
কারওয়ান বাজারে অন্যতম পরিচিত দৃশ্য মাছ কাটিয়ে নেওয়া। বঁটি নিয়ে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ সারিবদ্ধ হয়ে বসে থাকেন মাছ কাটার জন্য। ক্রেতারা মাছ কেনার পর সেখান থেকে মাছ কাটিয়ে নেন। এবার এমনই এক চরিত্রে দেখা গেছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনীকে। ‘রঙিন আশা’ শিরোনামের নাটকে মাছ কাটা এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে নাটকটির শুটিং।
অপূর্ণ রুবেলের গল্পে নাটকটি পরিচালনা করেছেন রাফাত মজুমদার। নাটকে মাছ কাটার দৃশ্যটুকু বাস্তবে তুলে ধরতে সত্যিকারের কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তকেই বেছে নিয়েছেন পরিচালক। তা জানিয়ে রাফাত বলেন, ‘কারওয়ান বাজারে মাছের আড়তে শুটিংয়ের জন্য ভোরবেলাকেই আমরা বেছে নিয়েছিলাম। শত শত ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ের মধ্যেই শুটিং করেছি। একটি সত্যিকারের মাছ কাটার দোকান ভাড়া করেছিলাম। ওই দোকানে বসেই তটিনী মাছ কাটার কাজ করে শুটিং করেছেন। তটিনীকে চেনা, জানার উপায় ছিল না। মনে হচ্ছিল সত্যিকারেরই মাছ কাটার কাজ করে মেয়েটি।’
কাজটি করতে গিয়ে দারুণ সব অভিজ্ঞতা হয়েছে উল্লেখ করে তটিনী বলেন, ‘তিন দিন ভোরে আড়তে প্রায় দুই ঘণ্টা করে শুটিং করেছি। প্রতিদিনই ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে কারওয়ান বাজারে যেতে হতো। বাজারের মধ্যে উৎসুক শত শত মানুষের ভিড়ের মধ্যে শুটিং চালিয়ে নেওয়া কঠিন ছিল। শুটিং দেখার জন্য সাধারণ মানুষের কৌতূহল বেশি। তা-ও আবার কারওয়ান বাজারের মাছের আড়ত।’
তটিনী আরও বলেন, ‘দৃশ্যগুলোতে সত্যি সত্যি মাছ কেটেছি। আমার তো এ ধরনের কাজে অভিজ্ঞতা ছিল না। বাসায় মাছ কেটেছি কয়েক দিন। শুটিংয়ের সময় আমাকে পাঁচ কেজি ওজনের মাছ কাটতে দিয়েছিল।’
‘রঙিন আশা’ নাটকে তটিনীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার। চরিত্রে খায়রুল বাশার কারওয়ান বাজারে ভ্যান চালান। নাটকে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাবে এই জুটিকে। নাটকটি রঙ্গন মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে।

কারওয়ান বাজারে অন্যতম পরিচিত দৃশ্য মাছ কাটিয়ে নেওয়া। বঁটি নিয়ে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ সারিবদ্ধ হয়ে বসে থাকেন মাছ কাটার জন্য। ক্রেতারা মাছ কেনার পর সেখান থেকে মাছ কাটিয়ে নেন। এবার এমনই এক চরিত্রে দেখা গেছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনীকে। ‘রঙিন আশা’ শিরোনামের নাটকে মাছ কাটা এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে নাটকটির শুটিং।
অপূর্ণ রুবেলের গল্পে নাটকটি পরিচালনা করেছেন রাফাত মজুমদার। নাটকে মাছ কাটার দৃশ্যটুকু বাস্তবে তুলে ধরতে সত্যিকারের কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তকেই বেছে নিয়েছেন পরিচালক। তা জানিয়ে রাফাত বলেন, ‘কারওয়ান বাজারে মাছের আড়তে শুটিংয়ের জন্য ভোরবেলাকেই আমরা বেছে নিয়েছিলাম। শত শত ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ের মধ্যেই শুটিং করেছি। একটি সত্যিকারের মাছ কাটার দোকান ভাড়া করেছিলাম। ওই দোকানে বসেই তটিনী মাছ কাটার কাজ করে শুটিং করেছেন। তটিনীকে চেনা, জানার উপায় ছিল না। মনে হচ্ছিল সত্যিকারেরই মাছ কাটার কাজ করে মেয়েটি।’
কাজটি করতে গিয়ে দারুণ সব অভিজ্ঞতা হয়েছে উল্লেখ করে তটিনী বলেন, ‘তিন দিন ভোরে আড়তে প্রায় দুই ঘণ্টা করে শুটিং করেছি। প্রতিদিনই ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে কারওয়ান বাজারে যেতে হতো। বাজারের মধ্যে উৎসুক শত শত মানুষের ভিড়ের মধ্যে শুটিং চালিয়ে নেওয়া কঠিন ছিল। শুটিং দেখার জন্য সাধারণ মানুষের কৌতূহল বেশি। তা-ও আবার কারওয়ান বাজারের মাছের আড়ত।’
তটিনী আরও বলেন, ‘দৃশ্যগুলোতে সত্যি সত্যি মাছ কেটেছি। আমার তো এ ধরনের কাজে অভিজ্ঞতা ছিল না। বাসায় মাছ কেটেছি কয়েক দিন। শুটিংয়ের সময় আমাকে পাঁচ কেজি ওজনের মাছ কাটতে দিয়েছিল।’
‘রঙিন আশা’ নাটকে তটিনীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার। চরিত্রে খায়রুল বাশার কারওয়ান বাজারে ভ্যান চালান। নাটকে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাবে এই জুটিকে। নাটকটি রঙ্গন মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১৬ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৬ ঘণ্টা আগে