খায়রুল বাসার নির্ঝর, ঢাকা

আজকের পত্রিকা: সেদিন আপনাকে দেখলাম, আড্ডা দিচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শো ছিল। আড্ডার মধ্যেই মোবাইলে পড়াশোনা করছেন।
তৌহিদা শ্রাবণ্য: গানের অনুষ্ঠান উপস্থাপনার শুটিং ছিল। ওই অনুষ্ঠানে সংগীতশিল্পীরা এসে গান শোনান। গানের ফাঁকে কিছু আলাপচারিতা থাকে। আমি প্রশ্ন করি। অতিথিরা উত্তর দেন। অতিথিকে নিয়েই পড়াশোনা করছিলাম সেদিন।
আজকের পত্রিকা: প্রতিটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার আগে কি এমন প্রস্তুতি থাকে আপনার?
শ্রাবণ্য: অবশ্যই। এটা খুবই জরুরি। যিনি আপনার অনুষ্ঠানে আসছেন বা আপনি যাঁর মুখোমুখি হচ্ছেন, তাঁর সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে সুবিধা হয়।
আজকের পত্রিকা: অনেক দিন পর গত ঈদে কয়েকটি নাটকে অভিনয় করলেন।
শ্রাবণ্য: গত ঈদটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল হয়ে এসেছে। অনেক বছর পর তিনটি নাটকে অভিনয় করেছি। আমি তো অভিনয়ে নিয়মিত না। একেবারেই নতুন বলা যায়। তবুও সবাই আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। এবার যে পরিমাণ প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, এতটা আশা করিনি।
আজকের পত্রিকা: অভিনয় করেন না কেন নিয়মিত?
শ্রাবণ্য: নাটকে অভিনয় করার সুবিধা হচ্ছে নাটক করে খুব তাড়াতাড়ি তারকা হওয়া যায়। খুব দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়। কিন্তু নিয়মিত অভিনয় করতে গেলে অনেক সময় দিতে হয়। আমি যেহেতু চিকিৎসা পেশায় জড়িত, তাই অত সময় দেওয়া আমার জন্য একটু কঠিন।
আজকের পত্রিকা: এটা ঠিক। অভিনয় করতে গেলে সারা দিন আপনাকে সেটে থাকতে হবে।
শ্রাবণ্য: শুধু সারা দিন না। দুই-তিন দিনও লাগবে একটা নাটকেই। এ জন্য আমি করতে চাইতাম না। কিন্তু এখন মনে হয়েছে, আমার ভক্ত যারা, তাদের প্রতিও কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। কয়েকজন ভক্তের কথা বলতে পারি, যারা আমাকে সারাক্ষণ নক করে–তুমি অন্তত ঈদে বা ভ্যালেন্টাইনস ডে–তে আমাদের জন্য একটা–দুটো নাটক করো। সব দিক ভেবেই এবার ঈদে নাটকগুলো করলাম।
আজকের পত্রিকা: সাধারণত সবাই মডেলিং শুরু করেন, তারপর অভিনয়ে আসেন। আপনি উপস্থাপনায় গেলেন কেন?
শ্রাবণ্য: যে সময়টায় মডেলিং করতাম, তখন আমি স্টুডেন্ট ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম, এত সময় দেওয়ার মতো সুযোগ আমার নেই। সেটা করতে গেলে আমাকে মেডিকেল প্রফেশন ছেড়ে দিতে হতো। ওটা আমার পরিবার মানত না। তারপর ভাবলাম, উপস্থাপনা আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়। টাইম ম্যানেজমেন্ট করাটাও সহজ হয়। তা ছাড়া উপস্থাপনাও আমার অনেক পছন্দের। স্কুলে, মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করতাম।
আজকের পত্রিকা: এখন তো ওয়েব প্ল্যাটফর্ম বেশ জনপ্রিয়। ওয়েব কনটেন্টে কাজের অফার পাননি?
শ্রাবণ্য: ওয়েবে নাটক–সিনেমা এখন বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। আমিও নিয়মিত দর্শক। ওয়েবে কাজ করতে সবাই চায়। বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছি। করব কি না, সময় পাব কি না–চিন্তা করে দেখব।
আজকের পত্রিকা: আপনি তো চিকিৎসক। সারা দিন রোগী সামলাতে হয়। কেমন লাগে সেখানে?
শ্রাবণ্য: হাসপাতালেও অনেক মজার মজার অভিজ্ঞতা হয় আমার। হাসপাতালে যেসব রোগী আসেন, অনেকেই আমাকে চিনতে পারেন। ওটা তো আমার প্রথম পেশা। গরমে-কষ্টে সারা দিন ওখানেই কাটে। ওখানে কারও মুখে যখন আমার উপস্থাপনা-অভিনয়ের প্রশংসা শুনি, ভালো লাগে।

আজকের পত্রিকা: সেদিন আপনাকে দেখলাম, আড্ডা দিচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শো ছিল। আড্ডার মধ্যেই মোবাইলে পড়াশোনা করছেন।
তৌহিদা শ্রাবণ্য: গানের অনুষ্ঠান উপস্থাপনার শুটিং ছিল। ওই অনুষ্ঠানে সংগীতশিল্পীরা এসে গান শোনান। গানের ফাঁকে কিছু আলাপচারিতা থাকে। আমি প্রশ্ন করি। অতিথিরা উত্তর দেন। অতিথিকে নিয়েই পড়াশোনা করছিলাম সেদিন।
আজকের পত্রিকা: প্রতিটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার আগে কি এমন প্রস্তুতি থাকে আপনার?
শ্রাবণ্য: অবশ্যই। এটা খুবই জরুরি। যিনি আপনার অনুষ্ঠানে আসছেন বা আপনি যাঁর মুখোমুখি হচ্ছেন, তাঁর সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে সুবিধা হয়।
আজকের পত্রিকা: অনেক দিন পর গত ঈদে কয়েকটি নাটকে অভিনয় করলেন।
শ্রাবণ্য: গত ঈদটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল হয়ে এসেছে। অনেক বছর পর তিনটি নাটকে অভিনয় করেছি। আমি তো অভিনয়ে নিয়মিত না। একেবারেই নতুন বলা যায়। তবুও সবাই আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। এবার যে পরিমাণ প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, এতটা আশা করিনি।
আজকের পত্রিকা: অভিনয় করেন না কেন নিয়মিত?
শ্রাবণ্য: নাটকে অভিনয় করার সুবিধা হচ্ছে নাটক করে খুব তাড়াতাড়ি তারকা হওয়া যায়। খুব দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়। কিন্তু নিয়মিত অভিনয় করতে গেলে অনেক সময় দিতে হয়। আমি যেহেতু চিকিৎসা পেশায় জড়িত, তাই অত সময় দেওয়া আমার জন্য একটু কঠিন।
আজকের পত্রিকা: এটা ঠিক। অভিনয় করতে গেলে সারা দিন আপনাকে সেটে থাকতে হবে।
শ্রাবণ্য: শুধু সারা দিন না। দুই-তিন দিনও লাগবে একটা নাটকেই। এ জন্য আমি করতে চাইতাম না। কিন্তু এখন মনে হয়েছে, আমার ভক্ত যারা, তাদের প্রতিও কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। কয়েকজন ভক্তের কথা বলতে পারি, যারা আমাকে সারাক্ষণ নক করে–তুমি অন্তত ঈদে বা ভ্যালেন্টাইনস ডে–তে আমাদের জন্য একটা–দুটো নাটক করো। সব দিক ভেবেই এবার ঈদে নাটকগুলো করলাম।
আজকের পত্রিকা: সাধারণত সবাই মডেলিং শুরু করেন, তারপর অভিনয়ে আসেন। আপনি উপস্থাপনায় গেলেন কেন?
শ্রাবণ্য: যে সময়টায় মডেলিং করতাম, তখন আমি স্টুডেন্ট ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম, এত সময় দেওয়ার মতো সুযোগ আমার নেই। সেটা করতে গেলে আমাকে মেডিকেল প্রফেশন ছেড়ে দিতে হতো। ওটা আমার পরিবার মানত না। তারপর ভাবলাম, উপস্থাপনা আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়। টাইম ম্যানেজমেন্ট করাটাও সহজ হয়। তা ছাড়া উপস্থাপনাও আমার অনেক পছন্দের। স্কুলে, মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করতাম।
আজকের পত্রিকা: এখন তো ওয়েব প্ল্যাটফর্ম বেশ জনপ্রিয়। ওয়েব কনটেন্টে কাজের অফার পাননি?
শ্রাবণ্য: ওয়েবে নাটক–সিনেমা এখন বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। আমিও নিয়মিত দর্শক। ওয়েবে কাজ করতে সবাই চায়। বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছি। করব কি না, সময় পাব কি না–চিন্তা করে দেখব।
আজকের পত্রিকা: আপনি তো চিকিৎসক। সারা দিন রোগী সামলাতে হয়। কেমন লাগে সেখানে?
শ্রাবণ্য: হাসপাতালেও অনেক মজার মজার অভিজ্ঞতা হয় আমার। হাসপাতালে যেসব রোগী আসেন, অনেকেই আমাকে চিনতে পারেন। ওটা তো আমার প্রথম পেশা। গরমে-কষ্টে সারা দিন ওখানেই কাটে। ওখানে কারও মুখে যখন আমার উপস্থাপনা-অভিনয়ের প্রশংসা শুনি, ভালো লাগে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১৭ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৮ ঘণ্টা আগে