Ajker Patrika

হর্ন বাজানো আমাদের বন্ধ করতেই হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
হর্ন বাজানো আমাদের বন্ধ করতেই হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

শব্দদূষণের কারণ আমরা সবাই—এ কথা উল্লেখ করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘হর্ন বাজানো আমাদের বন্ধ করতেই হবে। কারণ-অকারণে হর্ন বাজানো এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই অভ্যাস বদলানো ছাড়া শব্দদূষণ কমানো সম্ভব নয়।’

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘হর্ন বাজানো আমাদের বন্ধ করতেই হবে। বিমানবন্দর থেকে বের হলেই যে পরিমাণ হর্নের শব্দ শুনতে হয়, বিদেশিদের কাছে আমাদের রীতিমতো লজ্জায় পড়তে হয়। পৃথিবীর কোনো দেশে এ রকম হর্ন বাজায় না।’ তাই বিমানবন্দর এলাকা থেকে হর্ন সম্পূর্ণ বন্ধ করতে সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ ভবনের সামনে গোলচত্বরে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ঘোষিত নীরব এলাকা বাস্তবায়নে সমন্বিত অভিযান উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, তারা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে।’ একই সঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পরিবেশসচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. এজাজ ও ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এনডিসি, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে পরিবেশ অধিদপ্তর, সিভিল অ্যাভিয়েশন, ডিএমপি, ডিএনসিসি ও বিআরটিএ—এই পাঁচ প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রসিকিউটরের মাধ্যমে ঘোষিত নীরব এলাকায় (বিমানবন্দর) পাঁচটি পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ডিএমপির শতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে অভিযান ও জরিমানা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, শব্দদূষণের বিরুদ্ধে এই সমন্বিত অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত