মুরাদনগর প্রতিনিধি

মুরাদনগরে থামছেই না কৃষিজমি থেকে খননযন্ত্র (ড্রেজার) দিয়ে অবৈধভাবে মাটি তোলা। বাধা দিতে গেলে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মারধরের মতো ঘটনাও ঘটেছে। সর্বশেষ গত রোববার বিকেলে উপজেলার বাঙ্গরাবাজার থানার পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামে খননযন্ত্র দিয়ে অবৈধভাবে মাটি তোলা বন্ধ করতে গেলে মারধরের শিকার হন ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিয়াদ মাহমুদ (৪১)। ঘটনার দিন রাতেই ছয়জনকে আসামি করে বাঙ্গরাবাজার থানায় মামলা করেন তহশিলদার রিয়াদ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন উপজেলার বাঙ্গরাবাজার থানাধীন কদমতলী গ্রামের রবিন মিয়া (২২) ও ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার কাশিপুর গ্রামের জহিরুল (২৪)। তাঁরা দুজন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এঁদের মধ্যে রবিন কৃষিজমি থেকে মাটি উত্তোলনকারী হুমায়ুন কবিরের ছেলে। গতকাল সোমবার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার পলাতক আসামিরা হলেন উপজেলার কদমতলী গ্রামের পারভেজ ওরফে গোলাম সামদানী (৩০), খামারগ্রাম পশ্চিমপাড়ার সাদ্দাম সরকার (৩৫), জুয়েল মিয়া (২৮) ও খননযন্ত্রের শ্রমিক ময়মনসিংহ জেলার সাদেকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের কদমতলী বিলের স্থানীয় হুমায়ুন কবিরের কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি তোলা হচ্ছে, এমন সংবাদ পায় উপজেলা প্রশাসন। এর ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিষেক দাশের নির্দেশে পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিয়াদ মাহমুদ ওই খননযন্ত্রটি বন্ধ করতে ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায় যন্ত্রটি বন্ধ করার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তহশিলদার রিয়াদ মাহমুদ ও তাঁর অফিস সহায়ক অলি উল্লাহর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এদিকে মামলার পর অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরাও গা ঢাকা দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই চলছে খননযন্ত্র দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খননযন্ত্রের মালিকেরা ক্ষমতাধর হওয়ায় অভিযান পরিচালনা করেও মাটি তোলা বন্ধ করতে পারছে না প্রশাসন। অভিযান পরিচালনা করার কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও কৃষিজমি থেকে মাটি তোলা হয়। এতে আশপাশের জমি ভাঙনের মুখে পড়ে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিষেক দাশ জানান, উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কৃষিজমি রক্ষায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অভিযানে আশানুরূপ ফল পাচ্ছে না। তবে অভিযান আরও কার্যকর করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
বাঙ্গরাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে গতকাল দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মুরাদনগরে থামছেই না কৃষিজমি থেকে খননযন্ত্র (ড্রেজার) দিয়ে অবৈধভাবে মাটি তোলা। বাধা দিতে গেলে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মারধরের মতো ঘটনাও ঘটেছে। সর্বশেষ গত রোববার বিকেলে উপজেলার বাঙ্গরাবাজার থানার পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামে খননযন্ত্র দিয়ে অবৈধভাবে মাটি তোলা বন্ধ করতে গেলে মারধরের শিকার হন ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিয়াদ মাহমুদ (৪১)। ঘটনার দিন রাতেই ছয়জনকে আসামি করে বাঙ্গরাবাজার থানায় মামলা করেন তহশিলদার রিয়াদ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন উপজেলার বাঙ্গরাবাজার থানাধীন কদমতলী গ্রামের রবিন মিয়া (২২) ও ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার কাশিপুর গ্রামের জহিরুল (২৪)। তাঁরা দুজন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এঁদের মধ্যে রবিন কৃষিজমি থেকে মাটি উত্তোলনকারী হুমায়ুন কবিরের ছেলে। গতকাল সোমবার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার পলাতক আসামিরা হলেন উপজেলার কদমতলী গ্রামের পারভেজ ওরফে গোলাম সামদানী (৩০), খামারগ্রাম পশ্চিমপাড়ার সাদ্দাম সরকার (৩৫), জুয়েল মিয়া (২৮) ও খননযন্ত্রের শ্রমিক ময়মনসিংহ জেলার সাদেকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের কদমতলী বিলের স্থানীয় হুমায়ুন কবিরের কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি তোলা হচ্ছে, এমন সংবাদ পায় উপজেলা প্রশাসন। এর ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিষেক দাশের নির্দেশে পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিয়াদ মাহমুদ ওই খননযন্ত্রটি বন্ধ করতে ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায় যন্ত্রটি বন্ধ করার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তহশিলদার রিয়াদ মাহমুদ ও তাঁর অফিস সহায়ক অলি উল্লাহর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এদিকে মামলার পর অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরাও গা ঢাকা দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই চলছে খননযন্ত্র দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খননযন্ত্রের মালিকেরা ক্ষমতাধর হওয়ায় অভিযান পরিচালনা করেও মাটি তোলা বন্ধ করতে পারছে না প্রশাসন। অভিযান পরিচালনা করার কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও কৃষিজমি থেকে মাটি তোলা হয়। এতে আশপাশের জমি ভাঙনের মুখে পড়ে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিষেক দাশ জানান, উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কৃষিজমি রক্ষায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অভিযানে আশানুরূপ ফল পাচ্ছে না। তবে অভিযান আরও কার্যকর করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
বাঙ্গরাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে গতকাল দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫