রাহুল শর্মা, ঢাকা

দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরে তিন সেমিস্টারের বদলে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১ জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চালুর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মালিকদের সংগঠনের আপত্তির মুখে সে উদ্যোগ আপাতত বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তবে বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চলছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয় একাধিকবার। কিন্তু প্রতিবারই মালিকদের আপত্তির মুখে পিছু হটতে হয় ইউজিসিকে।
দেশে এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ১০৮টি। এতে শিক্ষার্থী আছেন ৩ লাখ ১০ হাজার ১০৭ জন। সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চললেও বেশির ভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন সেমিস্টারে পড়ানো হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউজিসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কিছুদিন আগে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মালিক সমিতির সঙ্গে এ বিষয়ে ইউজিসির অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। বৈঠকে মালিক সমিতির নেতারা এ উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁরা বলেন, সামনের বছর জাতীয় নির্বাচন হবে, এখন এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সঠিক সময় না। এরপরই মূলত এ বিষয়ে ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করে ইউজিসি।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বৈঠকে মালিকেরা যুক্তি দেখান, বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চালু করতে হলে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ও বেতন বাড়াতে হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা বেতন কমানোর দাবিতে আন্দোলনে নামবে। এতে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইউজিসির সঙ্গে আমাদের এ বিষয়ে কথা হয়েছে। আমরা বলেছি, আপাতত যেভাবে (বছরে দুইয়ের অধিক সেমিস্টার) চলছে, সেভাবেই চলুক। তাঁরা একমত পোষণ করেছেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি কার্যকর করা হবে। এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ইউজিসিকে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে।’
বছরে দুই সেমিস্টার চালু করতে অনাগ্রহের কারণ জানতে চাইলে শেখ কবির হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে তিন সেমিস্টারেই পাঠদান চলে আসছে। এটাই সিস্টেম হয়ে গেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির ওপরই নির্ভরশীল। আর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অর্থের
জোগান দেয় সরকার। তাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যদি বন্ধ থাকে, সেশনজট হয় তাহলে শিক্ষকদের বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো ক্ষতি হয় না। অর্থের জন্য টেনশন করতে হয় না। অনেক কিছু বিবেচনায় নিয়েই বলেছি, এখনই বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদানের বিষয়টি কার্যকর না করতে।’
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, ‘ইতিমধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ডুয়াল সেমিস্টারে পাঠদান শুরু করেছে। আর যারা করেনি তারাও ধীরে ধীরে করবে। এ বিষয়ে আমরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সঙ্গে আরও আলোচনা করব। এরপরই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
দুই সেমিস্টারে পাঠদান শুরু করতে গত ২৮ নভেম্বর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেজিস্ট্রারদের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে চিঠি পাঠায় ইউজিসি। চিঠিতে ১ জানুয়ারি থেকে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে দুই সেমিস্টারে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়।

দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরে তিন সেমিস্টারের বদলে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১ জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চালুর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মালিকদের সংগঠনের আপত্তির মুখে সে উদ্যোগ আপাতত বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তবে বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চলছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয় একাধিকবার। কিন্তু প্রতিবারই মালিকদের আপত্তির মুখে পিছু হটতে হয় ইউজিসিকে।
দেশে এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ১০৮টি। এতে শিক্ষার্থী আছেন ৩ লাখ ১০ হাজার ১০৭ জন। সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চললেও বেশির ভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন সেমিস্টারে পড়ানো হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউজিসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কিছুদিন আগে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মালিক সমিতির সঙ্গে এ বিষয়ে ইউজিসির অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। বৈঠকে মালিক সমিতির নেতারা এ উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁরা বলেন, সামনের বছর জাতীয় নির্বাচন হবে, এখন এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সঠিক সময় না। এরপরই মূলত এ বিষয়ে ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করে ইউজিসি।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বৈঠকে মালিকেরা যুক্তি দেখান, বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদান চালু করতে হলে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ও বেতন বাড়াতে হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা বেতন কমানোর দাবিতে আন্দোলনে নামবে। এতে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইউজিসির সঙ্গে আমাদের এ বিষয়ে কথা হয়েছে। আমরা বলেছি, আপাতত যেভাবে (বছরে দুইয়ের অধিক সেমিস্টার) চলছে, সেভাবেই চলুক। তাঁরা একমত পোষণ করেছেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি কার্যকর করা হবে। এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ইউজিসিকে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে।’
বছরে দুই সেমিস্টার চালু করতে অনাগ্রহের কারণ জানতে চাইলে শেখ কবির হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে তিন সেমিস্টারেই পাঠদান চলে আসছে। এটাই সিস্টেম হয়ে গেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির ওপরই নির্ভরশীল। আর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অর্থের
জোগান দেয় সরকার। তাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যদি বন্ধ থাকে, সেশনজট হয় তাহলে শিক্ষকদের বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো ক্ষতি হয় না। অর্থের জন্য টেনশন করতে হয় না। অনেক কিছু বিবেচনায় নিয়েই বলেছি, এখনই বছরে দুই সেমিস্টারে পাঠদানের বিষয়টি কার্যকর না করতে।’
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, ‘ইতিমধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ডুয়াল সেমিস্টারে পাঠদান শুরু করেছে। আর যারা করেনি তারাও ধীরে ধীরে করবে। এ বিষয়ে আমরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সঙ্গে আরও আলোচনা করব। এরপরই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
দুই সেমিস্টারে পাঠদান শুরু করতে গত ২৮ নভেম্বর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেজিস্ট্রারদের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে চিঠি পাঠায় ইউজিসি। চিঠিতে ১ জানুয়ারি থেকে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে দুই সেমিস্টারে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫