ধরে ভুক্তভোগীর স্বজনদের যে মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি করে তা ভালো কিছু বয়ে আনে না।
এই লেখা শেষ করা যাক কাঁঠালকেন্দ্রিক এক সিনেমার গল্প দিয়ে। এ বছরই একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে বলিউডের সিনেমা ‘কাঁঠাল: অ্যা জ্যাকফ্রুট মিস্ট্রি’। এতে দেখা যায়, এক জনপ্রতিনিধির বাড়ির উঠানের গাছের একমাত্র কাঁঠালটি চুরি হয়ে গেছে। এটি আর দশটা কাঁঠালের মতো নয়। বিশেষ জাতের হওয়ায় এর স্বাদও লোভনীয়। এ কারণে রাজনৈতিকভাবেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। দলের শীর্ষ এক নেতাকে গাছের কাঁঠালের খাবার খাইয়ে সন্তুষ্ট করেছিলেন ওই জনপ্রতিনিধি। এ কাঁঠালটিও দেখিয়ে উপহার দিতে চেয়েছিলেন।
তাতে নেতার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার ও পরের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া সহজ হবে। স্বাভাবিকভাবেই ওই কাঁঠাল চুরি যাওয়ার পর তুলকালাম কাণ্ড শুরু করেন জনপ্রতিনিধি। চোর ধরতে স্থানীয় থানা-পুলিশকে ব্যস্ত করে তোলেন। চোরসহ কাঁঠাল ফেরত না পেলে শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার চাকরিও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ফলে অন্য সব কাজ (সিনেমায় এই কাঁঠালকাণ্ড দেখাতে গিয়ে উঠে আসে জাতপ্রথা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নারী পাচারের মতো ঘটনা) ফেলে থানা-পুলিশ ব্যস্ত হয়ে পড়ে কাঁঠাল চোর ধরতে।
জনপ্রতিনিধিকে সান্ত্বনা দিতে নির্দোষ একজনকে আটকও করে। শেষে দেখা যায়, গাছের কাঁঠালটি চুরি হয়নি। বানরেরা সেই কাঁঠাল খেয়ে ফেলেছে।
এই সিনেমার গল্প বলার কারণ, কোনো বিষয় একজনের কাছে তুচ্ছ হলেও তাতে কারও না কারও স্বার্থ থাকে। কিন্তু ভুক্তভোগী হতে হয় নিরপরাধ সাধারণ কাউকে। সুনামগঞ্জে যে রকম হয়েছে। তর্কাতর্কির তিন দিন পরও দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধার পেছনে যে কারও ইন্ধন নেই, তা হলফ করে বলা যাবে না। চারজনের মৃত্যুতে পরিবারের ক্ষতি হলেও ইন্ধনদাতার হয়তো কোনো না কোনো লাভ হয়েছে।
লেখক: জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক, আজকের পত্রিকা

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫