
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। আজ পবিত্র ঈদুল আজহা। এই দিনে ঈদের নামাজের পর পশু কোরবানি করা হবে। এই জন্য শুষ্ক ও সুন্দর আবহাওয়া সবার প্রত্যাশা থাকে। তাই এই দিনে আবহাওয়া কেমন থাকবে, বৃষ্টি হবে কিনা, হলে কখন হতে পারে তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের কৌতুহল আছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঈদের দিন দেশের অন্তত তিন বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। বাকি বিভাগগুলো একেবারে বৃষ্টিহীন না–ও হতে পারে। তবে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।
গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ শনিবার ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, মৌসুমি বায়ু এখন সক্রিয়। তবে এর প্রভাব কমে এসেছে। শনিবার ঈদের দিন এবং তার পরের দিন বৃষ্টি অপেক্ষাকৃত কমে আসতে পারে। তবে ঈদের দিন চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে।
চলতি জুন মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি চলছে। আসলে গত মে মাসের শেষের দিক থেকেই এ বৃষ্টির শুরু। শেষ সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে দেখা দেয় গভীর নিম্নচাপ। এর প্রভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে ২৪ মে দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটে। নির্ধারিত সময়ের অন্তত এক সপ্তাহ আগেই এবার আগমন ঘটে দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি ঝরানো এ বায়ুর। এর পর থেকে বৃষ্টি কমবেশি চলছে।
বজলুর রশীদ বলেন, ঈদের দিনও অপেক্ষাকৃত শুকনো থাকবে। তবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। তবে এর পরিমাণ খুব বেশি হবে না। রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই কম। রাজধানীসহ ঢাকা বিভাগে সামান্য কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। রাজধানীতে বৃষ্টি হলেও এক পশলা হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজ সকাল ৭টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আকাশ আংশিক মেঘলা এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
চৈত্রের শেষ ভাগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গরম তীব্র হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে অন্তত ২২ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ভ্যাপসা গরমে জনজীবন যখন হাঁসফাঁস, এপ্রিলজুড়ে আরও কয়েক দফা তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
১৪ ঘণ্টা আগে
এবারের চৈত্র মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ ছিল বেশ স্বস্তির। তীব্র গতির না হলেও প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর বয়ে গেছে কালবৈশাখী ঝড়। এর সঙ্গে কোথাও কোথাও হালকা, কোথাওবা ঝরেছে ভারী বৃষ্টি। কোনো কোনো অঞ্চলে আবার হয়েছে বজ্রপাত আর শিলাবৃষ্টি।
২১ ঘণ্টা আগে
চৈত্রের খরতাপে পড়েছে সারা দেশ। দক্ষিণ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে দাবদাহ। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায়ও একদিনের ব্যবধানের তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বৃদ্ধি পেয়ে আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় হয়েছে...
১ দিন আগে