
আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন। ফেব্রুয়ারির শুরুতেই চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সিঙ্গাপুরে। জানা গেছে, এবার মুখগহ্বরে বাসা বেঁধেছে ক্যানসারের জীবাণু। এরই মধ্যে শিল্পীর মুখে একটি সার্জারি হয়েছে। দ্রুত শুরু হবে রেডিওথেরাপি। আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠবেন শিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন। পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে তাঁর জন্য।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের শেষের দিক থেকেই অসুস্থ তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শে বিভিন্ন টেষ্ট করানোর পর নিশ্চিত হওয়া যায়, শিল্পীর মুখগহ্বরে ফের ক্যানসার বাসা বেঁধেছে। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
২০০৭ সালে প্রথম ওরাল ক্যানসারে আক্রান্ত হন সাবিনা ইয়াসমীন। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে চিকিৎসা হয়েছিল তাঁর। সেই বার ক্যানসার জয় করে দেশে ফিরে ছিলেন তিনি। সব যখন স্বাভাবিক হয়ে এসেছে, তখনই শিল্পীর জীবনে আরও একবার ছন্দপতন।

পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গানের ভুবনে বিচরণ তাঁর। চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদি, লোকসংগীত, আধুনিক বাংলাসহ নানা ধারার গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সংগীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান কোরো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাই-বোন।
৪ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
৫ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
৫ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
৫ ঘণ্টা আগে