সম্পাদকীয়

খবরটি স্বস্তিকর নয়। নীলফামারী জেলায় গড়ে ওঠা ছোট-বড় প্রায় ২ হাজার শিল্পকারখানার মধ্যে অর্ধেকেরই নেই অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা। এসব কারখানায় ৭০ হাজারের মতো শ্রমিক চরম ঝুঁকির মধ্যে কাজ করছেন। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে দেখা যাচ্ছে, নীলফামারী জেলায় শিল্পকারখানার প্রায় অর্ধেকেরই, অর্থাৎ ৯০৯টিতেই নেই অগ্নিনির্বাপণ রোধ করার মতো কোনো ব্যবস্থা। এখানেই শেষ নয়, অনেক কারখানাই চলছে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র ছাড়া, তাদের ট্রেড লাইসেন্সও মেয়াদোত্তীর্ণ। এমনকি বস্তি এলাকা, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের ক্যাম্প, বহুতল মার্কেট ও রেলের কোয়ার্টারে ছোট ছোট কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। গত পাঁচ বছরে এ জেলায় ১৩০টি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণহানি হয়েছে সাতজনের। আহত হয়েছেন দুই শতাধিক। পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন ১৩ জন। আর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৫০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের।
আমরা লক্ষ করে দেখেছি, রাজধানীসহ দেশের কোনো না কোনো জেলায় প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হচ্ছে কলকারখানা, বস্তি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি। এতে হতাহত হচ্ছে মানুষ, ক্ষতিও হচ্ছে বিপুল পরিমাণ টাকার। অনেকেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে বিভীষিকাময় পঙ্গু জীবন কাটাচ্ছেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের হিসাব মতে, বছরে অন্তত ১৬ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটতে পারছে আইনকানুন মেনে চলা হচ্ছে না বলে।
দেশের বিদ্যমান আইনে বহুতল ভবন, শিল্পকলকারখানা ইত্যাদি স্থাপন করার সময় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। হাউস বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউশনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ বিল্ডিং কোড ২০০৬ সালে আইনগত ভিত্তি পায়। তাতে আছে, যদি কেউ জাতীয় বিল্ডিং কোডের অংশবিশেষও সঠিকভাবে মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি কমপক্ষে সাত বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইন যথাযথভাবে মানা হলে এসব দুর্ঘটনা ঘটত না।
অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা কারখানাগুলোর মালিকদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা জানা দরকার। ফায়ার সার্ভিস ভবন পরিদর্শনের পর ঝুঁকি চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েই কি দায়িত্ব শেষ করা হয়? তারপর কী? সংশ্লিষ্টরা ব্যবস্থা নিল কি নিল না, সেটা তারা আর দেখে না। ফলে গোড়াতেই গলদ থেকে যাচ্ছে। কারখানাগুলোর অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের। পরিবেশ অধিদপ্তরেরও দায়িত্ব আছে। আর জেলাগুলোতে প্রশাসনিকভাবে এসব দেখভালের দায়িত্ব জেলা প্রশাসক এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের। কিন্তু নিয়মিত কারখানার তদারকি না করার অভিযোগ আছে ওই দুই বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগগুলো কবে জবাবদিহির দিকে যাবে, তদন্তের দিকে যাবে, সেটাই দেখার বিষয়। নইলে হাজারো অনিয়ম চলতেই থাকবে, ঠেকানো যাবে না।
অগ্নিকাণ্ডকে নিছক দুর্ঘটনা বলা চলে না, এটা কাঠামোগত ত্রুটির বহিঃপ্রকাশ। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই নীলফামারী জেলার কলকারখানাগুলোয় অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

খবরটি স্বস্তিকর নয়। নীলফামারী জেলায় গড়ে ওঠা ছোট-বড় প্রায় ২ হাজার শিল্পকারখানার মধ্যে অর্ধেকেরই নেই অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা। এসব কারখানায় ৭০ হাজারের মতো শ্রমিক চরম ঝুঁকির মধ্যে কাজ করছেন। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে দেখা যাচ্ছে, নীলফামারী জেলায় শিল্পকারখানার প্রায় অর্ধেকেরই, অর্থাৎ ৯০৯টিতেই নেই অগ্নিনির্বাপণ রোধ করার মতো কোনো ব্যবস্থা। এখানেই শেষ নয়, অনেক কারখানাই চলছে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র ছাড়া, তাদের ট্রেড লাইসেন্সও মেয়াদোত্তীর্ণ। এমনকি বস্তি এলাকা, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের ক্যাম্প, বহুতল মার্কেট ও রেলের কোয়ার্টারে ছোট ছোট কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। গত পাঁচ বছরে এ জেলায় ১৩০টি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণহানি হয়েছে সাতজনের। আহত হয়েছেন দুই শতাধিক। পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন ১৩ জন। আর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৫০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের।
আমরা লক্ষ করে দেখেছি, রাজধানীসহ দেশের কোনো না কোনো জেলায় প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হচ্ছে কলকারখানা, বস্তি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি। এতে হতাহত হচ্ছে মানুষ, ক্ষতিও হচ্ছে বিপুল পরিমাণ টাকার। অনেকেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে বিভীষিকাময় পঙ্গু জীবন কাটাচ্ছেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের হিসাব মতে, বছরে অন্তত ১৬ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটতে পারছে আইনকানুন মেনে চলা হচ্ছে না বলে।
দেশের বিদ্যমান আইনে বহুতল ভবন, শিল্পকলকারখানা ইত্যাদি স্থাপন করার সময় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। হাউস বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউশনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ বিল্ডিং কোড ২০০৬ সালে আইনগত ভিত্তি পায়। তাতে আছে, যদি কেউ জাতীয় বিল্ডিং কোডের অংশবিশেষও সঠিকভাবে মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি কমপক্ষে সাত বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইন যথাযথভাবে মানা হলে এসব দুর্ঘটনা ঘটত না।
অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা কারখানাগুলোর মালিকদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা জানা দরকার। ফায়ার সার্ভিস ভবন পরিদর্শনের পর ঝুঁকি চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েই কি দায়িত্ব শেষ করা হয়? তারপর কী? সংশ্লিষ্টরা ব্যবস্থা নিল কি নিল না, সেটা তারা আর দেখে না। ফলে গোড়াতেই গলদ থেকে যাচ্ছে। কারখানাগুলোর অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের। পরিবেশ অধিদপ্তরেরও দায়িত্ব আছে। আর জেলাগুলোতে প্রশাসনিকভাবে এসব দেখভালের দায়িত্ব জেলা প্রশাসক এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের। কিন্তু নিয়মিত কারখানার তদারকি না করার অভিযোগ আছে ওই দুই বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগগুলো কবে জবাবদিহির দিকে যাবে, তদন্তের দিকে যাবে, সেটাই দেখার বিষয়। নইলে হাজারো অনিয়ম চলতেই থাকবে, ঠেকানো যাবে না।
অগ্নিকাণ্ডকে নিছক দুর্ঘটনা বলা চলে না, এটা কাঠামোগত ত্রুটির বহিঃপ্রকাশ। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই নীলফামারী জেলার কলকারখানাগুলোয় অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫