মোহাম্মদ আলী, বাবুগঞ্জ

বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভূতের দিয়া (নতুনচর) গ্রামের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সেতুটি দেবে গেছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্কুলের শিক্ষার্থীসহ গ্রামের বাসিন্দারা। যেকোনো সময় সেতুটি ধসে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।
গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির পিলার দেবে গেছে। সেতুর দক্ষিণ পাশে দেবে যাওয়া অংশে, কাঠ দিয়ে সাঁকো বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ ভূতেরদিয়া (নতুনচর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পারাপার ও এলাকাবাসীর সুবিধার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ২০১৫–১৬ অর্থবছরে সেতুটি নির্মাণ করে। কিন্তু দুই মাস আগে খুঁটি দেবে সেতুটি হেলে পড়ে। এতে সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আক্তার হোসেন, মো. শাহাব উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন জানান, সেতু দিয়ে শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, অন্য গ্রামবাসীরাও আসা-যাওয়া করতে ভয় পান। কয়েক দিন আগে মো. আবু বকর নামের এক ব্যক্তি সেতু পারাপারের সময় পরে গিয়ে আহত হয়েছেন। এ ছাড়া এলাকার বেশির ভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে এই সেতু দিয়ে বাজারে যেতে হয়। সেতুটি দেবে যাওয়ায় এলাকার মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তাই সেতুটি সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন।
দক্ষিণ ভূতের দিয়া নতুনচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষার্থী ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে খুব আতঙ্কে আছি। ওই সেতু ছাড়া বিদ্যালয়ে আসার বিকল্প পথ নেই। যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। আমি সেতুটি সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি’।
কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. আরিফ মাহমুদ জানান, সেতুটির খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুত সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
কেদারপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নূরে আলম বেপারী জানান, সেতুটি সংস্কারের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমীনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর জানা ছিল না। উপজেলা প্রকৌশলীকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করবেন।

বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভূতের দিয়া (নতুনচর) গ্রামের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সেতুটি দেবে গেছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্কুলের শিক্ষার্থীসহ গ্রামের বাসিন্দারা। যেকোনো সময় সেতুটি ধসে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।
গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির পিলার দেবে গেছে। সেতুর দক্ষিণ পাশে দেবে যাওয়া অংশে, কাঠ দিয়ে সাঁকো বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ ভূতেরদিয়া (নতুনচর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পারাপার ও এলাকাবাসীর সুবিধার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ২০১৫–১৬ অর্থবছরে সেতুটি নির্মাণ করে। কিন্তু দুই মাস আগে খুঁটি দেবে সেতুটি হেলে পড়ে। এতে সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আক্তার হোসেন, মো. শাহাব উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন জানান, সেতু দিয়ে শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, অন্য গ্রামবাসীরাও আসা-যাওয়া করতে ভয় পান। কয়েক দিন আগে মো. আবু বকর নামের এক ব্যক্তি সেতু পারাপারের সময় পরে গিয়ে আহত হয়েছেন। এ ছাড়া এলাকার বেশির ভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে এই সেতু দিয়ে বাজারে যেতে হয়। সেতুটি দেবে যাওয়ায় এলাকার মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তাই সেতুটি সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন।
দক্ষিণ ভূতের দিয়া নতুনচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষার্থী ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে খুব আতঙ্কে আছি। ওই সেতু ছাড়া বিদ্যালয়ে আসার বিকল্প পথ নেই। যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। আমি সেতুটি সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি’।
কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. আরিফ মাহমুদ জানান, সেতুটির খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুত সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
কেদারপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নূরে আলম বেপারী জানান, সেতুটি সংস্কারের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমীনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর জানা ছিল না। উপজেলা প্রকৌশলীকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করবেন।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫