
দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রকাশ পেয়েছে মিঠুন চক্রের গাওয়া নতুন গান ‘নিমন্ত্রণ’। হোম স্টুডিও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পেয়েছে গানটি।
‘কৃষ্ণচূড়া দোলে দেখ লিলুয়া বাতাসে, তাই না দেখে রাধাচূড়া থেকে থেকে হাসে’—এমন কথার গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন নীল কামরুল। মিঠুন চক্র জানান, গানটি এক যুগ আগে তৈরি করেন নীল কামরুল। সন্ধান করছিলেন মনের মতো কণ্ঠের। অবশেষে মিঠুনের কণ্ঠে প্রাণ পেল গানটি।
মিঠুন চক্র বলেন, ‘নিমন্ত্রণ গানটি প্রায় ১২-১৩ বছর আগে তৈরি করেন নীল কামরুল ভাই। এই গানের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন দেশের অনেক গুণী মিউজিশিয়ান। কিন্তু মনের মতো একটা কণ্ঠ তিনি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। প্রথমে চিন্তা করেছিলেন এই গান কোনো নারী শিল্পীকে দিয়ে গাওয়াবেন। সেভাবেই গানটি তৈরি করা। সম্প্রতি নীল কামরুল ভাইয়ের সঙ্গে ভিন্ন একটি কাজের সময় তিনি গানটি আমাকে শোনান। গানটি শোনামাত্রই মনে গেঁথে গেল। মনে হলো, গানটি মানুষ শুনবে। তাঁকে বললাম, এটি আমি গাইতে চাই। কিন্তু সমস্যা হলো, এটি নারী শিল্পীকে ভেবে তৈরি করা। আমরা আবার বসলাম। এরপর কিছু জায়গা ঠিক করে নতুন করে তৈরি করা হলো গানটি।’

মিঠুন চক্র আরও বলেন, ‘গানটির ভিডিওতে হয়তো কোনো চাকচিক্য নেই। কিন্তু এটি মনে গেঁথে যাওয়ার মতো একটি গান। এটি নিয়ে অনেক দূর যেতে চাই। ফোক ঘরানার নিমন্ত্রণ গানের মধ্যে যেমন প্রতিটি মানুষের বেদনার নিমন্ত্রণ রয়েছে, তেমনি আবার সুখেরও নিমন্ত্রণ আছে। কারণ, বেদনা ও সুখ—এ দুটির একটি ছাড়াও জীবন চলে না। এই গানের মধ্যে ওই মিশ্রণ পাওয়া যাবে। আমার চাওয়া, সবাই নিমন্ত্রণ গানটি শুনুন।’

বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিচর্চায় নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে সপ্তমবারের মতো শুরু হচ্ছে রিয়েলিটি শো ‘বাংলাবিদ’। গতকাল শনিবার থেকে শুরু হয়েছে এই রিয়েলিটি শোর সপ্তম সিজনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া, চলবে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের আট ব্যান্ড নিয়ে আগামী ১০ জুলাই রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজন করা হয়েছে ‘ওভারলোড ফেস্টিভ্যাল’ শিরোনামের কনসার্ট। লাইভ ওয়েভ এন্টারটেইনমেন্ট আয়োজিত এই কনসার্টে গান শোনাবে ব্যান্ড অর্থহীন, আর্টসেল, ব্ল্যাক, ক্রিপটেক ফেইট, নেমেসিস, পাওয়ারসার্জ, লেভেল ফাইভ এবং রকসল্ট।
২ ঘণ্টা আগে
নেটফ্লিক্সের অন্যতম সফল সায়েন্স ফিকশন সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ বাবা-মেয়ের ভূমিকায় সাড়া ফেলেছিলেন ডেভিড হারবার ও মিলি ববি ব্রাউন। ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত স্ট্রেঞ্জার থিংসের পাঁচটি সিজনে তাঁদের অন-স্ক্রিন রসায়নই ছিল সিরিজের অন্যতম আকর্ষণ।
২ ঘণ্টা আগে
ক্রিটেক মাঠের পাশাপাশি দাদাগিরি দিয়ে উপস্থাপনাতেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। দাদাগিরি মানেই সৌরভ গাঙ্গুলী—দর্শকের কাছে এটাই সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাই নার্ভাস ছিলেন দেব। প্রথমত, নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয়ত, বিগত এক দশকে সৌরভের লিগ্যাসি।
২ দিন আগে