রানা আব্বাস, সিডনি থেকে

টি-টোয়েন্টিতে কখনোই দক্ষিণ আফ্রিকাকে না হারানো বাংলাদেশ ভিন্ন গল্প লিখবে, এই আশায় গতকাল সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এসিসিজি) পরিণত হয়েছিল এক টুকরো মিরপুরে। বাংলাদেশের ফিল্ডাররা যদি সামান্য ভালো ফিল্ডিংও করেছেন, দর্শকেরা তুমুল করতালি আর চিৎকারে উৎসাহ দিয়েছেন খেলোয়াড়দের। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেওয়ার পরও তাঁদের মনে মৃদু আশা থেকেছে, জয় না হোক বাংলাদেশ অন্তত লড়াই জমাবে।
দর্শকদের বিপুল সমর্থন পেয়েও সাকিবরা কিছুই করতে পারেননি—না হয়েছে বোলিং, না মন ভরানো ব্যাটিং। সমস্যাটা আসলে কোথায়? সংবাদ সম্মেলনে আসা বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলছেন, তাঁদের ঘাটতি আসলে বিশ্বাসে। তিনি অকপটেই স্বীকার করে নিচ্ছেন, প্রতিপক্ষ ২০০ পেরোনো স্কোর গড়লে সেটি তাড়া করে জেতার আত্মবিশ্বাস নেই বাংলাদেশের।
সাকিব বললেন, ‘আমরা ওভাবে বিশ্বাস করছি কি না যে আমরা বড় রান তাড়া করতে পারব। আমরা কখনোই রান তাড়া করে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটেও তেমন একটা জিতি না। অন্য দল যারা খেলে, বেশির ভাগ দলই টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়া করতে চায় কিংবা ১৮০-২০০ রান তাড়া করে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। এই জায়গাগুলোয় আমরা খুব একটা অভ্যস্ত বলে মনে হয় না।’
টি-টোয়েন্টিতে বড় স্কোর গড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দুর্বলতা নতুন নয়। বাংলাদেশের সাধারণত পরিকল্পনা থাকে, আগে ব্যাটিং করলে ১৬০-১৭০ রানের স্কোর গড়ে প্রতিপক্ষকে দুর্দান্ত বোলিংয়ে কাবু করা। আর বোলিং আগে করলে প্রতিপক্ষকে যত কম রানে বেঁধে ফেলা যায়। কিন্তু যেদিন প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে এসব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, সেদিন বাংলাদেশের পরাজয় যেন ইনিংস বিরতিতেই নিশ্চিত হয়ে যায়! গতকালও যেমন হলো। সাকিব আবারও বললেন, এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য তাঁরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না, ‘বোলিং বিভাগের কথা যদি বলি, আমরা যেভাবে করতে চেয়েছিলাম সেভাবে হয়নি। আসলে এরকম পরিস্থিতি হলে দ্রুত কাটিয়ে ওঠার খুব একটা সুযোগ থাকে না। আমরাও প্রস্তুত ছিলাম না। প্রথম ওভারে উইকেট পাওয়ার পর পরের ১৪ ওভার কোনো উইকেট পাইনি। এখানেই আমরা খেলা থেকে পিছিয়ে গেছি।’
প্রতি ম্যাচে নিজেদের পরিকল্পনা লাগবে, এমন কোনো কথা নেই। সেক্ষেত্রে কেন প্ল্যান ‘বি’-‘সি’ থাকবে না? আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় লক্ষ্য তাড়ার প্রস্তুতি থাকে না একটা দলের, এটি কতটা যৌক্তিক ব্যাখ্যা, প্রশ্ন থাকে। সাকিব বলছেন, এই জায়গায় তাঁদের উন্নতি করতে হবে। অবশ্য এই উন্নতির কথা বলতে বলতে বাংলাদেশ অধিনায়ক যেন ক্লান্ত, ‘আমাদের এই জায়গাগুলোয় উন্নতি করতে হবে। যদিও বারবার এই উন্নতি করার কথা বলতে আমারও ভালো লাগে না।’
হারলে ভালো না লাগলেও অনেক পরিস্থিতিতেই পড়তে হয় অধিনায়ককে। তবে দলকে এগিয়ে নিতে সাকিবকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া জরুরি। গত দুই ম্যাচে এখানে বেশ পিছিয়ে আছেন অধিনায়ক। গতকাল দুই বাঁহাতি ব্যাটার উইকেটে জমে যাওয়ায় কঠিন সময়ে বোলিং আক্রমণেও আসেননি। না আসার ব্যাখ্যায় পুরোনো ব্যাখ্যাই দিলেন সাকিব, ‘সীমানা একটু ছোট ছিল, আমাদের অনেক কিছু চিন্তা করতে হচ্ছিল। যেহেতু মোস্তাফিজ আর আমার বোলিংয়ের ধরন একই রকম। দুজন এক প্রান্ত থেকে করতে পারাও একটু কঠিন। ওরা (দুই বাঁহাতি) ছিল বলেই আমরা বোলিংয়ে আসিনি এমন নয়, আমাদের ৭ কিংবা ৮ ওভারে আসার কথা ছিল। কিন্তু সব চিন্তা করার পরে মনে হয়েছে, আরেকটু পরে এলে ভালো হয়। কিংবা একটা উইকেট পড়লে ভালো হয়। দুর্ভাগ্য সেটা হয়নি।’

টি-টোয়েন্টিতে কখনোই দক্ষিণ আফ্রিকাকে না হারানো বাংলাদেশ ভিন্ন গল্প লিখবে, এই আশায় গতকাল সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এসিসিজি) পরিণত হয়েছিল এক টুকরো মিরপুরে। বাংলাদেশের ফিল্ডাররা যদি সামান্য ভালো ফিল্ডিংও করেছেন, দর্শকেরা তুমুল করতালি আর চিৎকারে উৎসাহ দিয়েছেন খেলোয়াড়দের। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেওয়ার পরও তাঁদের মনে মৃদু আশা থেকেছে, জয় না হোক বাংলাদেশ অন্তত লড়াই জমাবে।
দর্শকদের বিপুল সমর্থন পেয়েও সাকিবরা কিছুই করতে পারেননি—না হয়েছে বোলিং, না মন ভরানো ব্যাটিং। সমস্যাটা আসলে কোথায়? সংবাদ সম্মেলনে আসা বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলছেন, তাঁদের ঘাটতি আসলে বিশ্বাসে। তিনি অকপটেই স্বীকার করে নিচ্ছেন, প্রতিপক্ষ ২০০ পেরোনো স্কোর গড়লে সেটি তাড়া করে জেতার আত্মবিশ্বাস নেই বাংলাদেশের।
সাকিব বললেন, ‘আমরা ওভাবে বিশ্বাস করছি কি না যে আমরা বড় রান তাড়া করতে পারব। আমরা কখনোই রান তাড়া করে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটেও তেমন একটা জিতি না। অন্য দল যারা খেলে, বেশির ভাগ দলই টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়া করতে চায় কিংবা ১৮০-২০০ রান তাড়া করে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। এই জায়গাগুলোয় আমরা খুব একটা অভ্যস্ত বলে মনে হয় না।’
টি-টোয়েন্টিতে বড় স্কোর গড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দুর্বলতা নতুন নয়। বাংলাদেশের সাধারণত পরিকল্পনা থাকে, আগে ব্যাটিং করলে ১৬০-১৭০ রানের স্কোর গড়ে প্রতিপক্ষকে দুর্দান্ত বোলিংয়ে কাবু করা। আর বোলিং আগে করলে প্রতিপক্ষকে যত কম রানে বেঁধে ফেলা যায়। কিন্তু যেদিন প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে এসব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, সেদিন বাংলাদেশের পরাজয় যেন ইনিংস বিরতিতেই নিশ্চিত হয়ে যায়! গতকালও যেমন হলো। সাকিব আবারও বললেন, এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য তাঁরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না, ‘বোলিং বিভাগের কথা যদি বলি, আমরা যেভাবে করতে চেয়েছিলাম সেভাবে হয়নি। আসলে এরকম পরিস্থিতি হলে দ্রুত কাটিয়ে ওঠার খুব একটা সুযোগ থাকে না। আমরাও প্রস্তুত ছিলাম না। প্রথম ওভারে উইকেট পাওয়ার পর পরের ১৪ ওভার কোনো উইকেট পাইনি। এখানেই আমরা খেলা থেকে পিছিয়ে গেছি।’
প্রতি ম্যাচে নিজেদের পরিকল্পনা লাগবে, এমন কোনো কথা নেই। সেক্ষেত্রে কেন প্ল্যান ‘বি’-‘সি’ থাকবে না? আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় লক্ষ্য তাড়ার প্রস্তুতি থাকে না একটা দলের, এটি কতটা যৌক্তিক ব্যাখ্যা, প্রশ্ন থাকে। সাকিব বলছেন, এই জায়গায় তাঁদের উন্নতি করতে হবে। অবশ্য এই উন্নতির কথা বলতে বলতে বাংলাদেশ অধিনায়ক যেন ক্লান্ত, ‘আমাদের এই জায়গাগুলোয় উন্নতি করতে হবে। যদিও বারবার এই উন্নতি করার কথা বলতে আমারও ভালো লাগে না।’
হারলে ভালো না লাগলেও অনেক পরিস্থিতিতেই পড়তে হয় অধিনায়ককে। তবে দলকে এগিয়ে নিতে সাকিবকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া জরুরি। গত দুই ম্যাচে এখানে বেশ পিছিয়ে আছেন অধিনায়ক। গতকাল দুই বাঁহাতি ব্যাটার উইকেটে জমে যাওয়ায় কঠিন সময়ে বোলিং আক্রমণেও আসেননি। না আসার ব্যাখ্যায় পুরোনো ব্যাখ্যাই দিলেন সাকিব, ‘সীমানা একটু ছোট ছিল, আমাদের অনেক কিছু চিন্তা করতে হচ্ছিল। যেহেতু মোস্তাফিজ আর আমার বোলিংয়ের ধরন একই রকম। দুজন এক প্রান্ত থেকে করতে পারাও একটু কঠিন। ওরা (দুই বাঁহাতি) ছিল বলেই আমরা বোলিংয়ে আসিনি এমন নয়, আমাদের ৭ কিংবা ৮ ওভারে আসার কথা ছিল। কিন্তু সব চিন্তা করার পরে মনে হয়েছে, আরেকটু পরে এলে ভালো হয়। কিংবা একটা উইকেট পড়লে ভালো হয়। দুর্ভাগ্য সেটা হয়নি।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫