
গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই ব্যাপক বিতর্ক হলিউডে। অস্কারের পর বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত চলচ্চিত্র বিষয়ক অ্যাওয়ার্ড শো এটি। ১৯৪৪ সাল থেকে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস দিচ্ছে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের সংগঠন হলিউড ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশন। এখন তাদের সদস্য ৮৭ জন। এবার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন মিলিয়ে ২৫টি শাখায় পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তবে কারিগরি কাজে সম্পৃক্ত কারও জন্য স্বীকৃতি থাকে না এই আয়োজনে। এই পুরস্কারের বিরুদ্ধে বারবার বর্ণবিদ্বেষ, লিঙ্গ বৈষম্য, অস্বচ্ছতা এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। হলিউডের একটা বড় অংশ এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান গতবছরই বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন। টম ক্রুজের মতো তারকা নিজের গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার ফিরিয়ে দিতেও কুন্ঠাবোধ করেননি।
বিতর্কের মাঝেই শেষ হলো এই বছর ৭৯তম গোল্ডেন গ্লোব। রবিবার (বাংলাদেশ সময় ১০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে বেভারলি হিলটন হোটেলে ছিল হলিউড ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের এই সাদামাটা আয়োজন। অনুষ্ঠানের কোনওরকম লাইভ স্ট্রিমিং হয়নি, কেবলমাত্র গোল্ডেন গ্লোব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে বিজয়ীদের নাম। যা নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়। এই বিতর্কিত গ্লোল্ডেন গ্লোবের আসরে ড্রামা বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কার জিতল ‘দ্য পাওয়ার অব দ্য ডগ’। অন্যদিকে সেরা মিউজিক্যাল ছবি নির্বাচিত হয়েছে ‘ওয়েস্ট সাইড স্টোরি’। এক নজরে দেখে নিন বিজয়ীদের তালিকা-
চলচ্চিত্র বিভাগে বিজয়ীরা:
শ্রেষ্ঠ মোশন ছবি (ড্রামা)- দ্য পাওয়ার অব দ্য ডগ
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (ড্রামা)-উইল স্মিথ (কিং রিচার্ড)
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (ড্রামা)-নিকোল কিডম্যান (বিইইং দ্য রিকার্ডোস)
শ্রেষ্ঠ মোশন ছবি- (মিউজিকাল অথবা কমেডি)-ওয়েস্ট সাইড স্টোরি
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (মিউজিকাল অথবা কমেডি)- অ্যান্ডু গারফিল্ড (টিক টিক বুম)
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (মিউজিকাল অথবা কমেডি)- র্যাচেল জেগলার (ওয়েস্ট সাইড স্টোরি)
শ্রেষ্ঠ পরিচালক- জেন ক্যামপ (দ্য পাওয়ার অফ ডগ)
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য- বেলফাস্ট
শ্রেষ্ঠ ছবি- অ্যানিমেটেড (এনক্যান্টো)
শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার ছবি- ড্রাইভ মাই কার (জাপান)
সেরা মৌলিক সুর- ডুন (হ্যান্স জিমার)
সেরা মৌলিক গান- নো টাইম টু ডাই (বিলি আইলিশ ও ফিনিয়াস ও’ কনেল)
টেলিভিশন বিভাগের বিজয়ীরা
সেরা টিভি সিরিজ (ড্রামা)- সাকসেশন (এইচবিও)
সেরা অভিনেতা (ড্রামা সিরিজ)- জেরেমি স্ট্রং (সাকসেশন)
সেরা অভিনেত্রী (ড্রামা সিরিজ)-মিকেলা জেই রড্রিগেজ (পোজ, এফএক্স)
সেরা টিভি সিরিজ (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি)- হ্যাকস (এইচবিও ম্যাক্স)
সেরা অভিনেতা (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি)- জেসন সুডেইকিস (টেড লাসো, অ্যাপল টিভি প্লাস)
সেরা অভিনেত্রী (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি)-জিন স্মার্ট (হ্যাকস, এইচবিও ম্যাক্স)
সেরা লিমিটেড সিরিজ অথবা টিভি মুভি-দ্য আন্ডারগ্রাউন্ড রেলরোড (প্রাইম ভিডিও)
সেরা অভিনেতা (লিমিটেড সিরিজ অথবা টিভি মুভি)-মাইকেল কিটন (ডোপসিক, হুলু)
সেরা অভিনেত্রী (লিমিটেড সিরিজ অথবা টিভি মুভি)-কেট উইন্সলেট (মেয়ার অব ইস্টটাউন, এইচবিও)
সেরা পার্শ্ব অভিনেতা-ও ইয়াঙ সো (দ্য স্কুইড গেম, নেটফ্লিক্স)
সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী- সারাহ স্নুক (সাকসেশন)

গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই ব্যাপক বিতর্ক হলিউডে। অস্কারের পর বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত চলচ্চিত্র বিষয়ক অ্যাওয়ার্ড শো এটি। ১৯৪৪ সাল থেকে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস দিচ্ছে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের সংগঠন হলিউড ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশন। এখন তাদের সদস্য ৮৭ জন। এবার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন মিলিয়ে ২৫টি শাখায় পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তবে কারিগরি কাজে সম্পৃক্ত কারও জন্য স্বীকৃতি থাকে না এই আয়োজনে। এই পুরস্কারের বিরুদ্ধে বারবার বর্ণবিদ্বেষ, লিঙ্গ বৈষম্য, অস্বচ্ছতা এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। হলিউডের একটা বড় অংশ এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান গতবছরই বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন। টম ক্রুজের মতো তারকা নিজের গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার ফিরিয়ে দিতেও কুন্ঠাবোধ করেননি।
বিতর্কের মাঝেই শেষ হলো এই বছর ৭৯তম গোল্ডেন গ্লোব। রবিবার (বাংলাদেশ সময় ১০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে বেভারলি হিলটন হোটেলে ছিল হলিউড ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের এই সাদামাটা আয়োজন। অনুষ্ঠানের কোনওরকম লাইভ স্ট্রিমিং হয়নি, কেবলমাত্র গোল্ডেন গ্লোব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে বিজয়ীদের নাম। যা নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়। এই বিতর্কিত গ্লোল্ডেন গ্লোবের আসরে ড্রামা বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কার জিতল ‘দ্য পাওয়ার অব দ্য ডগ’। অন্যদিকে সেরা মিউজিক্যাল ছবি নির্বাচিত হয়েছে ‘ওয়েস্ট সাইড স্টোরি’। এক নজরে দেখে নিন বিজয়ীদের তালিকা-
চলচ্চিত্র বিভাগে বিজয়ীরা:
শ্রেষ্ঠ মোশন ছবি (ড্রামা)- দ্য পাওয়ার অব দ্য ডগ
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (ড্রামা)-উইল স্মিথ (কিং রিচার্ড)
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (ড্রামা)-নিকোল কিডম্যান (বিইইং দ্য রিকার্ডোস)
শ্রেষ্ঠ মোশন ছবি- (মিউজিকাল অথবা কমেডি)-ওয়েস্ট সাইড স্টোরি
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (মিউজিকাল অথবা কমেডি)- অ্যান্ডু গারফিল্ড (টিক টিক বুম)
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (মিউজিকাল অথবা কমেডি)- র্যাচেল জেগলার (ওয়েস্ট সাইড স্টোরি)
শ্রেষ্ঠ পরিচালক- জেন ক্যামপ (দ্য পাওয়ার অফ ডগ)
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য- বেলফাস্ট
শ্রেষ্ঠ ছবি- অ্যানিমেটেড (এনক্যান্টো)
শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার ছবি- ড্রাইভ মাই কার (জাপান)
সেরা মৌলিক সুর- ডুন (হ্যান্স জিমার)
সেরা মৌলিক গান- নো টাইম টু ডাই (বিলি আইলিশ ও ফিনিয়াস ও’ কনেল)
টেলিভিশন বিভাগের বিজয়ীরা
সেরা টিভি সিরিজ (ড্রামা)- সাকসেশন (এইচবিও)
সেরা অভিনেতা (ড্রামা সিরিজ)- জেরেমি স্ট্রং (সাকসেশন)
সেরা অভিনেত্রী (ড্রামা সিরিজ)-মিকেলা জেই রড্রিগেজ (পোজ, এফএক্স)
সেরা টিভি সিরিজ (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি)- হ্যাকস (এইচবিও ম্যাক্স)
সেরা অভিনেতা (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি)- জেসন সুডেইকিস (টেড লাসো, অ্যাপল টিভি প্লাস)
সেরা অভিনেত্রী (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি)-জিন স্মার্ট (হ্যাকস, এইচবিও ম্যাক্স)
সেরা লিমিটেড সিরিজ অথবা টিভি মুভি-দ্য আন্ডারগ্রাউন্ড রেলরোড (প্রাইম ভিডিও)
সেরা অভিনেতা (লিমিটেড সিরিজ অথবা টিভি মুভি)-মাইকেল কিটন (ডোপসিক, হুলু)
সেরা অভিনেত্রী (লিমিটেড সিরিজ অথবা টিভি মুভি)-কেট উইন্সলেট (মেয়ার অব ইস্টটাউন, এইচবিও)
সেরা পার্শ্ব অভিনেতা-ও ইয়াঙ সো (দ্য স্কুইড গেম, নেটফ্লিক্স)
সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী- সারাহ স্নুক (সাকসেশন)

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
২১ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
২১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
২১ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
২১ ঘণ্টা আগে