
হলিউডের জনপ্রিয় তারকা কিয়ানু রিভসের সঙ্গে উইনোনা রাইডারের বিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের মধ্যে একটা গুঞ্জন চলে আসছে। শোনা যায়, ‘ড্রাকুলা’ চলচ্চিত্রে বিয়ের একটি দৃশ্যে হলিউডের আরেক তারকা উইনোনা রাইডারের সঙ্গে সত্যিই বিয়ে হয়েছিল রিভসের।
সম্প্রতি এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইনোনা রাইডারও কয়েক বছর আগে গণমাধ্যমে এমন তথ্য দিয়েছিলেন। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিয়ানু এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিয়ের জন্য যা করতে হয় তাই হয়েছিল আমাদের। সিনেমার দৃশ্যে সবই ছিল। সব নিয়ম মেনেই একজন সত্যিকারের পুরোহিত আমাদের বিয়ে দিয়েছেন। উইনোনাও মনে করে যে এটি সত্যি ছিল। আমারও মনে হয়, ঈশ্বরের চোখে অন্তত আমরা বিবাহিত।’
১৯৯২ সালে ফোর্ড কপলার প্রযোজিত বাম স্ট্রোকারসের কাহিনিতে নির্মিত হলিউড ফিকশন ‘ড্রাকুলা’–তে জনাথন ও মিনা চরিত্রে ছিলেন যথাক্রমে কিয়ানু রিভস ও উইনোনা রাইডার। সেই ছবিতেই বিয়ের দৃশ্যে ছিলেন এ দুই তারকা।
এর আগে ২০১৮ সালে কিয়ানু রিভস ও তারকা উইনোনা রাইডার তাদের নতুন সিনেমা ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’–এর প্রচারের জন্য এন্টারটেইনমেন্ট উইকলিতে সাক্ষাৎকার দিতে এসেছিলেন। সে সাক্ষাৎকারের একপর্যায়ে উইনোনা বলেন, ‘ওহ হো, আমরা তো বিবাহিত।’ এটা বলার পর তিনি এর ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমরা ড্রাকুলায় আসলেই বিয়ে করেছিলাম। আমি ঈশ্বরের শপথ করে বলছি। আমরা বাস্তব জীবনে বিবাহিত বলে আমি মনে করি। ওই দৃশ্যের জন্য ফোর্ড কপলার রোমানিয়ার একজন পুরোহিতকে নিয়েছিলেন। আমরা শট হিসেবে দিয়েছি, কিন্তু পুরোহিত আমাদের দিয়ে সবই করিয়েছেন। সুতরাং আমি মনে করি তখনই আমাদের বিয়ে হয়ে গেছে।’
এ বিষয়ে সে বছরে দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড্রাকুলা’র প্রযোজক ফোর্ড কপলারও এ কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘পুরো বিষয়টা ঘটে যাওয়ার পর আমাদের সবারই মনে হয় যে, কিয়ানু ও উইনোনার সত্যিই বিয়ে হয়ে গেছে।’ এবার কিয়ানু রিভস নিজেও একই কথা শোনালেন।
বর্তমানে ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট আলেকজান্দ্রা গ্র্যান্টের সঙ্গে গাঁটছড়া আছে কিয়ানু রিভসের। আর অন্যদিকে উইনোনা রাইডারও একা নন। ২০১১ সাল থেকেই একই ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে স্থির আছেন তিনি।
উল্লেখ্য, কিয়ানু রিভসকে তাঁর ভক্তরা ম্যাট্রিক্স সিরিজের চতুর্থ পর্ব ‘দ্য ম্যাট্রিক্স রেজারেকশনস’–এ দেখতে পারবেন। সেই সঙ্গে এ সিনেমায় এশিয়ার দর্শকদের জন্য আরেক চমক হিসেবে দেখা যাবে বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে।

হলিউডের জনপ্রিয় তারকা কিয়ানু রিভসের সঙ্গে উইনোনা রাইডারের বিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের মধ্যে একটা গুঞ্জন চলে আসছে। শোনা যায়, ‘ড্রাকুলা’ চলচ্চিত্রে বিয়ের একটি দৃশ্যে হলিউডের আরেক তারকা উইনোনা রাইডারের সঙ্গে সত্যিই বিয়ে হয়েছিল রিভসের।
সম্প্রতি এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইনোনা রাইডারও কয়েক বছর আগে গণমাধ্যমে এমন তথ্য দিয়েছিলেন। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিয়ানু এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিয়ের জন্য যা করতে হয় তাই হয়েছিল আমাদের। সিনেমার দৃশ্যে সবই ছিল। সব নিয়ম মেনেই একজন সত্যিকারের পুরোহিত আমাদের বিয়ে দিয়েছেন। উইনোনাও মনে করে যে এটি সত্যি ছিল। আমারও মনে হয়, ঈশ্বরের চোখে অন্তত আমরা বিবাহিত।’
১৯৯২ সালে ফোর্ড কপলার প্রযোজিত বাম স্ট্রোকারসের কাহিনিতে নির্মিত হলিউড ফিকশন ‘ড্রাকুলা’–তে জনাথন ও মিনা চরিত্রে ছিলেন যথাক্রমে কিয়ানু রিভস ও উইনোনা রাইডার। সেই ছবিতেই বিয়ের দৃশ্যে ছিলেন এ দুই তারকা।
এর আগে ২০১৮ সালে কিয়ানু রিভস ও তারকা উইনোনা রাইডার তাদের নতুন সিনেমা ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’–এর প্রচারের জন্য এন্টারটেইনমেন্ট উইকলিতে সাক্ষাৎকার দিতে এসেছিলেন। সে সাক্ষাৎকারের একপর্যায়ে উইনোনা বলেন, ‘ওহ হো, আমরা তো বিবাহিত।’ এটা বলার পর তিনি এর ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমরা ড্রাকুলায় আসলেই বিয়ে করেছিলাম। আমি ঈশ্বরের শপথ করে বলছি। আমরা বাস্তব জীবনে বিবাহিত বলে আমি মনে করি। ওই দৃশ্যের জন্য ফোর্ড কপলার রোমানিয়ার একজন পুরোহিতকে নিয়েছিলেন। আমরা শট হিসেবে দিয়েছি, কিন্তু পুরোহিত আমাদের দিয়ে সবই করিয়েছেন। সুতরাং আমি মনে করি তখনই আমাদের বিয়ে হয়ে গেছে।’
এ বিষয়ে সে বছরে দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড্রাকুলা’র প্রযোজক ফোর্ড কপলারও এ কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘পুরো বিষয়টা ঘটে যাওয়ার পর আমাদের সবারই মনে হয় যে, কিয়ানু ও উইনোনার সত্যিই বিয়ে হয়ে গেছে।’ এবার কিয়ানু রিভস নিজেও একই কথা শোনালেন।
বর্তমানে ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট আলেকজান্দ্রা গ্র্যান্টের সঙ্গে গাঁটছড়া আছে কিয়ানু রিভসের। আর অন্যদিকে উইনোনা রাইডারও একা নন। ২০১১ সাল থেকেই একই ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে স্থির আছেন তিনি।
উল্লেখ্য, কিয়ানু রিভসকে তাঁর ভক্তরা ম্যাট্রিক্স সিরিজের চতুর্থ পর্ব ‘দ্য ম্যাট্রিক্স রেজারেকশনস’–এ দেখতে পারবেন। সেই সঙ্গে এ সিনেমায় এশিয়ার দর্শকদের জন্য আরেক চমক হিসেবে দেখা যাবে বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৩ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৪ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৪ ঘণ্টা আগে