সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক এলাকা থেকে চুনের ১৩ কারখানা এখনো সরাতে পারেনি প্রশাসন। কারখানাগুলোর সঙ্গে স্থানীয় কাউন্সিলররা জড়িত থাকায় সরানোর বিষয়ে তাঁরাও নীরব রয়েছেন। কারখানাগুলোর কালো ধোঁয়া ও অতিরিক্ত তাপে আশপাশের বাসিন্দারা অসহায় হয়ে রয়েছেন। এ বিষয়ে গত ১৫ অক্টোবর আজকের পত্রিকায় ‘আবাসিকে ১৩ চুনের কারখানা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরও কারখানাগুলো বন্ধে প্রশাসন থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকা ঘনবসতিপূর্ণ। এ এলাকায় রয়েছে আদমজী ইপিজেডসহ অসংখ্য কারখানা। জরিপ অনুযায়ী সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় জনসংখ্যা রয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অধীনে রয়েছে ১০টি ওয়ার্ড। আর এসব ওয়ার্ডে চুন তৈরির কারখানা আছে ১৩টি। একটি সূত্রে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের বেশির ভাগ চুন কারখানার অনুমোদন নেই। যেগুলোর আছে সেগুলোর লাইসেন্স নবায়ন নেই। মূলত প্রভাবশালীরা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কারখানাগুলো পরিচালনা করছেন। এ ছাড়া একটি কারখানার মালিক নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) বর্তমান কাউন্সিলর। সাবেক কাউন্সিলরের বাবাও পরিচালনা করছেন অপর একটি চুন কারখানা।
নাসিক ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি সিআই খোলা এলাকার জাজিরা লাইমস চুন কারখানার মালিক নাসিক ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলাম, হিরাঝিল এলাকার মদিনা লাইমস কারখানার মালিক নাসিক ১ ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ওমর ফারুকের বাবা ইউনুছ মিয়া, তার পাশেই রনি লাইমস নামের কারখানার মালিক চান মিয়া ও সুরমা লাইমসের মালিক জালাল মিয়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের ফয়সাল লাইমসের মালিক বাবুল মিয়া, ঢাকা ও যমুনা লাইমসের মালিক খোরশেদ মিয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ পুলের পাশের লাইমসের মালিক প্রয়াত আবু তালেব, আটি গ্রাম এলাকায় আরাফাত লাইমসের মালিক হযরত আলী, আশরাফ আলী লাইমসের মালিক জালাল মিয়া, মেঘনা লাইমসের মালিক আব্দুল হাই, ওয়াপদা কলোনি এলাকার খাজা লাইমসের মালিক সোহেল মিয়া, হারুন লাইমসের মালিক সাদেক মিয়া, রহমান লাইমসের মালিক শহীদ হোসেন বিটু।
কারখানার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত পাথর সড়ক আটকে লোড-আনলোড করারও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি রাস্তার পাশেই রাখা হয় পাথর। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয় পথচারীদের। কারখানাগুলোর দূষিত বাতাসে আশপাশের মানুষ শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। মিজমিজি এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, `চুন কারখানার দূষিত ধোঁয়ার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে আছি। কারখানার মালিকেরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারে না। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অপর একজন জানান, জাজিরা লাইমস কারখানাটি আমাদের বর্তমান কাউন্সিলরের। তাই কিছু বলার নেই। আমাদের কাজ শুধু ধোঁয়া খেয়ে মরা।’
মেসার্স রনি লাইমস কারখানার ম্যানেজার শহীদুল ইসলাম বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই কারখানা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে জাজিরা লাইমসের মালিক ও ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘আমি এর আগেও বলেছি, আমার কারখানার জন্য সরকার জায়গা করে দিক। আমি আমার কারখানা নিয়ে চলে যাব।’ মেঘনা লাইমসের মালিক আব্দুল হাই বলেন, `সরকার আমাদের এখনো পর্যন্ত কিছু বলেনি। সরকার যদি জায়গা দেয় তাহলে আমি অবশ্যই জায়গা পরিবর্তন করব।’
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল আল মামুন বলেন, তদন্ত করে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কথা হলে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ রাজু বলেন, ‘চুন কারখানার বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।’

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক এলাকা থেকে চুনের ১৩ কারখানা এখনো সরাতে পারেনি প্রশাসন। কারখানাগুলোর সঙ্গে স্থানীয় কাউন্সিলররা জড়িত থাকায় সরানোর বিষয়ে তাঁরাও নীরব রয়েছেন। কারখানাগুলোর কালো ধোঁয়া ও অতিরিক্ত তাপে আশপাশের বাসিন্দারা অসহায় হয়ে রয়েছেন। এ বিষয়ে গত ১৫ অক্টোবর আজকের পত্রিকায় ‘আবাসিকে ১৩ চুনের কারখানা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরও কারখানাগুলো বন্ধে প্রশাসন থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকা ঘনবসতিপূর্ণ। এ এলাকায় রয়েছে আদমজী ইপিজেডসহ অসংখ্য কারখানা। জরিপ অনুযায়ী সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় জনসংখ্যা রয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অধীনে রয়েছে ১০টি ওয়ার্ড। আর এসব ওয়ার্ডে চুন তৈরির কারখানা আছে ১৩টি। একটি সূত্রে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের বেশির ভাগ চুন কারখানার অনুমোদন নেই। যেগুলোর আছে সেগুলোর লাইসেন্স নবায়ন নেই। মূলত প্রভাবশালীরা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কারখানাগুলো পরিচালনা করছেন। এ ছাড়া একটি কারখানার মালিক নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) বর্তমান কাউন্সিলর। সাবেক কাউন্সিলরের বাবাও পরিচালনা করছেন অপর একটি চুন কারখানা।
নাসিক ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি সিআই খোলা এলাকার জাজিরা লাইমস চুন কারখানার মালিক নাসিক ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলাম, হিরাঝিল এলাকার মদিনা লাইমস কারখানার মালিক নাসিক ১ ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ওমর ফারুকের বাবা ইউনুছ মিয়া, তার পাশেই রনি লাইমস নামের কারখানার মালিক চান মিয়া ও সুরমা লাইমসের মালিক জালাল মিয়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের ফয়সাল লাইমসের মালিক বাবুল মিয়া, ঢাকা ও যমুনা লাইমসের মালিক খোরশেদ মিয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ পুলের পাশের লাইমসের মালিক প্রয়াত আবু তালেব, আটি গ্রাম এলাকায় আরাফাত লাইমসের মালিক হযরত আলী, আশরাফ আলী লাইমসের মালিক জালাল মিয়া, মেঘনা লাইমসের মালিক আব্দুল হাই, ওয়াপদা কলোনি এলাকার খাজা লাইমসের মালিক সোহেল মিয়া, হারুন লাইমসের মালিক সাদেক মিয়া, রহমান লাইমসের মালিক শহীদ হোসেন বিটু।
কারখানার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত পাথর সড়ক আটকে লোড-আনলোড করারও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি রাস্তার পাশেই রাখা হয় পাথর। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয় পথচারীদের। কারখানাগুলোর দূষিত বাতাসে আশপাশের মানুষ শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। মিজমিজি এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, `চুন কারখানার দূষিত ধোঁয়ার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে আছি। কারখানার মালিকেরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারে না। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অপর একজন জানান, জাজিরা লাইমস কারখানাটি আমাদের বর্তমান কাউন্সিলরের। তাই কিছু বলার নেই। আমাদের কাজ শুধু ধোঁয়া খেয়ে মরা।’
মেসার্স রনি লাইমস কারখানার ম্যানেজার শহীদুল ইসলাম বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই কারখানা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে জাজিরা লাইমসের মালিক ও ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘আমি এর আগেও বলেছি, আমার কারখানার জন্য সরকার জায়গা করে দিক। আমি আমার কারখানা নিয়ে চলে যাব।’ মেঘনা লাইমসের মালিক আব্দুল হাই বলেন, `সরকার আমাদের এখনো পর্যন্ত কিছু বলেনি। সরকার যদি জায়গা দেয় তাহলে আমি অবশ্যই জায়গা পরিবর্তন করব।’
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল আল মামুন বলেন, তদন্ত করে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কথা হলে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ রাজু বলেন, ‘চুন কারখানার বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫