
বাংলাদেশে পানি–সাশ্রয়ী ধান চাষ এবং কৃষিক্ষেত্রে মিথেন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে দেশীয় একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে জাপানি কোম্পানি মিৎসুই অ্যান্ড কোং। তবে মিৎসুই–এর লক্ষ্য মূলত বাংলাদেশে এই পদ্ধতি প্রচলনে সহায়তা করে কার্বন ক্রেডিট অর্জন করা। জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিৎসুই অ্যান্ড কোং গত সোমবার জানিয়েছে—তারা বাংলাদেশে একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে। লক্ষ্য হলো এমন একটি পানি–সাশ্রয়ী ধান চাষ পদ্ধতি প্রচার করা, যা গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে পারে। আগামী বছর থেকেই এই প্রকল্পের মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিট অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ বন্ধু ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের আওতায় কৃষকদের ‘অলটারনেট ওয়েটিং অ্যান্ড ড্রাইং’—পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই পদ্ধতিতে ধানখেত থেকে পানি বের করে দেওয়া হয় এবং মাটি শুকাতে দেওয়া হয়। এরপর আবার জমিতে পানি দেওয়া হয়।
এই পদ্ধতি মাটিতে থাকা মিথেন গ্যাস নিঃসরণকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রম কমাতে সাহায্য করে। ফলে প্রচলিত পদ্ধতিতে সারাক্ষণ জমি প্লাবিত রাখার তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নিঃসরণ কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে এতে পানিও সাশ্রয় হয়। বাংলাদেশে কৃষিকাজে প্রায়ই ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করা হয়। প্রকল্পের ঘোষণা দিয়ে মিৎসুই বলেছে, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে টেকসই ধান চাষ প্রসারে কাজ করতে চায় মিৎসুই।’
অলটারনেট ওয়েটিং অ্যান্ড ড্রাইং পদ্ধতি ব্যবহার করে কার্বন ক্রেডিট অর্জনের অভিজ্ঞতা রয়েছে বন্ধু ফাউন্ডেশনের। সংস্থাটি এ প্রকল্পে কারিগরি দিকনির্দেশনা ও পর্যবেক্ষণ করবে। কার্বন ক্রেডিট হলো এমন এক ধরনের বিনিময়যোগ্য সার্টিফিকেট বা পারমিট, যা বায়ুমণ্ডল থেকে এক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সমপরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস অপসারণ বা নিঃসরণ হ্রাসের অধিকার দেয়। সহজ করে বললে, এটি দূষণের একটি আন্তর্জাতিক লাইসেন্স।
মিৎসুই এই প্রকল্পকে জাপানের জয়েন্ট ক্রেডিটিং মেকানিজমের আওতায় নিবন্ধন করার পরিকল্পনা করছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে এ ধরনের প্রকল্প থেকে অর্জিত কার্বন ক্রেডিটের একটি অংশ জাপান পায়। বাংলাদেশ ২০১৩ সালে এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। কার্বন ক্রেডিট থেকে অর্জিত মুনাফার একটি অংশ কৃষকদের কাছে ফেরত দেওয়া হবে।

রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা আগের দিনের তুলনায় আরও কিছুটা বেড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় ছিল ২০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সেটি বেড়ে হয়েছে ২১।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকার বাতাসে দূষণ বেড়েই চলেছে। সাধারণত শীতকালে ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি হলেও এখন প্রায় বছরের সব সময় অস্বাস্থ্যকর থাকে। আর আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় বায়ুদূষণ ‘দুর্যোগপূর্ণ’ মাত্রায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ার।
১ দিন আগে
পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। একই সঙ্গে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
১ দিন আগে
আজ বুধবার সকাল ৯টায় আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আজ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
২ দিন আগে