সম্পাদকীয়

নকশাল আন্দোলন যখন শুরু হয়েছে, তখন যদি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বয়স উনিশ-কুড়ি হতো, তাহলে তিনি অনায়াসে তাতে যোগ দিতেন। ছাত্র বয়সে বামপন্থীদের মিছিলে গেছেন। একসময় সেখান থেকে সরেও এসেছেন। একটা সর্বাত্মক বিপ্লব ছাড়া এই পচা-গলা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয় বলে মানতেন। বিপ্লব শব্দটাও ছিল খুবই আকর্ষণীয়। ‘চে গুয়েভারার প্রতি’, ‘আমার স্বপ্ন’ কবিতাগুলোয় বিপ্লব নিয়ে তাঁর ভাবনার প্রকাশ দেখা যাবে।
নকশালেরা সুনীলকে পছন্দ করত না। এর কারণ হলো যে পত্রিকাটিকে নকশালেরা প্রতিক্রিয়াশীলতার দুর্গ বলে মনে করে, সেটাই ছিল সুনীলের কর্মস্থল।আমেরিকায় ঘুরে এসেছেন সুনীল, সেটাও তাঁর প্রতি নকশালদের বিদ্বেষের আরেকটি কারণ। কংগ্রেসের মুখপত্র জনসেবকেও কিছুদিন কাজ করেছেন, ফলে এ রকম পোক্ত শ্রেণিশত্রুকে তো চিহ্নিত করাই যায়।
নকশাল আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন পশ্চিম জার্মানির কনস্যুলেটের একটি পার্টিতে সমর সেনের সঙ্গে দেখা হলো সুনীলের। সে সময় সমর সেন কবিতা ছেড়ে পুরোদস্তুর সাংবাদিক। পুরোপুরি নকশাল বিপ্লবের সমর্থক। সুনীলের সঙ্গে মুখোমুখি পরিচয় ছিল না সমর সেনের। তবে কৃত্তিবাসে সমর সেনকে নিয়ে একটা কবিতা লিখেছিলেন তিনি। তাতে কেন তিনি কবিতা থেকে দূরে সরে গেলেন, তা নিয়ে আক্ষেপ ছিল। সেই কৃত্তিবাস সমর সেনকে দেওয়া হলে তিনি নাকি কবিতাটি পড়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন।
সমর সেনের সঙ্গে কেউ একজন সুনীলকে পরিচয় করিয়ে দিল। সমর সেন রামের গ্লাস হাতে নিয়ে বললেন, ‘সত্যজিৎ রায়ের দালালটা না?’
সত্যজিৎ সে সময় সুনীলের কাহিনি নিয়ে ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ ছবিটি করেছেন। এ জন্য কেন সুনীলকে দালাল আখ্যা দেওয়া হবে, তা তিনি বুঝতে পারেননি।
সুনীলকে তির্যক বিদ্রূপ করা শুরু করলে সুনীল জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি ক্যাপিটালিস্ট পশ্চিম জার্মানির এই বড়লোকদের পার্টিতে মদ খেতে এসেছেন কেন?’
ভীষণ খেপে গিয়ে সমর সেন বললেন, ‘এই ছেলেটার নাম খতমের তালিকায় আছে না? কত নম্বরে?’
সূত্র: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, অর্ধেক জীবন, পৃষ্ঠা ৩০৪

নকশাল আন্দোলন যখন শুরু হয়েছে, তখন যদি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বয়স উনিশ-কুড়ি হতো, তাহলে তিনি অনায়াসে তাতে যোগ দিতেন। ছাত্র বয়সে বামপন্থীদের মিছিলে গেছেন। একসময় সেখান থেকে সরেও এসেছেন। একটা সর্বাত্মক বিপ্লব ছাড়া এই পচা-গলা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয় বলে মানতেন। বিপ্লব শব্দটাও ছিল খুবই আকর্ষণীয়। ‘চে গুয়েভারার প্রতি’, ‘আমার স্বপ্ন’ কবিতাগুলোয় বিপ্লব নিয়ে তাঁর ভাবনার প্রকাশ দেখা যাবে।
নকশালেরা সুনীলকে পছন্দ করত না। এর কারণ হলো যে পত্রিকাটিকে নকশালেরা প্রতিক্রিয়াশীলতার দুর্গ বলে মনে করে, সেটাই ছিল সুনীলের কর্মস্থল।আমেরিকায় ঘুরে এসেছেন সুনীল, সেটাও তাঁর প্রতি নকশালদের বিদ্বেষের আরেকটি কারণ। কংগ্রেসের মুখপত্র জনসেবকেও কিছুদিন কাজ করেছেন, ফলে এ রকম পোক্ত শ্রেণিশত্রুকে তো চিহ্নিত করাই যায়।
নকশাল আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন পশ্চিম জার্মানির কনস্যুলেটের একটি পার্টিতে সমর সেনের সঙ্গে দেখা হলো সুনীলের। সে সময় সমর সেন কবিতা ছেড়ে পুরোদস্তুর সাংবাদিক। পুরোপুরি নকশাল বিপ্লবের সমর্থক। সুনীলের সঙ্গে মুখোমুখি পরিচয় ছিল না সমর সেনের। তবে কৃত্তিবাসে সমর সেনকে নিয়ে একটা কবিতা লিখেছিলেন তিনি। তাতে কেন তিনি কবিতা থেকে দূরে সরে গেলেন, তা নিয়ে আক্ষেপ ছিল। সেই কৃত্তিবাস সমর সেনকে দেওয়া হলে তিনি নাকি কবিতাটি পড়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন।
সমর সেনের সঙ্গে কেউ একজন সুনীলকে পরিচয় করিয়ে দিল। সমর সেন রামের গ্লাস হাতে নিয়ে বললেন, ‘সত্যজিৎ রায়ের দালালটা না?’
সত্যজিৎ সে সময় সুনীলের কাহিনি নিয়ে ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ ছবিটি করেছেন। এ জন্য কেন সুনীলকে দালাল আখ্যা দেওয়া হবে, তা তিনি বুঝতে পারেননি।
সুনীলকে তির্যক বিদ্রূপ করা শুরু করলে সুনীল জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি ক্যাপিটালিস্ট পশ্চিম জার্মানির এই বড়লোকদের পার্টিতে মদ খেতে এসেছেন কেন?’
ভীষণ খেপে গিয়ে সমর সেন বললেন, ‘এই ছেলেটার নাম খতমের তালিকায় আছে না? কত নম্বরে?’
সূত্র: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, অর্ধেক জীবন, পৃষ্ঠা ৩০৪

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫