সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩১ মে দেশে ফিরেছেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন। এখন তিনি ঢাকায় নিজের বাসায় আছেন। আজ সোমবার আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শিল্পীর পারিবারিক সূত্র। বর্তমানে সাবিনা ইয়াসমীনের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি, তবে নিয়মিত চেকআপের জন্য এ মাসেই তাঁকে আবার সিঙ্গাপুর যেতে হবে।
গত ফেব্রুয়ারিতে নিয়মিত চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুরে যান সাবিনা ইয়াসমীন। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা দাঁতের সমস্যা দেখতে পান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৭ ফেব্রুয়ারি একটি অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচার শেষে রেডিওথেরাপি নিতে হয়। এরই মধ্যে রেডিওথেরাপি কোর্স শেষ হয়। তবে রেডিওথেরাপির কারণে তাঁর শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়। আগামী এক বছর সাবিনা ইয়াসমীনকে নির্দিষ্ট সময় পরপর সিঙ্গাপুর যেতে হবে বলে জানিয়েছে পারিবারিক সূত্রটি।
পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গানের ভুবনে বিচরণ তাঁর। চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদি, লোকসংগীত, আধুনিক বাংলাসহ নানা ধারার গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সংগীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান কোরো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাই-বোন।
৪ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
৫ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
৫ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
৫ ঘণ্টা আগে