বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

গতকাল শনিবার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। সেখানে ফরিদা পারভীনকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কনকচাঁপা।
কনকচাঁপা বলেন, ‘ফরিদা পারভীন আপা লালনগীতিতে যে জনপ্রিয়তা তৈরি করেছিলেন, সেই পুরো জায়গাটা শূন্য করে নিজের সঙ্গে নিয়ে চলে গেলেন। আধুনিক জীবনে আমরা যারা লালনগীতি শুনতাম, সেই জায়গা ফরিদা আপা সৃষ্টি করেছেন। যাঁরা লালন সাইজির আখড়ায় গান করেন, তাঁদের গান একরকম। সেই গান ওই জায়গা থেকে তুলে এনে আধুনিকায়ন করে আমাদের কাছে উপস্থাপন করেছেন তিনি।’
ফরিদা পারভীনের গান নিয়ে কনকচাঁপা আরও বলেন, ‘লালনগীতি ছাড়াও তাঁর কণ্ঠে দেশের গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর গলার সুর ছিল তিরের মতো। তাঁকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে যাচ্ছি। আল্লাহ তাঁর এতটুকুই হায়াত রেখেছিলেন। কিন্তু উনার আরও দীর্ঘদিন বাঁচার দরকার ছিল আমাদের জন্য, বাংলাদেশের শ্রোতাদের জন্য, শিল্পীদের জন্য।’
একে একে ফরিদা পারভীনের মতো গুণী শিল্পীদের হারিয়ে নিজেকে অসহায় মনে করছেন কনকচাঁপা। তিনি বলেন, ‘সংগীতাঙ্গনে যাঁরা আমাদের মাথার ওপর বটবৃক্ষের মতো ছিলেন, তাঁদের অনেককেই হারিয়ে ফেলছি। অসহায় হয়ে যাচ্ছি। যে ভরাট সংগীতাঙ্গন দেখে বড় হয়েছি, ঋদ্ধ হয়েছি; সেই অঙ্গনের অনেক মানুষকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি।’
ফরিদা পারভীনের মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে শোক প্রকাশ করছেন। তবে ভিন্ন চিত্রও আছে। তাঁকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়ে কনকচাঁপা বলেন, ‘সাধারণ মানুষ নিজের সময়কে আনন্দময় করতে গান শোনেন। কিন্তু যখন একজন শিল্পী চলে যায়, তখন তারা পাপ-পূণ্য, বেহেশত-দোজখ—এসব নিয়ে এত কথা বলে! সেই মন্তব্যগুলো দেখলে আমরা ভীত হয়ে যাই। আমরা খুব ভেঙে পড়ি। একটা মানুষ মাত্রই মারা গেল, এখনো তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়নি। এর মধ্যে শুরু হয়েছে কয় নাম্বার দোজখে যাবে, এমন আলাপ। যাঁরা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন, তাঁদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমাদের শিল্পীদের এত পাপী ভাববেন না। শিল্পীরা একমাত্র জাতি যাদের কোনো ঘুষ খাওয়ার জায়গা নেই, দুর্নীতি করার জায়গা নেই, মিথ্যাচার ও অন্যায় করার জায়গা নেই।’

গতকাল শনিবার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। সেখানে ফরিদা পারভীনকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কনকচাঁপা।
কনকচাঁপা বলেন, ‘ফরিদা পারভীন আপা লালনগীতিতে যে জনপ্রিয়তা তৈরি করেছিলেন, সেই পুরো জায়গাটা শূন্য করে নিজের সঙ্গে নিয়ে চলে গেলেন। আধুনিক জীবনে আমরা যারা লালনগীতি শুনতাম, সেই জায়গা ফরিদা আপা সৃষ্টি করেছেন। যাঁরা লালন সাইজির আখড়ায় গান করেন, তাঁদের গান একরকম। সেই গান ওই জায়গা থেকে তুলে এনে আধুনিকায়ন করে আমাদের কাছে উপস্থাপন করেছেন তিনি।’
ফরিদা পারভীনের গান নিয়ে কনকচাঁপা আরও বলেন, ‘লালনগীতি ছাড়াও তাঁর কণ্ঠে দেশের গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর গলার সুর ছিল তিরের মতো। তাঁকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে যাচ্ছি। আল্লাহ তাঁর এতটুকুই হায়াত রেখেছিলেন। কিন্তু উনার আরও দীর্ঘদিন বাঁচার দরকার ছিল আমাদের জন্য, বাংলাদেশের শ্রোতাদের জন্য, শিল্পীদের জন্য।’
একে একে ফরিদা পারভীনের মতো গুণী শিল্পীদের হারিয়ে নিজেকে অসহায় মনে করছেন কনকচাঁপা। তিনি বলেন, ‘সংগীতাঙ্গনে যাঁরা আমাদের মাথার ওপর বটবৃক্ষের মতো ছিলেন, তাঁদের অনেককেই হারিয়ে ফেলছি। অসহায় হয়ে যাচ্ছি। যে ভরাট সংগীতাঙ্গন দেখে বড় হয়েছি, ঋদ্ধ হয়েছি; সেই অঙ্গনের অনেক মানুষকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি।’
ফরিদা পারভীনের মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে শোক প্রকাশ করছেন। তবে ভিন্ন চিত্রও আছে। তাঁকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়ে কনকচাঁপা বলেন, ‘সাধারণ মানুষ নিজের সময়কে আনন্দময় করতে গান শোনেন। কিন্তু যখন একজন শিল্পী চলে যায়, তখন তারা পাপ-পূণ্য, বেহেশত-দোজখ—এসব নিয়ে এত কথা বলে! সেই মন্তব্যগুলো দেখলে আমরা ভীত হয়ে যাই। আমরা খুব ভেঙে পড়ি। একটা মানুষ মাত্রই মারা গেল, এখনো তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়নি। এর মধ্যে শুরু হয়েছে কয় নাম্বার দোজখে যাবে, এমন আলাপ। যাঁরা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন, তাঁদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমাদের শিল্পীদের এত পাপী ভাববেন না। শিল্পীরা একমাত্র জাতি যাদের কোনো ঘুষ খাওয়ার জায়গা নেই, দুর্নীতি করার জায়গা নেই, মিথ্যাচার ও অন্যায় করার জায়গা নেই।’

সংগীতশিল্পী হিসেবেই অঞ্জন দত্তের জনপ্রিয়তা বেশি। গান লেখা, সুর করা, গাওয়া ছাড়াও তিনি আপাদমস্তক সিনেমার মানুষ। অনেক জনপ্রিয় নির্মাতার সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তিনি নিজেও পরিচালনা করেছেন। লেখালেখিও করেন নিয়মিত। নিজের জীবনের গল্প টুকরোভাবে বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে অঞ্জনের কলমে।
১৬ ঘণ্টা আগে
‘জামাই বউ অতি চালাক’, ‘প্রেমের কোনো বয়স নাই’, ‘রঙ্গিলা মজিদ’, ‘ফিটফাট বাবু’, ‘বিড়ম্বনায় বাবু’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম ও লাক্স তারকাখ্যাত নীলাঞ্জনা নীলা। এবার আরও এক নাটকে জুটি বাঁধলেন তাঁরা।
১৬ ঘণ্টা আগে
অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী মিশেল ইয়োর সঙ্গে জেমস ক্যামেরনের কাজ করার ইচ্ছা দীর্ঘদিনের। সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমায় তাঁকে নিতে চেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি জেমস ক্যামেরন জানিয়েছেন, সবকিছু পরিকল্পনা মতো এগোলে ‘অ্যাভাটার ৪’-এ মিশেল ইয়োর উপস্থিতি প্র
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কয়েকটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ। উৎসবে আজ যেসব সিনেমা প্রদর্শিত হবে, রইল সে তালিকা।
১৭ ঘণ্টা আগে