
গানে প্রথমবারের মতো এক হলো চ্যানেল আই ও গানবাংলা টেলিভিশন। ২১ এপ্রিল ঈদ উপলক্ষে প্রকাশিত হলো গান ‘ভুল করো না’। লিরিক্যাল ভিডিও আকারে প্রকাশিত গানটি চ্যানেল আই ও গানবাংলার ফেসবুক পেজে একযোগে প্রকাশিত হলেও জানা যায়নি গানটি সম্পর্কে কোনো তথ্য।
গানটিকে কেন্দ্র করে একটি ‘ঈদ মিউজিক কুইজ’-এর আয়োজন করেছে চ্যানেল দুটি।
‘কথা হবে ভেবে, ভুল করো না, কথা হবে না, আর হবে না। দেখা হবে ভেবে, ভুল করো না, দেখা হবে না, আর হবে না। বিদায় বন্ধু বিদায়!’—এমন কথায় রক ঘরানার গানটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সংগীতপ্রেমী নেটিজেনদের মাঝে আলোড়ন তুলেছে।
সোশ্যাল মিডিয়া ঘুরে দেখা গেছে, গানটি শুনে শ্রোতাদের অনেকেই নিজেদের বাংলা ব্যান্ডের সোনালি অতীতে ফিরিয়ে নিয়েছেন। অসংখ্য সমালোচক কিংবা শিল্পীদেরও মুগ্ধ করেছে গানটি।
সাংবাদিক মাহমুদ মানজুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ফেসবুক পেজে গানটি শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, ‘আমরা, যারা ৯০ দশকের শ্রোতা তাদের জন্য এই সময়টা সত্যিই অসহায়ত্বের। আমরা, না নিতে পারি সস্তা কথার প্যানপ্যানানি, না নিতে পারি সিনথেটিক মিউজিক। আমরা এখনো নতুন গান প্রকাশ হলে বা হওয়ার কথা শুনলে অস্থির হয়ে যাই অপেক্ষায়। কখন গানটা শুনব। আমার মনে হলো এই গানটা তেমনই একটা গান, যেটা শোনা যায়। ফেরা যায় নব্বইয়ে। ফেরা যায় বাংলা রকের যৌবনে…।’
সংগীতশিল্পী রাফা তাঁর সোশ্যাল হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘আমি ইতিমধ্যেই আঁচ করতে পারছি, এটা কার গান। তবে এখনই বলছি না। দারুণ উপভোগ্য একটি গান।’
সংগীতশিল্পী ও সাংবাদিক তানভীর তারেক লিখেছেন, ‘কী অসাধারণ কম্পোজিশন! লিরিক! আহা! এমন গান শ্রোতামুখে ফুটুক। এই অস্থির সময়ে এমন গানের জনপ্রিয়তা খুব জরুরি।’
গানটি কে গেয়েছেন? কে লিখেছেন? কে সুর করেছেন কিংবা কোন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকেই-বা গানটি আসছে? এ প্রশ্নগুলোর বৈচিত্র্যময় উত্তর ঘুরপাক খাচ্ছে শ্রোতাদের মনে। আর এ চারটি প্রশ্নের উত্তরই জানতে চেয়েছে চ্যানেল আই ও গানবাংলা তাদের ‘ঈদ মিউজিক কুইজ’ আয়োজনে।
সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে শুধু নির্বাচিত একজন ভাগ্যবানকেই পুরস্কার হিসাবে প্রদান করা হবে নগদ এক লাখ টাকা।
চ্যানেল সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যেই কুইজে অংশ নেওয়া শুরু করেছেন শ্রোতারা। গানের কমেন্ট বক্সেও বৈচিত্র্যময় উত্তর আসছে।
নেটিজেনরা বলছেন, গানের জন্য এমন লাখ টাকার পুরস্কারের নজির মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে কখনো দেখা যায়নি। তবে পুরস্কারের অঙ্ক কিংবা কুইজের চমক ছাপিয়ে ঈদে এমন একটি গানকে প্রাপ্তি হিসেবে মনে করছেন শ্রোতারা। বাংলা গানের সুদিন আবার ফিরে আসছে, গানটি শুনে এমন মন্তব্যও করছেন কেউ কেউ।
পুরস্কার জিতে নিতে কিছু নিয়ম জুড়ে দেওয়া হয়েছে গানের সঙ্গে। কুইজের সঠিক উত্তর লিখে নিজের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বরসহ ৩০ এপ্রিল ২০২৩-এর মধ্যে পাঠিয়ে [email protected] নামের মেইল অ্যাড্রেসে পাঠিয়ে দিতে হবে।
পাশাপাশি #bhulkorona লিখে গানটি শেয়ার করতে হবে নিজের ফেসবুক ওয়ালে।
গানের লিংক:

গানে প্রথমবারের মতো এক হলো চ্যানেল আই ও গানবাংলা টেলিভিশন। ২১ এপ্রিল ঈদ উপলক্ষে প্রকাশিত হলো গান ‘ভুল করো না’। লিরিক্যাল ভিডিও আকারে প্রকাশিত গানটি চ্যানেল আই ও গানবাংলার ফেসবুক পেজে একযোগে প্রকাশিত হলেও জানা যায়নি গানটি সম্পর্কে কোনো তথ্য।
গানটিকে কেন্দ্র করে একটি ‘ঈদ মিউজিক কুইজ’-এর আয়োজন করেছে চ্যানেল দুটি।
‘কথা হবে ভেবে, ভুল করো না, কথা হবে না, আর হবে না। দেখা হবে ভেবে, ভুল করো না, দেখা হবে না, আর হবে না। বিদায় বন্ধু বিদায়!’—এমন কথায় রক ঘরানার গানটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সংগীতপ্রেমী নেটিজেনদের মাঝে আলোড়ন তুলেছে।
সোশ্যাল মিডিয়া ঘুরে দেখা গেছে, গানটি শুনে শ্রোতাদের অনেকেই নিজেদের বাংলা ব্যান্ডের সোনালি অতীতে ফিরিয়ে নিয়েছেন। অসংখ্য সমালোচক কিংবা শিল্পীদেরও মুগ্ধ করেছে গানটি।
সাংবাদিক মাহমুদ মানজুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ফেসবুক পেজে গানটি শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, ‘আমরা, যারা ৯০ দশকের শ্রোতা তাদের জন্য এই সময়টা সত্যিই অসহায়ত্বের। আমরা, না নিতে পারি সস্তা কথার প্যানপ্যানানি, না নিতে পারি সিনথেটিক মিউজিক। আমরা এখনো নতুন গান প্রকাশ হলে বা হওয়ার কথা শুনলে অস্থির হয়ে যাই অপেক্ষায়। কখন গানটা শুনব। আমার মনে হলো এই গানটা তেমনই একটা গান, যেটা শোনা যায়। ফেরা যায় নব্বইয়ে। ফেরা যায় বাংলা রকের যৌবনে…।’
সংগীতশিল্পী রাফা তাঁর সোশ্যাল হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘আমি ইতিমধ্যেই আঁচ করতে পারছি, এটা কার গান। তবে এখনই বলছি না। দারুণ উপভোগ্য একটি গান।’
সংগীতশিল্পী ও সাংবাদিক তানভীর তারেক লিখেছেন, ‘কী অসাধারণ কম্পোজিশন! লিরিক! আহা! এমন গান শ্রোতামুখে ফুটুক। এই অস্থির সময়ে এমন গানের জনপ্রিয়তা খুব জরুরি।’
গানটি কে গেয়েছেন? কে লিখেছেন? কে সুর করেছেন কিংবা কোন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকেই-বা গানটি আসছে? এ প্রশ্নগুলোর বৈচিত্র্যময় উত্তর ঘুরপাক খাচ্ছে শ্রোতাদের মনে। আর এ চারটি প্রশ্নের উত্তরই জানতে চেয়েছে চ্যানেল আই ও গানবাংলা তাদের ‘ঈদ মিউজিক কুইজ’ আয়োজনে।
সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে শুধু নির্বাচিত একজন ভাগ্যবানকেই পুরস্কার হিসাবে প্রদান করা হবে নগদ এক লাখ টাকা।
চ্যানেল সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যেই কুইজে অংশ নেওয়া শুরু করেছেন শ্রোতারা। গানের কমেন্ট বক্সেও বৈচিত্র্যময় উত্তর আসছে।
নেটিজেনরা বলছেন, গানের জন্য এমন লাখ টাকার পুরস্কারের নজির মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে কখনো দেখা যায়নি। তবে পুরস্কারের অঙ্ক কিংবা কুইজের চমক ছাপিয়ে ঈদে এমন একটি গানকে প্রাপ্তি হিসেবে মনে করছেন শ্রোতারা। বাংলা গানের সুদিন আবার ফিরে আসছে, গানটি শুনে এমন মন্তব্যও করছেন কেউ কেউ।
পুরস্কার জিতে নিতে কিছু নিয়ম জুড়ে দেওয়া হয়েছে গানের সঙ্গে। কুইজের সঠিক উত্তর লিখে নিজের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বরসহ ৩০ এপ্রিল ২০২৩-এর মধ্যে পাঠিয়ে [email protected] নামের মেইল অ্যাড্রেসে পাঠিয়ে দিতে হবে।
পাশাপাশি #bhulkorona লিখে গানটি শেয়ার করতে হবে নিজের ফেসবুক ওয়ালে।
গানের লিংক:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১৮ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৮ ঘণ্টা আগে