সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে সুচিকিৎসা পাওয়া দুর্লভ বিষয় হয়ে উঠেছে। আর এ ব্যবস্থায় পুরোপুরি নৈরাজ্য চলছে। চিকিৎসাব্যবস্থার সুদিন ফেরানোর জন্য একটি আইন পাসের প্রক্রিয়া চলছে। তা নিয়েই আজকের পত্রিকায় ‘পাস হওয়ার আগেই বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা’ বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদের বিষয়ে যাওয়ার আগে জানা যেতে পারে দেশে চিকিৎসাব্যবস্থায় কী চলছে? আমাদের দেশে অনেক আগে থেকেই অন্যান্য মৌলিক চাহিদার মতো চিকিৎসাও পরিণত হয়েছে একটা পণ্যে, যার বাণিজ্যিক রূপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
যে আইনটি করার কথা ভাবা হচ্ছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত কোনো স্বাস্থ্যকর্মী নির্ধারিত অফিস সময়ে অন্য কোথাও সেবা দিলে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। কোনো স্বাস্থ্যকর্মীকে হুমকি দিলে বা আঘাত করলে অথবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করলে তিন লাখ টাকা জরিমানা, এমনকি দুই বছরের দণ্ডও হতে পারে। এসবের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালের নিবন্ধন পেতে প্রত্যেক রোগীর জন্য রাখতে হবে কমপক্ষে ৮০ বর্গফুট জায়গা। আইন অমান্য করলে প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা যাবে বেসরকারি হাসপাতাল। এমন সব বিধান রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন, ২০২২’-এর খসড়া।
এরই মধ্যে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। যদিও খসড়াটিতে রোগীর স্বার্থ সংরক্ষিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ নিয়েই আমাদের কিছু কথা বলার আছে।মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির পথ আমাদের দেশে যেমন অমসৃণ, তেমনি অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণও এবং একই সঙ্গে ব্যয়বহুল। ভুল চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে গেছেন—এমন নজির তো বলে শেষ করা যাবে না। আবার ভুল চিকিৎসার কারণে মৃত্যুর হার বাড়ছে। কত অসহায় মানুষ আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অসুস্থতার হাত থেকে রেহাইও পান না। ফলে তাঁদের জীবনটাই পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়। মূলত ভুল চিকিৎসা ও অবহেলাজনিত কারণে অপ্রীতিকর ঘটনাও নিত্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকের অবহেলা কিংবা ভুলের কারণে সৃষ্ট এসব ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আর আলোর মুখ দেখে না। এ কারণে দোষী চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান। এ ছাড়া ভুল চিকিৎসার বিরুদ্ধে এ দেশে কোনো অনুসন্ধান হয় না, অভিযোগ হয় না, ক্ষতিপূরণের নজির নেই বললেই চলে। ভুল চিকিৎসার
শিকার বেশির ভাগ মানুষ ক্ষতিপূরণের কোনো অভিযোগ ছাড়াই চুপচাপ বাড়ি ফিরে যান।
আমাদের কথা হলো, শুধু বেসরকারি হাসপাতাল নিবন্ধন পাওয়ার জন্য আইন করলেই কি হবে? অসহায় রোগীদের সুচিকিৎসা না পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব কারণ দায়ী, তার জন্য কি কোনো আইন হবে না? তাই জনগণ আগে, না চিকিৎসক ও বেসরকারি হাসপাতাল আগে—সে প্রশ্নটির সুরাহা হওয়া উচিত। চিকিৎসা খাতে দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি জনগণের সুচিকিৎসা প্রাপ্তির আইন পাসের উদ্যোগ এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা গ্রহণ করা জরুরি।

বাংলাদেশে সুচিকিৎসা পাওয়া দুর্লভ বিষয় হয়ে উঠেছে। আর এ ব্যবস্থায় পুরোপুরি নৈরাজ্য চলছে। চিকিৎসাব্যবস্থার সুদিন ফেরানোর জন্য একটি আইন পাসের প্রক্রিয়া চলছে। তা নিয়েই আজকের পত্রিকায় ‘পাস হওয়ার আগেই বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা’ বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদের বিষয়ে যাওয়ার আগে জানা যেতে পারে দেশে চিকিৎসাব্যবস্থায় কী চলছে? আমাদের দেশে অনেক আগে থেকেই অন্যান্য মৌলিক চাহিদার মতো চিকিৎসাও পরিণত হয়েছে একটা পণ্যে, যার বাণিজ্যিক রূপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
যে আইনটি করার কথা ভাবা হচ্ছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত কোনো স্বাস্থ্যকর্মী নির্ধারিত অফিস সময়ে অন্য কোথাও সেবা দিলে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। কোনো স্বাস্থ্যকর্মীকে হুমকি দিলে বা আঘাত করলে অথবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করলে তিন লাখ টাকা জরিমানা, এমনকি দুই বছরের দণ্ডও হতে পারে। এসবের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালের নিবন্ধন পেতে প্রত্যেক রোগীর জন্য রাখতে হবে কমপক্ষে ৮০ বর্গফুট জায়গা। আইন অমান্য করলে প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা যাবে বেসরকারি হাসপাতাল। এমন সব বিধান রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন, ২০২২’-এর খসড়া।
এরই মধ্যে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। যদিও খসড়াটিতে রোগীর স্বার্থ সংরক্ষিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ নিয়েই আমাদের কিছু কথা বলার আছে।মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির পথ আমাদের দেশে যেমন অমসৃণ, তেমনি অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণও এবং একই সঙ্গে ব্যয়বহুল। ভুল চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে গেছেন—এমন নজির তো বলে শেষ করা যাবে না। আবার ভুল চিকিৎসার কারণে মৃত্যুর হার বাড়ছে। কত অসহায় মানুষ আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অসুস্থতার হাত থেকে রেহাইও পান না। ফলে তাঁদের জীবনটাই পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়। মূলত ভুল চিকিৎসা ও অবহেলাজনিত কারণে অপ্রীতিকর ঘটনাও নিত্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকের অবহেলা কিংবা ভুলের কারণে সৃষ্ট এসব ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আর আলোর মুখ দেখে না। এ কারণে দোষী চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান। এ ছাড়া ভুল চিকিৎসার বিরুদ্ধে এ দেশে কোনো অনুসন্ধান হয় না, অভিযোগ হয় না, ক্ষতিপূরণের নজির নেই বললেই চলে। ভুল চিকিৎসার
শিকার বেশির ভাগ মানুষ ক্ষতিপূরণের কোনো অভিযোগ ছাড়াই চুপচাপ বাড়ি ফিরে যান।
আমাদের কথা হলো, শুধু বেসরকারি হাসপাতাল নিবন্ধন পাওয়ার জন্য আইন করলেই কি হবে? অসহায় রোগীদের সুচিকিৎসা না পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব কারণ দায়ী, তার জন্য কি কোনো আইন হবে না? তাই জনগণ আগে, না চিকিৎসক ও বেসরকারি হাসপাতাল আগে—সে প্রশ্নটির সুরাহা হওয়া উচিত। চিকিৎসা খাতে দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি জনগণের সুচিকিৎসা প্রাপ্তির আইন পাসের উদ্যোগ এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা গ্রহণ করা জরুরি।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫