কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

‘আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।’ পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের ওই আসমানীর মতো লাজনীকে দেখতে হলে যেতে হবে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুরের লতাবর গ্রামে।
লাজনী খাতুনের ঘর বলতে খেতের মাঝখানে বাঁশের বেড়া আর ওপরে টিন দিয়ে ছাওয়া একটি ঝুপড়ি। আসবাব বলতে বাঁশের চৌকি, রান্নার দু-একটা বাসনকোসন। নেই শীত নিবারণের গরম কাপড় বা লেপ। এই ঝুপড়িতেই দিনযাপন লাজলীর।
লাজলী (২৮) ওই গ্রামের মৃত আব্দুস সালাম সালুর তৃতীয় সন্তান। পরিবারের কারোর সঙ্গেই তাঁর যোগাযোগ নেই। কেউ তাঁর খোঁজও নেয় না। ফলে খেয়ে-না খেয়ে দিন দিন রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন তিনি।
এলাকাবাসী জানান, আট বছর আগে লাজলীর বাবা সালু মারা গেলে পরিবারে খারাপ অবস্থা তৈরি হয়। চার বোন, দুই ভাইয়ের মধ্যে লাজলী তৃতীয়। তিন বোনের বিয়ে হলে তাঁরা স্বামীর সংসারে চলে যান। বিদেশ যাওয়ার কথা বলে বড়ভাই গ্রামের ঘরবাড়ি জায়গা-জমি বিক্রি করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন। লাজলী এসএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। একসময় গ্রামে একটি ছেলেকে ভালোবেসে না পেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন। একপর্যায়ে লালমনিরহাট শহরে পুলিশ তাঁকে সন্দেহবশত আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এক বছর হাজতে থাকার পর পরিবারের লোকজন খোঁজ পেয়ে তাঁকে বাড়িতে এনে চিকিৎসা করে কিছুটা সুস্থ করে তোলেন।
লাজলীর মা আয়শা বেগমও একসময় কাজের সন্ধানে ছোট ছেলে ও লাজলীকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। সেখানে গিয়ে আয়শা বিভিন্ন বাসায় ঝিয়ের কাজ করেন আর লাজলী নেন গার্মেন্টসের চাকরি। পরে লাজলী ঢাকা থেকে গ্রামে চলে এসে চাচার বাড়িতে কিছুদিন থাকার পর মায়ের অংশের সামান্য জমির ওপর একটি টিনের ঝুপড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা দিয়ে অনেক কষ্টে তাঁর দিন চলে। তিনি কারও কাছে যানও না, খানও না। সবসময় একা একা থাকেন। মন চাইলে এলাকায় ঘুরে বেড়ান। তাঁর মা, ভাই, বোনেরা তাঁর খোঁজও নেন না। এভাবেই কষ্টে আছেন তিনি।
লাজলী বলেন, ‘চাচার বাড়িতে ছিলাম। সেখানে আর কত থাকি। এখানে অনেক কষ্টে পড়ে আছি। আমার মা ঢাকা থেকে এসে বাড়ি করবে। তাই ঘরটি করে এখানে আছি।’
ইউএনও মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি মেয়েটির খোঁজখবর নিচ্ছি। আমরা তাঁকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করব।’

‘আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।’ পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের ওই আসমানীর মতো লাজনীকে দেখতে হলে যেতে হবে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুরের লতাবর গ্রামে।
লাজনী খাতুনের ঘর বলতে খেতের মাঝখানে বাঁশের বেড়া আর ওপরে টিন দিয়ে ছাওয়া একটি ঝুপড়ি। আসবাব বলতে বাঁশের চৌকি, রান্নার দু-একটা বাসনকোসন। নেই শীত নিবারণের গরম কাপড় বা লেপ। এই ঝুপড়িতেই দিনযাপন লাজলীর।
লাজলী (২৮) ওই গ্রামের মৃত আব্দুস সালাম সালুর তৃতীয় সন্তান। পরিবারের কারোর সঙ্গেই তাঁর যোগাযোগ নেই। কেউ তাঁর খোঁজও নেয় না। ফলে খেয়ে-না খেয়ে দিন দিন রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন তিনি।
এলাকাবাসী জানান, আট বছর আগে লাজলীর বাবা সালু মারা গেলে পরিবারে খারাপ অবস্থা তৈরি হয়। চার বোন, দুই ভাইয়ের মধ্যে লাজলী তৃতীয়। তিন বোনের বিয়ে হলে তাঁরা স্বামীর সংসারে চলে যান। বিদেশ যাওয়ার কথা বলে বড়ভাই গ্রামের ঘরবাড়ি জায়গা-জমি বিক্রি করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন। লাজলী এসএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। একসময় গ্রামে একটি ছেলেকে ভালোবেসে না পেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন। একপর্যায়ে লালমনিরহাট শহরে পুলিশ তাঁকে সন্দেহবশত আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এক বছর হাজতে থাকার পর পরিবারের লোকজন খোঁজ পেয়ে তাঁকে বাড়িতে এনে চিকিৎসা করে কিছুটা সুস্থ করে তোলেন।
লাজলীর মা আয়শা বেগমও একসময় কাজের সন্ধানে ছোট ছেলে ও লাজলীকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। সেখানে গিয়ে আয়শা বিভিন্ন বাসায় ঝিয়ের কাজ করেন আর লাজলী নেন গার্মেন্টসের চাকরি। পরে লাজলী ঢাকা থেকে গ্রামে চলে এসে চাচার বাড়িতে কিছুদিন থাকার পর মায়ের অংশের সামান্য জমির ওপর একটি টিনের ঝুপড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা দিয়ে অনেক কষ্টে তাঁর দিন চলে। তিনি কারও কাছে যানও না, খানও না। সবসময় একা একা থাকেন। মন চাইলে এলাকায় ঘুরে বেড়ান। তাঁর মা, ভাই, বোনেরা তাঁর খোঁজও নেন না। এভাবেই কষ্টে আছেন তিনি।
লাজলী বলেন, ‘চাচার বাড়িতে ছিলাম। সেখানে আর কত থাকি। এখানে অনেক কষ্টে পড়ে আছি। আমার মা ঢাকা থেকে এসে বাড়ি করবে। তাই ঘরটি করে এখানে আছি।’
ইউএনও মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি মেয়েটির খোঁজখবর নিচ্ছি। আমরা তাঁকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করব।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫