শরিফুল ইসলাম তনয়, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)

দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। বিভিন্ন প্রয়োজনে এ মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন ১৭টি জেলার প্রায় কয়েক লাখ মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু এ মহাসড়কের সাইনবোর্ড অংশে একের পর এক ঘটছে অপরাধমূলক ঘটনা। সন্ধ্যা হলেই এ সড়কে চলে চুরি-ছিনতাই। চলাচল করা সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
১৫ জানুয়ারি পটুয়াখালীর লেবুখালীতে অবস্থিত শেখ হাসিনা ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত সৈনিক (কুক) শাহীন আলম (২২) ছুটিতে নিজ বাড়ি চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল এলাকায় বন্ধু ফারহাবিবের বাসায় রাত্রিযাপন করতে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ৩টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাদানীনগর এলাকায় আল আমিন গার্মেন্টসের সামনে ছিনতাইকারীরা শাহীনের কাছে থাকা মানিব্যাগ ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিতে চাইলে তিনি বাধা দেন। পরে ছিনতাইকারীরা সুইচগিয়ার দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীনের মৃত্যু হয়। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এ ঘটনায় জড়িত থাকা তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া ১৯ জানুয়ারি রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সানারপাড়ের পিডিকে পেট্রল পাম্পের সামনে আবু সুফিয়ান (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকা তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এভাবে জানুয়ারি মাসজুড়ে এই সড়কে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কার্যক্রম সংঘটিত হয়েছে। আগের চেয়ে এ মহাসড়কে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হলেও বাড়ছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা। ছিনতাইকারীরা এতটাই বেপরোয়া যে তারা খুন করতেও দ্বিধা করছে না। ঘটনার শিকার হয়ে থানা-পুলিশেও জড়াতে চান না অনেক ভুক্তভোগী।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশের সূত্রমতে, এ মহাসড়ক থেকে চলতি মাসেই তারা এবং র্যাবের সদস্যরা ২০ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ এখনো সাজা ভোগ করছে। এর মধ্যে ২০ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১১। একই দিন মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে মলম পার্টি চক্রের ১০ সদস্যকে আটক করে র্যাব-৩। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫টি বিষাক্ত মলমের কৌটা ও ৮০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
কথা হয় এ মহাসড়কে নিয়মিত যাতায়াত করা হান্নান সরকার নামে এক চাকরিজীবীর সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রতিদিন ছুটির পর রাতে এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করায় নিজের মধ্যে সব সময় এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করে। তাঁর মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি নিয়মিত এই মহাসড়কে টহল দিত তাহলে হয়তো অপরাধীরা অপরাধ করার সাহস পেত না।
জব্বার মিয়া নামে এক অটোচালক বলেন, ‘রাতের বেলা এই রাস্তা দিয়ে অটো চালাতে ভয় করে। কারণ মাঝেমধ্যে অটো ছিনতাইয়ের পাশাপাশি ছিনতাইকারীদের হাতে খুনের ঘটনাও ঘটে। আমাদের নিজেদেরও তো প্রাণের ভয় আছে।’
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘এ মহাসড়কে গত দুই বছরে যারা ছিনতাই করেছে, আমরা তাদের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করছি। যেসব অপরাধ কার্যক্রম ঘটেছে, কোনো অপরাধীকেই আমরা ছাড় দিইনি। পুলিশের টিম নিয়মিত এ মহাসড়কে টহল দিচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
এ বিষয়ে র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা বলেন, ‘আমরা এ মাসেই পাঁচ ছিনতাইকারীসহ মলমপার্টি চক্রের কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়া আমরা নিয়মিত এ মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে আসছি, ভবিষ্যতেও তা চলমান থাকবে।’

দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। বিভিন্ন প্রয়োজনে এ মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন ১৭টি জেলার প্রায় কয়েক লাখ মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু এ মহাসড়কের সাইনবোর্ড অংশে একের পর এক ঘটছে অপরাধমূলক ঘটনা। সন্ধ্যা হলেই এ সড়কে চলে চুরি-ছিনতাই। চলাচল করা সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
১৫ জানুয়ারি পটুয়াখালীর লেবুখালীতে অবস্থিত শেখ হাসিনা ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত সৈনিক (কুক) শাহীন আলম (২২) ছুটিতে নিজ বাড়ি চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল এলাকায় বন্ধু ফারহাবিবের বাসায় রাত্রিযাপন করতে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ৩টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাদানীনগর এলাকায় আল আমিন গার্মেন্টসের সামনে ছিনতাইকারীরা শাহীনের কাছে থাকা মানিব্যাগ ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিতে চাইলে তিনি বাধা দেন। পরে ছিনতাইকারীরা সুইচগিয়ার দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীনের মৃত্যু হয়। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এ ঘটনায় জড়িত থাকা তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া ১৯ জানুয়ারি রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সানারপাড়ের পিডিকে পেট্রল পাম্পের সামনে আবু সুফিয়ান (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকা তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এভাবে জানুয়ারি মাসজুড়ে এই সড়কে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কার্যক্রম সংঘটিত হয়েছে। আগের চেয়ে এ মহাসড়কে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হলেও বাড়ছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা। ছিনতাইকারীরা এতটাই বেপরোয়া যে তারা খুন করতেও দ্বিধা করছে না। ঘটনার শিকার হয়ে থানা-পুলিশেও জড়াতে চান না অনেক ভুক্তভোগী।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশের সূত্রমতে, এ মহাসড়ক থেকে চলতি মাসেই তারা এবং র্যাবের সদস্যরা ২০ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ এখনো সাজা ভোগ করছে। এর মধ্যে ২০ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১১। একই দিন মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে মলম পার্টি চক্রের ১০ সদস্যকে আটক করে র্যাব-৩। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫টি বিষাক্ত মলমের কৌটা ও ৮০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
কথা হয় এ মহাসড়কে নিয়মিত যাতায়াত করা হান্নান সরকার নামে এক চাকরিজীবীর সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রতিদিন ছুটির পর রাতে এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করায় নিজের মধ্যে সব সময় এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করে। তাঁর মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি নিয়মিত এই মহাসড়কে টহল দিত তাহলে হয়তো অপরাধীরা অপরাধ করার সাহস পেত না।
জব্বার মিয়া নামে এক অটোচালক বলেন, ‘রাতের বেলা এই রাস্তা দিয়ে অটো চালাতে ভয় করে। কারণ মাঝেমধ্যে অটো ছিনতাইয়ের পাশাপাশি ছিনতাইকারীদের হাতে খুনের ঘটনাও ঘটে। আমাদের নিজেদেরও তো প্রাণের ভয় আছে।’
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘এ মহাসড়কে গত দুই বছরে যারা ছিনতাই করেছে, আমরা তাদের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করছি। যেসব অপরাধ কার্যক্রম ঘটেছে, কোনো অপরাধীকেই আমরা ছাড় দিইনি। পুলিশের টিম নিয়মিত এ মহাসড়কে টহল দিচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
এ বিষয়ে র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা বলেন, ‘আমরা এ মাসেই পাঁচ ছিনতাইকারীসহ মলমপার্টি চক্রের কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়া আমরা নিয়মিত এ মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে আসছি, ভবিষ্যতেও তা চলমান থাকবে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫