ফারুক মেহেদী, ঢাকা

করোনার ধাক্কায় অল্পের জন্য খাদের কিনার থেকে ফিরে আসা অর্থনীতি নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টার মধ্যে রয়েছে। অর্থনীতির কমবেশি প্রায় সব সূচকই ভালো অবস্থায় আছে। রপ্তানি বাড়ছে। রাজস্ব আয়েও ইতিবাচক ধারা। রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় গত কয়েক মাস কিছুটা কম হলেও কর্মীরা বিদেশে যাচ্ছেন। নতুন নতুন বাজার খুলছে, সামনে এ প্রবাহ বাড়তে পারে।
করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের চোখরাঙানি আছে। তারপরও এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। চ্যালেঞ্জ হচ্ছে একে আরও দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়ার। জ্বালানি তেলের বাড়তি দামের কারণে বিশ্বব্যাপী নিত্যপণ্যসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা ছিল। সুখবর হলো, কিছুদিন ধরে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসছে। এ থেকে সুফল নিতে ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ আছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও বিশ্লেষকেরা নতুন বছরকে আশা আর সম্ভাবনার মেলবন্ধন ঘটানোর বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তাঁরা মনে করেন, সব বাধা পেরিয়ে এগিয়ে চলার গতি টেকসই করাই হবে সরকার ও বেসরকারি খাতের অন্যতম কৌশল।
এ ব্যাপারে বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ে সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এখন করোনা-পরবর্তী পুনরুদ্ধারের মধ্যে আছি। ছয় মাস ধরে একটা উত্তরণ ঘটছে। রাজস্ব, রপ্তানি, বেসরকারি ঋণপ্রবাহ–সব কটি সূচকই ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। চ্যালেঞ্জ হলো এটা ধরে রাখা। না হলে হোঁচট খাওয়ার শঙ্কা আছে। বৈশ্বিক কিছু ঝুঁকিও আছে। ওমিক্রন বাড়ছে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকিটা হচ্ছে ভাইরাস চলে যাবে না। চ্যালেঞ্জটা হলো, এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে কীভাবে চলা যায়। এটা মেনে নিয়েই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা করতে হবে। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। আমার ধারণা তা সাড়ে ছয় থেকে সাত পর্যন্ত উঠবে। এটা সহনীয় রাখতে পারাই হবে অগ্রাধিকার।’
বিশ্বে করোনার কারণে যেখানে সার্বিক অর্থনীতির গতি থমকে গেছে; সেখানে বাংলাদেশ ঝুঁকি মোকাবিলায় অনেকটাই সফল। বলা যায়, অর্থনীতি টিকে গেছে। তবে টিকে গেলেও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত হয়নি। ওমিক্রন আঘাত করলে, বিদ্যমান পুনরুদ্ধার কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, তার প্রস্তুতির কথা উঠেছে। যদিও সরকার গত প্রায় দুই বছরে করোনা ভালোভাবে সামাল দিয়ে এরই মধ্যে একটা সক্ষমতা তৈরি করেছে। এখন বুস্টার ডোজ চলছে। টিকা কার্যক্রম বেগবান রয়েছে। ওমিক্রনের সংক্রমণ বাড়লে যাতে পোশাক খাতের রপ্তানি ব্যাহত না হয়, সে জন্য আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে খাতটির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার কৌশল নেওয়ার কথা বলছেন বিশ্লেষকেরা।
এরই মধ্যে করোনা সহনীয় হয়ে আসায় বিশ্বে সবকিছুতে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে সরবরাহে প্রভাব পড়েছে। ধাক্কা লেগেছে পণ্যের দামে। এটি সামনের দিনে সরকার ও জনগণের বড় মাথাব্যথার কারণ হতে পারে সব মহল থেকেই বলা হচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বলছে, বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম গত এক বছরে প্রায় সাড়ে ৩২ শতাংশ বেড়েছে। সবচেয়ে বেড়েছে চিনি, ভোজ্যতেল, আর ডেইরি পণ্যের দাম। আর এগুলো বাংলাদেশ আমদানি করে থাকে। এর বাইরেও বাংলাদেশ জ্বালানি তেলসহ অন্য অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানিকারক দেশ। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং এর প্রভাবে অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ার ফলে বাংলাদেশেও এর দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। একদিকে পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে, অন্যদিকে এসব পণ্য আমদানিতে ফ্রেইট থেকে শুরু করে পণ্য দেশে আনা ও দেশের ভেতরে পরিবহন করা পর্যন্ত সব স্তরে খরচ বেড়েছে। আর এর প্রভাব সরাসরি ভোক্তার ওপর পড়ছে।
মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৫ শতাংশ থেকে তা এখন ৬ শতাংশ ছুঁই ছুঁই করছে। এটা নিয়ে সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি আছে। এ ব্যাপারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ২০২১ সালে আমরা ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছি। আমাদের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ঠিক আছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ, রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষিতে আমরা ভালো করেছি। তবে চ্যালেঞ্জ হলো মূল্যস্ফীতি। করোনা সহনীয় হওয়ায় সবকিছুর বর্ধিত চাহিদা তৈরি হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। তার প্রভাব পড়েছে মূল্যস্ফীতিতে। উদ্বেগের ব্যাপার হলো, সামনের দিনগুলোয় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও খাদ্যপণ্যের দাম না কমলে এটা আমাদের দেশের জন্য চ্যালেঞ্জই হবে।’
বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এখন সরকারের কাজ হবে সূচকগুলোর ইতিবাচক ধারা টেকসই করা। বিশেষ করে প্রবাসী আয় যাতে বাড়ে, সেদিকে নজর রাখতে হবে। এর পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা জরুরি। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সামনের দিনগুলোয় অবকাঠামোসহ বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্ড মার্কেটকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। বাজারকে আরও পরিণত করতে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
করোনার চোখরাঙানি সত্ত্বেও নতুন বছরে পদ্মা সেতু দিয়ে গাড়ি চলবে। রাজধানীতে চলবে মেট্রোরেল। অবকাঠামো খাতে ব্যাপক উন্নয়ন চলছে। প্রশ্ন উঠছে এসব কর্মকাণ্ডের অপচয় আর দুর্নীতি কমানোর সক্ষমতা নিয়ে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ধাক্কা কীভাবে সামলানো হবে—এমন কিছু চ্যালেঞ্জও নতুন বছরে সামনে আসবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কৌশল গ্রহণের চাপ আসবে সরকার ও বেসরকারি খাতে। ডিজিটাল সেবা, ই-কমার্স, মোবাইল ফাইন্যান্সিং তথা আইসিটি খাতের ব্যাপক প্রসার ঘটছে। এসবই অর্থনীতির সামনে সম্ভাবনা। তবে এগুলো নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে। এরই মধ্যে ই-কমার্স খাত ধাক্কা খেয়েছে। নতুন বছরে একে দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে বলে মনে করছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। সব মিলিয়ে অর্থনীতিবিদ, সরকারের নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, নতুন বছরে সরকারের দায়িত্ব চলমান অগ্রগতির ধারা টেকসই করতে সম্ভাব্য ঝুঁকির দক্ষ ব্যবস্থাপনা।

করোনার ধাক্কায় অল্পের জন্য খাদের কিনার থেকে ফিরে আসা অর্থনীতি নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টার মধ্যে রয়েছে। অর্থনীতির কমবেশি প্রায় সব সূচকই ভালো অবস্থায় আছে। রপ্তানি বাড়ছে। রাজস্ব আয়েও ইতিবাচক ধারা। রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় গত কয়েক মাস কিছুটা কম হলেও কর্মীরা বিদেশে যাচ্ছেন। নতুন নতুন বাজার খুলছে, সামনে এ প্রবাহ বাড়তে পারে।
করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের চোখরাঙানি আছে। তারপরও এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। চ্যালেঞ্জ হচ্ছে একে আরও দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়ার। জ্বালানি তেলের বাড়তি দামের কারণে বিশ্বব্যাপী নিত্যপণ্যসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা ছিল। সুখবর হলো, কিছুদিন ধরে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসছে। এ থেকে সুফল নিতে ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ আছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও বিশ্লেষকেরা নতুন বছরকে আশা আর সম্ভাবনার মেলবন্ধন ঘটানোর বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তাঁরা মনে করেন, সব বাধা পেরিয়ে এগিয়ে চলার গতি টেকসই করাই হবে সরকার ও বেসরকারি খাতের অন্যতম কৌশল।
এ ব্যাপারে বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ে সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এখন করোনা-পরবর্তী পুনরুদ্ধারের মধ্যে আছি। ছয় মাস ধরে একটা উত্তরণ ঘটছে। রাজস্ব, রপ্তানি, বেসরকারি ঋণপ্রবাহ–সব কটি সূচকই ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। চ্যালেঞ্জ হলো এটা ধরে রাখা। না হলে হোঁচট খাওয়ার শঙ্কা আছে। বৈশ্বিক কিছু ঝুঁকিও আছে। ওমিক্রন বাড়ছে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকিটা হচ্ছে ভাইরাস চলে যাবে না। চ্যালেঞ্জটা হলো, এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে কীভাবে চলা যায়। এটা মেনে নিয়েই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা করতে হবে। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। আমার ধারণা তা সাড়ে ছয় থেকে সাত পর্যন্ত উঠবে। এটা সহনীয় রাখতে পারাই হবে অগ্রাধিকার।’
বিশ্বে করোনার কারণে যেখানে সার্বিক অর্থনীতির গতি থমকে গেছে; সেখানে বাংলাদেশ ঝুঁকি মোকাবিলায় অনেকটাই সফল। বলা যায়, অর্থনীতি টিকে গেছে। তবে টিকে গেলেও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত হয়নি। ওমিক্রন আঘাত করলে, বিদ্যমান পুনরুদ্ধার কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, তার প্রস্তুতির কথা উঠেছে। যদিও সরকার গত প্রায় দুই বছরে করোনা ভালোভাবে সামাল দিয়ে এরই মধ্যে একটা সক্ষমতা তৈরি করেছে। এখন বুস্টার ডোজ চলছে। টিকা কার্যক্রম বেগবান রয়েছে। ওমিক্রনের সংক্রমণ বাড়লে যাতে পোশাক খাতের রপ্তানি ব্যাহত না হয়, সে জন্য আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে খাতটির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার কৌশল নেওয়ার কথা বলছেন বিশ্লেষকেরা।
এরই মধ্যে করোনা সহনীয় হয়ে আসায় বিশ্বে সবকিছুতে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে সরবরাহে প্রভাব পড়েছে। ধাক্কা লেগেছে পণ্যের দামে। এটি সামনের দিনে সরকার ও জনগণের বড় মাথাব্যথার কারণ হতে পারে সব মহল থেকেই বলা হচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বলছে, বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম গত এক বছরে প্রায় সাড়ে ৩২ শতাংশ বেড়েছে। সবচেয়ে বেড়েছে চিনি, ভোজ্যতেল, আর ডেইরি পণ্যের দাম। আর এগুলো বাংলাদেশ আমদানি করে থাকে। এর বাইরেও বাংলাদেশ জ্বালানি তেলসহ অন্য অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানিকারক দেশ। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং এর প্রভাবে অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ার ফলে বাংলাদেশেও এর দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। একদিকে পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে, অন্যদিকে এসব পণ্য আমদানিতে ফ্রেইট থেকে শুরু করে পণ্য দেশে আনা ও দেশের ভেতরে পরিবহন করা পর্যন্ত সব স্তরে খরচ বেড়েছে। আর এর প্রভাব সরাসরি ভোক্তার ওপর পড়ছে।
মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৫ শতাংশ থেকে তা এখন ৬ শতাংশ ছুঁই ছুঁই করছে। এটা নিয়ে সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি আছে। এ ব্যাপারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ২০২১ সালে আমরা ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছি। আমাদের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ঠিক আছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ, রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষিতে আমরা ভালো করেছি। তবে চ্যালেঞ্জ হলো মূল্যস্ফীতি। করোনা সহনীয় হওয়ায় সবকিছুর বর্ধিত চাহিদা তৈরি হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। তার প্রভাব পড়েছে মূল্যস্ফীতিতে। উদ্বেগের ব্যাপার হলো, সামনের দিনগুলোয় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও খাদ্যপণ্যের দাম না কমলে এটা আমাদের দেশের জন্য চ্যালেঞ্জই হবে।’
বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এখন সরকারের কাজ হবে সূচকগুলোর ইতিবাচক ধারা টেকসই করা। বিশেষ করে প্রবাসী আয় যাতে বাড়ে, সেদিকে নজর রাখতে হবে। এর পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা জরুরি। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সামনের দিনগুলোয় অবকাঠামোসহ বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্ড মার্কেটকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। বাজারকে আরও পরিণত করতে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
করোনার চোখরাঙানি সত্ত্বেও নতুন বছরে পদ্মা সেতু দিয়ে গাড়ি চলবে। রাজধানীতে চলবে মেট্রোরেল। অবকাঠামো খাতে ব্যাপক উন্নয়ন চলছে। প্রশ্ন উঠছে এসব কর্মকাণ্ডের অপচয় আর দুর্নীতি কমানোর সক্ষমতা নিয়ে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ধাক্কা কীভাবে সামলানো হবে—এমন কিছু চ্যালেঞ্জও নতুন বছরে সামনে আসবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কৌশল গ্রহণের চাপ আসবে সরকার ও বেসরকারি খাতে। ডিজিটাল সেবা, ই-কমার্স, মোবাইল ফাইন্যান্সিং তথা আইসিটি খাতের ব্যাপক প্রসার ঘটছে। এসবই অর্থনীতির সামনে সম্ভাবনা। তবে এগুলো নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে। এরই মধ্যে ই-কমার্স খাত ধাক্কা খেয়েছে। নতুন বছরে একে দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে বলে মনে করছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। সব মিলিয়ে অর্থনীতিবিদ, সরকারের নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, নতুন বছরে সরকারের দায়িত্ব চলমান অগ্রগতির ধারা টেকসই করতে সম্ভাব্য ঝুঁকির দক্ষ ব্যবস্থাপনা।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫